ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দেশের বাজারে অনারের আল্ট্রা-স্লিম ফোল্ডেবল ‘ম্যাজিক ভি৬’ Logo সুস্থ সংস্কৃতি ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা গঠনে তরুণ সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিহার্য Logo একটি হুইল চেয়ারই বদলে দিতে পারে প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবন Logo ‘চাঁদা না দিলে রাস্তায় পড়ে থাকবে লাশ’: হিন্দু পল্লীতে আতঙ্ক Logo ফরিদপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের সূচনা জন্মের প্রথম ঘণ্টায় শালদুধ, প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর আহ্বান Logo নগরকান্দায় ৯ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগে তদন্তে পুলিশ Logo বাগেরহাটে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ Logo কুমিল্লায় শাহীন স্কুলের বর্ণাঢ্য ফল উৎসব অনুষ্ঠিত Logo পুলিশ কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo মনোহরদীতে খাল খনন শেষে প্রকল্পের অর্ধেক অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

ভারত থেকে আরও ২ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি পেল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:২৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬ ৩৮৫ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। মঙ্গলবার।। ২০.০১.২০২৬

বাংলাদেশ সরকার বেসরকারিভাবে ভারত থেকে আরও দুই লাখ টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এ সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় চালকল মালিক ও রপ্তানিকারকরা। তাদের মতে, এই নতুন অনুমতির ফলে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতে চাল রপ্তানির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে, ২০২৬ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত ২৩২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চাল আমদানি করতে পারবে। সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, এই পদক্ষেপ দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সালের আগস্টে বাংলাদেশ প্রথম দফায় চাল আমদানির পরিকল্পনা জানায়। বর্তমানে নতুন অনুমোদিত দুই লাখ টন চাল সেই পূর্ব পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত হলো। আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ৯ লাখ টন চাল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে পাঁচ লাখ টন বেসরকারিভাবে এবং চার লাখ টন সরকারিভাবে সংগ্রহ করা হবে।

ভারতের চাল রপ্তানিকারকদের সংগঠন আইআরইএফ-এর সভাপতি প্রেম গার্গ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে ভারতের চালের বড় ক্রেতা। তার মতে, ভারতীয় চাল রপ্তানিতে অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা বিশেষ সুবিধা পাবেন, কারণ ভারতের বাজারে চালের দাম তুলনামূলকভাবে কম।

‘জয় বাবা বাকেশ্বর চাল মিল’-এর পরিচালক রাহুল খৈতান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চাপ বাড়ার কারণে সরকার বেসরকারিভাবে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশে সিদ্ধ চালের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি ধারণা করছেন।

ভারতের ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, চাল রপ্তানিতে ভারত এখনও বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও সাশ্রয়ী অংশীদার। সাম্প্রতিক বাণিজ্য তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সাদা চালের দাম প্রতি টন ৩৫১ থেকে ৩৬০ মার্কিন ডলার, যেখানে পাকিস্তানের চালের দাম প্রায় ৩৯৫ ডলার।

ট্যাগস :

ভারত থেকে আরও ২ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি পেল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৪:২৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। মঙ্গলবার।। ২০.০১.২০২৬

বাংলাদেশ সরকার বেসরকারিভাবে ভারত থেকে আরও দুই লাখ টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এ সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় চালকল মালিক ও রপ্তানিকারকরা। তাদের মতে, এই নতুন অনুমতির ফলে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতে চাল রপ্তানির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে, ২০২৬ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত ২৩২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চাল আমদানি করতে পারবে। সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, এই পদক্ষেপ দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সালের আগস্টে বাংলাদেশ প্রথম দফায় চাল আমদানির পরিকল্পনা জানায়। বর্তমানে নতুন অনুমোদিত দুই লাখ টন চাল সেই পূর্ব পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত হলো। আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ৯ লাখ টন চাল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে পাঁচ লাখ টন বেসরকারিভাবে এবং চার লাখ টন সরকারিভাবে সংগ্রহ করা হবে।

ভারতের চাল রপ্তানিকারকদের সংগঠন আইআরইএফ-এর সভাপতি প্রেম গার্গ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে ভারতের চালের বড় ক্রেতা। তার মতে, ভারতীয় চাল রপ্তানিতে অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা বিশেষ সুবিধা পাবেন, কারণ ভারতের বাজারে চালের দাম তুলনামূলকভাবে কম।

‘জয় বাবা বাকেশ্বর চাল মিল’-এর পরিচালক রাহুল খৈতান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চাপ বাড়ার কারণে সরকার বেসরকারিভাবে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশে সিদ্ধ চালের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি ধারণা করছেন।

ভারতের ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, চাল রপ্তানিতে ভারত এখনও বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও সাশ্রয়ী অংশীদার। সাম্প্রতিক বাণিজ্য তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সাদা চালের দাম প্রতি টন ৩৫১ থেকে ৩৬০ মার্কিন ডলার, যেখানে পাকিস্তানের চালের দাম প্রায় ৩৯৫ ডলার।