ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সহযোগিতা কামনা প্রধানমন্ত্রীর Logo নাহিদ রানার আগুনে বোলিংয়ে পাকিস্তান বিধ্বস্ত, ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ Logo ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে হাজার কোটি টাকার প্রত্নসম্পদের রহস্য, আসল সরিয়ে রাখা হয়েছে নকল Logo জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে কমছে ইলিশ, বলছেন গবেষকরা Logo ট্রাম্প মানেই কি সংঘাত আর যুদ্ধ Logo শেষ বিকেলে তাসকিন-তাইজুলের আগুনে বোলিং, জয়ের পথে বাংলাদেশ Logo ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিষিদ্ধ চেয়ে আদালতে জয়া আহসান Logo দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনায় সরকার: সেতুমন্ত্রী Logo পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করার মানসিকতাই দুর্নীতির মূল উৎস: হাসনাত আবদুল্লাহ Logo বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার স্থাপনে প্রস্তুতি, দেড় মাসের মধ্যে জমি পাচ্ছে বিএসএফ

ট্রাম্প মানেই কি সংঘাত আর যুদ্ধ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৪০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬ ৩৮ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। মঙ্গলবার ।। ১২ মে ২০২৬ ।।

যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের অন্যতম যুদ্ধকেন্দ্রিক রাষ্ট্র হিসেবে দেখা হয়। কারণ, বিশ্বের প্রায় প্রতিটি বড় সংঘাতে দেশটির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে শুরু করে ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া কিংবা ইরান—সব জায়গাতেই ওয়াশিংটনের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে সমালোচনা কম নয়। একইভাবে গাজায় ইসরায়েলের অভিযানে মার্কিন সমর্থন নিয়েও বিশ্বজুড়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইসরায়েলকে বিপুল অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা দেওয়ার কারণে দেশটি বহুদিন ধরেই সমালোচনার মুখে রয়েছে। এই বাস্তবতার মধ্যেও ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে একসময় ভিন্ন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি নিজেকে যুদ্ধবিরোধী নেতা হিসেবে তুলে ধরেন। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পৃক্ততা নিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সমালোচনাও করেছিলেন তিনি। এমনকি ক্ষমতায় এলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতিও দেন। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হয়নি। ইউক্রেন যুদ্ধ এখনো চলমান এবং ট্রাম্পের মধ্যস্থতা কার্যকর ফল আনতে পারেনি। একইভাবে গাজা সংকট সমাধান ও দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক শান্তি প্রতিষ্ঠার যে পরিকল্পনার কথা তিনি বলেছিলেন, সেটিও বাস্তব অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। বরং বিশ্ব রাজনীতির অস্থিরতা আরও বেড়েছে। এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে ইরান ইস্যুতেও সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে শুরু করে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz ঘিরে অচলাবস্থা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে চাপ সৃষ্টি করে। বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক উদ্বেগে পরিণত হয়। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প এখন একই সঙ্গে ভূরাজনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপে রয়েছেন। ইরান ইস্যুতে শক্ত অবস্থান ধরে রাখলেও যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া বাড়ছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, জনপ্রিয়তার পতন এবং যুদ্ধবিরোধী জনমত তার রাজনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করছে। ২০২৫ সালের জুনে ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ নামে ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। তবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার কিছু প্রতিবেদনে ভিন্ন ইঙ্গিত পাওয়া যায়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ওই হামলার সময়ও ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা চলছিল। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের কয়েকজন নিহত হওয়ার খবর সামনে আসে। এরপর ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। যদিও পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়, তবে সেটিকে অনেকেই অস্থায়ী ও অনিশ্চিত বলে মনে করছেন। ট্রাম্প একাধিকবার সতর্ক করে বলেছেন, ইরান সমঝোতায় না এলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অন্যদিকে তেহরানও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দেয়নি। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনা চললেও এখনো স্থায়ী কোনো সমাধান আসেনি। হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনাও অব্যাহত রয়েছে। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও চাপ বাড়ছে। চলতি বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ আরও তীব্র হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর ঝুঁকিও রয়েছে তার সামনে। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে লাতিন আমেরিকাতেও ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অবস্থান আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে Nicolás Maduro-কে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ এবং Venezuela ও Cuba-র ওপর চাপ প্রয়োগ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুধু প্রতিপক্ষ নয়, দীর্ঘদিনের মিত্রদের সঙ্গেও ট্রাম্পের সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্যে পড়েছে। Canada-কে নিয়ে মন্তব্য কিংবা Greenland অধিগ্রহণের ইঙ্গিত ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি করেছিল। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও ট্রাম্পের নীতি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। চীন ও রাশিয়ার পাশাপাশি মিত্র দেশগুলোর ওপরও অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে তিনি নতুন বাণিজ্য উত্তেজনার সূচনা করেন। যদিও আদালতের কিছু রায়ে সেই নীতির অংশ বাতিল হয়েছে, তবুও বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। এমন পরিস্থিতিতে ইতালির সাবেক ফ্যাসিবাদী নেতা Benito Mussolini-এর সেই বহুল আলোচিত উক্তি আবারও আলোচনায় আসছে—‘যুদ্ধই জীবন’। আর তাই প্রশ্ন উঠছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক জীবনও কি ক্রমেই সংঘাত ও যুদ্ধকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে?

ট্যাগস :

ট্রাম্প মানেই কি সংঘাত আর যুদ্ধ

আপডেট সময় : ০৪:৪০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। মঙ্গলবার ।। ১২ মে ২০২৬ ।।

যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের অন্যতম যুদ্ধকেন্দ্রিক রাষ্ট্র হিসেবে দেখা হয়। কারণ, বিশ্বের প্রায় প্রতিটি বড় সংঘাতে দেশটির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে শুরু করে ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া কিংবা ইরান—সব জায়গাতেই ওয়াশিংটনের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে সমালোচনা কম নয়। একইভাবে গাজায় ইসরায়েলের অভিযানে মার্কিন সমর্থন নিয়েও বিশ্বজুড়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইসরায়েলকে বিপুল অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা দেওয়ার কারণে দেশটি বহুদিন ধরেই সমালোচনার মুখে রয়েছে। এই বাস্তবতার মধ্যেও ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে একসময় ভিন্ন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি নিজেকে যুদ্ধবিরোধী নেতা হিসেবে তুলে ধরেন। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পৃক্ততা নিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সমালোচনাও করেছিলেন তিনি। এমনকি ক্ষমতায় এলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতিও দেন। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হয়নি। ইউক্রেন যুদ্ধ এখনো চলমান এবং ট্রাম্পের মধ্যস্থতা কার্যকর ফল আনতে পারেনি। একইভাবে গাজা সংকট সমাধান ও দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক শান্তি প্রতিষ্ঠার যে পরিকল্পনার কথা তিনি বলেছিলেন, সেটিও বাস্তব অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। বরং বিশ্ব রাজনীতির অস্থিরতা আরও বেড়েছে। এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে ইরান ইস্যুতেও সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে শুরু করে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz ঘিরে অচলাবস্থা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে চাপ সৃষ্টি করে। বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক উদ্বেগে পরিণত হয়। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প এখন একই সঙ্গে ভূরাজনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপে রয়েছেন। ইরান ইস্যুতে শক্ত অবস্থান ধরে রাখলেও যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া বাড়ছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, জনপ্রিয়তার পতন এবং যুদ্ধবিরোধী জনমত তার রাজনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করছে। ২০২৫ সালের জুনে ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ নামে ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। তবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার কিছু প্রতিবেদনে ভিন্ন ইঙ্গিত পাওয়া যায়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ওই হামলার সময়ও ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা চলছিল। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের কয়েকজন নিহত হওয়ার খবর সামনে আসে। এরপর ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। যদিও পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়, তবে সেটিকে অনেকেই অস্থায়ী ও অনিশ্চিত বলে মনে করছেন। ট্রাম্প একাধিকবার সতর্ক করে বলেছেন, ইরান সমঝোতায় না এলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অন্যদিকে তেহরানও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দেয়নি। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনা চললেও এখনো স্থায়ী কোনো সমাধান আসেনি। হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনাও অব্যাহত রয়েছে। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও চাপ বাড়ছে। চলতি বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ আরও তীব্র হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর ঝুঁকিও রয়েছে তার সামনে। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে লাতিন আমেরিকাতেও ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অবস্থান আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে Nicolás Maduro-কে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ এবং Venezuela ও Cuba-র ওপর চাপ প্রয়োগ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুধু প্রতিপক্ষ নয়, দীর্ঘদিনের মিত্রদের সঙ্গেও ট্রাম্পের সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্যে পড়েছে। Canada-কে নিয়ে মন্তব্য কিংবা Greenland অধিগ্রহণের ইঙ্গিত ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি করেছিল। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও ট্রাম্পের নীতি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। চীন ও রাশিয়ার পাশাপাশি মিত্র দেশগুলোর ওপরও অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে তিনি নতুন বাণিজ্য উত্তেজনার সূচনা করেন। যদিও আদালতের কিছু রায়ে সেই নীতির অংশ বাতিল হয়েছে, তবুও বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। এমন পরিস্থিতিতে ইতালির সাবেক ফ্যাসিবাদী নেতা Benito Mussolini-এর সেই বহুল আলোচিত উক্তি আবারও আলোচনায় আসছে—‘যুদ্ধই জীবন’। আর তাই প্রশ্ন উঠছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক জীবনও কি ক্রমেই সংঘাত ও যুদ্ধকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে?