বিজয়ের শপথে দেখা মেলেনি স্ত্রী-সন্তানের, সামনের সারিতেই ছিলেন তৃষা
- আপডেট সময় : ০৮:১৩:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬ ১৭২ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। রোববার ।। ১০ মে ২০২৬ ।।
তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থালাপতি বিজয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে রাজনৈতিক গুরুত্বের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি দৃষ্টি কাড়ে তার পরিবারের অনুপস্থিতি এবং অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের উপস্থিতি। এ ঘটনাকে ঘিরে আবারও ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।
রোববার (১০ মে) চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজয়ের বাবা এস এ চন্দ্রশেখর ও মা শোভা চন্দ্রশেখর। কিন্তু দেখা যায়নি তার স্ত্রী সংগীতা স্বর্ণালিঙ্গম এবং সন্তান সঞ্জয় ও দিব্যা সাশাকে। অন্যদিকে, সামনের সারিতে বিজয়ের মায়ের পাশেই বসেছিলেন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। সেই দৃশ্য ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তুমুল আলোচনা।
দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণী চলচ্চিত্র জগতে বিজয় ও তৃষাকে ঘিরে সম্পর্কের গুঞ্জন রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে কখনও প্রকাশ্যে মন্তব্য করেননি তারা। তবে বিজয়ের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিনে তৃষার উপস্থিতিকে অনেকে বিশেষ বার্তা হিসেবেই দেখছেন। সামাজিক মাধ্যমে কেউ কেউ বলছেন, এটি হয়তো পুরোনো গুঞ্জনের পরোক্ষ ইঙ্গিত।
এক নেটিজেন মন্তব্য করেন, ‘নতুন মুখ্যমন্ত্রী, নতুন রানি? শপথের আসল আলোচনা তো সামনের সারিতে। স্ত্রী-সন্তান অনুপস্থিত, আর মায়ের পাশে তৃষা—এটা কি কাকতালীয়?’ আরেকজন লেখেন, ‘বিজয়ের জীবনের এমন গুরুত্বপূর্ণ দিনে পরিবারের কাউকে না দেখা সত্যিই বিস্ময়কর। পুরো বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।’
এদিকে বিজয়ের দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়েও সম্প্রতি বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, প্রায় ২৭ বছরের সংসারজীবনের পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংগীতা স্বর্ণালিঙ্গম চেঙ্গলপাট্টু পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন। এছাড়া ২০২১ সালের পর থেকে তাদের সম্পর্কের দূরত্ব বাড়তে শুরু করে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ কারণে শপথ অনুষ্ঠানে পরিবারের অনুপস্থিতিকে অনেকে শুধুই ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে দেখছেন না। কারও মতে এটি পারিবারিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত, আবার কেউ মনে করছেন রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের শুরুতেই ব্যক্তিগত বিতর্ক বিজয়ের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।
সব আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেও তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন যাত্রা শুরু করেছেন থালাপতি বিজয়। চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয়তা পেরিয়ে এখন তিনি রাজ্যের প্রশাসনিক নেতৃত্বে। সামনে তার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবে রাজনৈতিক স্থিরতা বজায় রাখা, প্রশাসনিক দক্ষতার প্রমাণ দেওয়া এবং জনগণের আস্থা ধরে রাখা।



















