ঢাকা ১২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ, বিশ্বকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ বার্তা Logo ডিজিটাল ব্যাংক চালুর সম্মতি পেল বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান Logo বেহেশতের টিকিট বিক্রিকারীরা আবার ফ্যাসিস্টদের সাথে হাত মিলিয়েছে Logo ​কুমিল্লায় ব্র্যাকের কর্মশালা অনুষ্ঠিত-প্রবাসে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’ জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা। Logo ভ্যান ছিনতাই করতে চালককে হত্যা, মরদেহে ইট বেঁধে ফেলা হয় নদীতে Logo কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল ব্র্যাকের নারী কর্মীর Logo ৫০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ১৩০ রোগী, মেঝে-বারান্দায় চিকিৎসা Logo নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন Flagship: helio110 Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই ১০ ঘর, নিঃস্ব ১৪ পরিবার Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার

জবির ডিন অফিসের সামনে ভাঙা চেয়ার-টেবিলের স্তুপ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:২১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৩ ২৫৯ বার পঠিত

সাকিবুল ইসলাম, জবি প্রতিনিধি:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ডিন অফিসের সামনে ভাঙা চেয়ার টেবিলের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। দিনের পর দিন ফেলে রাখলেও তা পরিষ্কার কিংবা স্থায়ী কোন সমাধানে উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।

১০ অক্টোবর মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, ডিন অফিসের সামনে-পিছনে ভাঙ্গা চেয়ার-টেবিলের স্তূপ জমে আছে। ভিতরের কক্ষে ভাঙ্গা চেয়ার-টেবিল দিয়ে ভর্তি হয়ে আছে। পরিণত হয়েছে চেয়ার-টেবিলের হাট বাজারে। এছাড়া ডিন অফিসের সিড়িতে ফেলে রাখা হয়েছে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ।

ডিন অফিসে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য সকাল থেকে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত করতে হয়। ভাঙ্গা চেয়ার-টেবিলের জন্য ওই ভবনে শিক্ষার্থীদের বসার মত কোন জায়গা নেই। ফলে শিক্ষার্থীদের দাঁড়িয়ে সকল কাজ সম্পন্ন করতে হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মাঝে মাঝে বসার কোন জায়গা পাওয়া যায় না। অথচ ভবনটি চেয়ার-টেবিলের গুদাম বানিয়ে রাখা হয়েছে।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ডিন অফিস হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজের জায়গা। এখানে এসে মাঝে মাঝে বসার জায়গাও মেলে না। কর্তৃপক্ষ ডিন অফিসকে গোডাউন ঘরে পরিণত করছে যা আমরা কখনো কল্পনাও করিনি। গোডাউন ঘর পরিষ্কার করে শীঘ্রই ডিন অফিসে বসার স্থান করে দিবে বলে অনুরোধ করছি।

ভুগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল কাদের বলেন, আমাদের পরিচ্ছন্নতা কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে, মেয়াদ থাকাকালীন সময়ে আমি বহুবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়েছি, এগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করার জন্য আউট সোর্সসিং লোক লাগবে কিন্তু অর্থ হিসাব দপ্তর বাজেট স্বল্পতার কারণে এই ফাইল অনুমোদন দেয় নাই এবং কোন আপডেট ও আমাকে জানানো হয় নাই।

তিনি আরও বলেন, এখন নতুন যে পরিবেশ উন্নয়ন কমিটি হবে তারা কিভাবে ফাংশনাল হবে এ সংক্রান্ত চিঠি আমি দিয়েছি, যে তাদের যদি বাজেট দেয় তাহলে আউট সোর্সসিং লোক দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে কম্পিউটার সাইন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার আচার্য্য বলেন, ডিন অফিসের সামনে কিছু চেয়ার টেবিল আমাদের রয়েছে। তবে সবগুলো আমাদের নয়। কিছু অন্য ডিপার্টমেন্টরও রয়েছে। আমি একটু অসুস্থ তো আসতে পারছি না। আমি এসে এগুলো সরানোর ব্যবস্থা নিব। সামনের সপ্তাহে এগুলো সরিয়ে ফেলবো।

জবির ডিন অফিসের সামনে ভাঙা চেয়ার-টেবিলের স্তুপ

আপডেট সময় : ০৭:২১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৩

সাকিবুল ইসলাম, জবি প্রতিনিধি:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ডিন অফিসের সামনে ভাঙা চেয়ার টেবিলের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। দিনের পর দিন ফেলে রাখলেও তা পরিষ্কার কিংবা স্থায়ী কোন সমাধানে উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।

১০ অক্টোবর মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, ডিন অফিসের সামনে-পিছনে ভাঙ্গা চেয়ার-টেবিলের স্তূপ জমে আছে। ভিতরের কক্ষে ভাঙ্গা চেয়ার-টেবিল দিয়ে ভর্তি হয়ে আছে। পরিণত হয়েছে চেয়ার-টেবিলের হাট বাজারে। এছাড়া ডিন অফিসের সিড়িতে ফেলে রাখা হয়েছে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ।

ডিন অফিসে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য সকাল থেকে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত করতে হয়। ভাঙ্গা চেয়ার-টেবিলের জন্য ওই ভবনে শিক্ষার্থীদের বসার মত কোন জায়গা নেই। ফলে শিক্ষার্থীদের দাঁড়িয়ে সকল কাজ সম্পন্ন করতে হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মাঝে মাঝে বসার কোন জায়গা পাওয়া যায় না। অথচ ভবনটি চেয়ার-টেবিলের গুদাম বানিয়ে রাখা হয়েছে।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ডিন অফিস হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজের জায়গা। এখানে এসে মাঝে মাঝে বসার জায়গাও মেলে না। কর্তৃপক্ষ ডিন অফিসকে গোডাউন ঘরে পরিণত করছে যা আমরা কখনো কল্পনাও করিনি। গোডাউন ঘর পরিষ্কার করে শীঘ্রই ডিন অফিসে বসার স্থান করে দিবে বলে অনুরোধ করছি।

ভুগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল কাদের বলেন, আমাদের পরিচ্ছন্নতা কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে, মেয়াদ থাকাকালীন সময়ে আমি বহুবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়েছি, এগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করার জন্য আউট সোর্সসিং লোক লাগবে কিন্তু অর্থ হিসাব দপ্তর বাজেট স্বল্পতার কারণে এই ফাইল অনুমোদন দেয় নাই এবং কোন আপডেট ও আমাকে জানানো হয় নাই।

তিনি আরও বলেন, এখন নতুন যে পরিবেশ উন্নয়ন কমিটি হবে তারা কিভাবে ফাংশনাল হবে এ সংক্রান্ত চিঠি আমি দিয়েছি, যে তাদের যদি বাজেট দেয় তাহলে আউট সোর্সসিং লোক দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে কম্পিউটার সাইন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার আচার্য্য বলেন, ডিন অফিসের সামনে কিছু চেয়ার টেবিল আমাদের রয়েছে। তবে সবগুলো আমাদের নয়। কিছু অন্য ডিপার্টমেন্টরও রয়েছে। আমি একটু অসুস্থ তো আসতে পারছি না। আমি এসে এগুলো সরানোর ব্যবস্থা নিব। সামনের সপ্তাহে এগুলো সরিয়ে ফেলবো।