ঢাকা ১২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি ও সতর্কীকরণ নোটিশ দৈনিক বাংলাদেশ কণ্ঠের নাম ও পরিচয় ব্যবহার নিয়ে সতর্কীকরণ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এমপির ভাতিজা পরিচয়ে দাপট, সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা দাবি Logo আপনি আওয়ামীগের চোর, সরাইল থানার ওসিকে রুমিন ফারহানা Logo মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানের সুস্থতা কামনায় পলাশ উপজেলা প্রেসক্লাবে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo সিরাজগঞ্জের নিমগাছী মৎস্য প্রকল্পের খুঁটি-তার ব্যক্তিগত বাসায় নেওয়ার অভিযোগ, জব্দ করে ইউপি চেয়ারম্যান Logo ইউপি সদস্য প্রার্থী আব্দুল হালিম হাওলাদারের যুব সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়কের পিতার ইন্তেকাল: সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে জানাজা সম্পন্ন! Logo পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পর ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্কে রুমিন ফারহানা Logo বিয়ের প্রলোভন ও অশ্লীল ভিডিওর ভয় দেখিয়ে নারী নির্যাতন: পটুয়াখালীতে জাহাঙ্গীর গাজীর বিরুদ্ধে ভূক্তোভূগীর সংবাদ সম্মেলন। Logo ৮,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি ও স্মার্ট ফিচারে ভিভো ওয়াই৩২

রমজানের রোজা নবিজি (সা.) কতবার রেখেছিলেন?

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩ ১১৫৫ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে পবিত্র রমজানের রোজা ফরজ। রোজা ফরজ হওয়ার পর থেকেই পালন করা হয়েছে। কিন্তু রোজা ফরজ হওয়ার পর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানে কতবার রোজা রেখেছিলেন?

দ্বিতীয় হিজরী শাবান মাসে রমজানের রোজা ফরজ হয়। তারপর থেকে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসের ফরজ রোজা পালন করতেন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ৯ বার রমজানের ফরজ রোজা রেখেছিলেন ।

ইমাম নবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোট ৯ বছর রমজানের রোজা রেখেছেন। কারণ এটি দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে ফরজ হয়। এবং মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেছেন রবিউল আউয়াল মাসে, ১১ হিজরি।’ (আল-মাজমুআ ৬/২৫০)

রমজানের আগে মুসলমানরা রোজা রাখে-
বিভিন্ন বর্ণনায় বর্ণিত হয়েছে যে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে মুসলমানরা প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখতেন। তবে অধিকাংশ ফকিহ ও মুহাদ্দিসের মতে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে আশুরার রোজা ওয়াজিব ছিল, যা পরে নফল হয়ে যায়।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসেন, তখন তিনি ইহুদিদের আশুরার দিনে রোজা রাখতে দেখেন। তাদেরকে রোযা রাখার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলেন, এই দিনে আল্লাহ মুসা (আঃ) ও বনী ইসরাইলকে ফেরাউনের উপর বিজয় দান করেছিলেন। তাই আমরা সেদিনের সম্মানে রোজা রাখি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমরা তোমাদের চেয়ে মুসা আলাইহিস সালামের অধিক নিকটবর্তী। অতঃপর তিনি (আশুরার) সিয়াম পালনের নির্দেশ দিলেন’। (বুখারি ৩৯৪৩)

প্রতি মাসের ১৩, ১৪ এবং ১৫ তারিখে বিজ রোজা রাখার নিয়ম সবসময়ই মুস্তাহাব ছিল। হাদিসেও বিজের রোজার বিশেষ তাগিদ রয়েছে।
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমার বন্ধু রাসূল (সা.) আমাকে তিনটি বিষয়ে অসিয়ত করেছেন। মৃত্যু পর্যন্ত আমি তা ত্যাগ করব না। তা হলো- ১. প্রতি মাসে তিন দিন (আইয়ামে বিজ) রোজা রাখা, চাশতের নামায পড়া এবং বিতরের নামায পড়ে বিছানায় যাওয়া।’ (বুখারী ১১৭৮)

রমজানের রোজা নবিজি (সা.) কতবার রেখেছিলেন?

আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে পবিত্র রমজানের রোজা ফরজ। রোজা ফরজ হওয়ার পর থেকেই পালন করা হয়েছে। কিন্তু রোজা ফরজ হওয়ার পর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানে কতবার রোজা রেখেছিলেন?

দ্বিতীয় হিজরী শাবান মাসে রমজানের রোজা ফরজ হয়। তারপর থেকে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসের ফরজ রোজা পালন করতেন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ৯ বার রমজানের ফরজ রোজা রেখেছিলেন ।

ইমাম নবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোট ৯ বছর রমজানের রোজা রেখেছেন। কারণ এটি দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে ফরজ হয়। এবং মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেছেন রবিউল আউয়াল মাসে, ১১ হিজরি।’ (আল-মাজমুআ ৬/২৫০)

রমজানের আগে মুসলমানরা রোজা রাখে-
বিভিন্ন বর্ণনায় বর্ণিত হয়েছে যে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে মুসলমানরা প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখতেন। তবে অধিকাংশ ফকিহ ও মুহাদ্দিসের মতে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে আশুরার রোজা ওয়াজিব ছিল, যা পরে নফল হয়ে যায়।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসেন, তখন তিনি ইহুদিদের আশুরার দিনে রোজা রাখতে দেখেন। তাদেরকে রোযা রাখার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলেন, এই দিনে আল্লাহ মুসা (আঃ) ও বনী ইসরাইলকে ফেরাউনের উপর বিজয় দান করেছিলেন। তাই আমরা সেদিনের সম্মানে রোজা রাখি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমরা তোমাদের চেয়ে মুসা আলাইহিস সালামের অধিক নিকটবর্তী। অতঃপর তিনি (আশুরার) সিয়াম পালনের নির্দেশ দিলেন’। (বুখারি ৩৯৪৩)

প্রতি মাসের ১৩, ১৪ এবং ১৫ তারিখে বিজ রোজা রাখার নিয়ম সবসময়ই মুস্তাহাব ছিল। হাদিসেও বিজের রোজার বিশেষ তাগিদ রয়েছে।
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমার বন্ধু রাসূল (সা.) আমাকে তিনটি বিষয়ে অসিয়ত করেছেন। মৃত্যু পর্যন্ত আমি তা ত্যাগ করব না। তা হলো- ১. প্রতি মাসে তিন দিন (আইয়ামে বিজ) রোজা রাখা, চাশতের নামায পড়া এবং বিতরের নামায পড়ে বিছানায় যাওয়া।’ (বুখারী ১১৭৮)