ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গাজীপুরে জিয়াউর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন Logo গাজীপুরে বহুতল ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় বিদায় নিলেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশিদ Logo সাবেক এমপি হারুন আল রশিদের মৃত্যুতে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শোক  Logo বেনজীরকে ফেরাতে সব নথি পাঠানো হয়েছে, দ্রুত প্রত্যর্পণের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo একটি কোম্পানির মাধ্যমে সকল রুটে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী Logo বটতলায় জমজমাট ফাইনাল: চ্যাম্পিয়ান ভাতকাঠি একতা ফাউন্ডেশন। Logo সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের মাঝে বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ Logo অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল শিশুর Logo জনগণের ভালোবাসা বড় শক্তি, নিরাপত্তা কড়াকড়ি যেন দূরত্ব তৈরি না করে: প্রধানমন্ত্রী

রমজানের রোজা নবিজি (সা.) কতবার রেখেছিলেন?

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩ ১০২৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে পবিত্র রমজানের রোজা ফরজ। রোজা ফরজ হওয়ার পর থেকেই পালন করা হয়েছে। কিন্তু রোজা ফরজ হওয়ার পর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানে কতবার রোজা রেখেছিলেন?

দ্বিতীয় হিজরী শাবান মাসে রমজানের রোজা ফরজ হয়। তারপর থেকে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসের ফরজ রোজা পালন করতেন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ৯ বার রমজানের ফরজ রোজা রেখেছিলেন ।

ইমাম নবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোট ৯ বছর রমজানের রোজা রেখেছেন। কারণ এটি দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে ফরজ হয়। এবং মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেছেন রবিউল আউয়াল মাসে, ১১ হিজরি।’ (আল-মাজমুআ ৬/২৫০)

রমজানের আগে মুসলমানরা রোজা রাখে-
বিভিন্ন বর্ণনায় বর্ণিত হয়েছে যে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে মুসলমানরা প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখতেন। তবে অধিকাংশ ফকিহ ও মুহাদ্দিসের মতে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে আশুরার রোজা ওয়াজিব ছিল, যা পরে নফল হয়ে যায়।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসেন, তখন তিনি ইহুদিদের আশুরার দিনে রোজা রাখতে দেখেন। তাদেরকে রোযা রাখার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলেন, এই দিনে আল্লাহ মুসা (আঃ) ও বনী ইসরাইলকে ফেরাউনের উপর বিজয় দান করেছিলেন। তাই আমরা সেদিনের সম্মানে রোজা রাখি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমরা তোমাদের চেয়ে মুসা আলাইহিস সালামের অধিক নিকটবর্তী। অতঃপর তিনি (আশুরার) সিয়াম পালনের নির্দেশ দিলেন’। (বুখারি ৩৯৪৩)

প্রতি মাসের ১৩, ১৪ এবং ১৫ তারিখে বিজ রোজা রাখার নিয়ম সবসময়ই মুস্তাহাব ছিল। হাদিসেও বিজের রোজার বিশেষ তাগিদ রয়েছে।
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমার বন্ধু রাসূল (সা.) আমাকে তিনটি বিষয়ে অসিয়ত করেছেন। মৃত্যু পর্যন্ত আমি তা ত্যাগ করব না। তা হলো- ১. প্রতি মাসে তিন দিন (আইয়ামে বিজ) রোজা রাখা, চাশতের নামায পড়া এবং বিতরের নামায পড়ে বিছানায় যাওয়া।’ (বুখারী ১১৭৮)

রমজানের রোজা নবিজি (সা.) কতবার রেখেছিলেন?

আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে পবিত্র রমজানের রোজা ফরজ। রোজা ফরজ হওয়ার পর থেকেই পালন করা হয়েছে। কিন্তু রোজা ফরজ হওয়ার পর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানে কতবার রোজা রেখেছিলেন?

দ্বিতীয় হিজরী শাবান মাসে রমজানের রোজা ফরজ হয়। তারপর থেকে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসের ফরজ রোজা পালন করতেন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ৯ বার রমজানের ফরজ রোজা রেখেছিলেন ।

ইমাম নবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোট ৯ বছর রমজানের রোজা রেখেছেন। কারণ এটি দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে ফরজ হয়। এবং মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেছেন রবিউল আউয়াল মাসে, ১১ হিজরি।’ (আল-মাজমুআ ৬/২৫০)

রমজানের আগে মুসলমানরা রোজা রাখে-
বিভিন্ন বর্ণনায় বর্ণিত হয়েছে যে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে মুসলমানরা প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখতেন। তবে অধিকাংশ ফকিহ ও মুহাদ্দিসের মতে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে আশুরার রোজা ওয়াজিব ছিল, যা পরে নফল হয়ে যায়।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসেন, তখন তিনি ইহুদিদের আশুরার দিনে রোজা রাখতে দেখেন। তাদেরকে রোযা রাখার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলেন, এই দিনে আল্লাহ মুসা (আঃ) ও বনী ইসরাইলকে ফেরাউনের উপর বিজয় দান করেছিলেন। তাই আমরা সেদিনের সম্মানে রোজা রাখি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমরা তোমাদের চেয়ে মুসা আলাইহিস সালামের অধিক নিকটবর্তী। অতঃপর তিনি (আশুরার) সিয়াম পালনের নির্দেশ দিলেন’। (বুখারি ৩৯৪৩)

প্রতি মাসের ১৩, ১৪ এবং ১৫ তারিখে বিজ রোজা রাখার নিয়ম সবসময়ই মুস্তাহাব ছিল। হাদিসেও বিজের রোজার বিশেষ তাগিদ রয়েছে।
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমার বন্ধু রাসূল (সা.) আমাকে তিনটি বিষয়ে অসিয়ত করেছেন। মৃত্যু পর্যন্ত আমি তা ত্যাগ করব না। তা হলো- ১. প্রতি মাসে তিন দিন (আইয়ামে বিজ) রোজা রাখা, চাশতের নামায পড়া এবং বিতরের নামায পড়ে বিছানায় যাওয়া।’ (বুখারী ১১৭৮)