গাজীপুরে বহুতল ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৭:৫২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ ১১০ বার পঠিত

গাজীপুর প্রতিনিধি :
এক টুকরো জমি শুধু মাটি নয়, মানুষের স্বপ্ন, নিরাপত্তা আর ভবিষ্যতের আশ্রয়। কিন্তু যখন সেই সীমানার প্রতি সম্মান হারিয়ে যায়, তখন প্রতিবেশী সম্পর্কও পরিণত হয় বিরোধ ও আতঙ্কে। গাজীপুর মহানগরের ভোগড়া এলাকায় এমনই এক নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধ এখন পৌঁছেছে অভিযোগ, হুমকি ও নিরাপত্তাহীনতার পর্যায়ে।
অভিযোগকারী মো. আশরাফুল আলমের দাবি, তার টিনশেড গোডাউনের সীমানা ঘেঁষে প্রায় দেড় বছর আগে বহুতল ভবন নির্মাণ শুরু করেন প্রতিবেশী আবুল হোসেন। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার আপত্তি জানানো হলেও তা উপেক্ষা করে ভবনের নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখা হয়। বর্তমানে ভবনটির তৃতীয় তলার ছাদের কাজ চলছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (গাউক) বিধিমালা অনুযায়ী ভবনের চারপাশে প্রয়োজনীয় ফাঁকা স্থান না রেখেই ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে ভবনের বিভিন্ন অংশ তার জমির দিকে চলে আসছে এবং নির্মাণসামগ্রী পড়ে গোডাউনের টিনের চাল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ঘটনায় তিনি গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্মাণকাজটি অনুমোদিত নকশা বহির্ভূতভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং বিষয়টি একাধিকবার অবহিত করা হলেও অভিযুক্তরা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। অন্যদিকে, গত ১৮ জুন বাসন থানায় দায়ের করা আরেকটি লিখিত অভিযোগে আশরাফুল আলম উল্লেখ করেন, গত ১৬ জুন বিকেলে নির্মাণকাজ নিয়ে আপত্তি জানালে আবুল হোসেন, তার দুই ছেলে সাগর হোসেন ও রাকিব হোসেনসহ কয়েকজন লাঠিসোঁটা, রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাকে মারতে তেড়ে আসে। এ সময় তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। আশরাফুল আলম বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মুরব্বিদের মাধ্যমে একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা করেছি। বরং তারা নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এখন ভবনের উপরের তলাগুলো নির্মাণের সময় সীমানার বাইরে অতিরিক্ত অংশ বাড়িয়ে নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে। আমরা গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। তবে এসব সকল অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আবুল হোসেন বলেন, আমি প্ল্যান পাস নিয়েই বাড়ি করেছি। পাল্টা অভিযোগ করেন তার জমিই অভিযোগকারীরা দখল করে রেখেছেন।












