সংবাদ শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৃক্ষমেলার উদ্বোধন, সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার আহ্বান
বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
- আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ৫৮ বার পঠিত

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ, এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষমেলা ও বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, প্রতিটি গাছের পরিচর্যার বিষয়েও সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন, জেলা বিএনপির সদস্য হাফিজুর রহমান মোল্লা কুচিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষার্থী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন প্রকট হয়ে উঠছে। এই সংকট মোকাবিলায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ এবং বিদ্যমান গাছ সংরক্ষণের বিকল্প নেই। তাই প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি ফলদ, বনজ কিংবা ঔষধি গাছ লাগিয়ে তার নিয়মিত পরিচর্যা করার আহ্বান জানানো হয়। এ সময় বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের যে কর্মসূচির কথা তুলে ধরা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সবুজে ঘেরা একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য জেলা গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলেও মত দেন তারা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বৃক্ষমেলা ঘুরে দেখেন অতিথিরা। মেলায় বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছের চারা প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আয়োজকরা আশা করছেন, এ মেলার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে সবুজে সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নতুন গতি পাবে।





















