ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাঁধ মেরামতের অর্থে ম্যুরাল নির্মাণের অভিযোগ পাউবোর প্রকৌশলী প্রবীরের বিরুদ্ধে Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় পানশালায় বন্দুক হামলা, নিহত ১৭ Logo নতুন বুটে ইনজুরিতে পড়তে পারেন এমবাপ্পে, আগেই সতর্ক করেছিলেন ফিজিও Logo অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে: সাদিয়া আয়মান Logo চাঁদাবাজির ‘ঢালাও’ অভিযোগ করেছে সালমান, মামলা করলে তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ফেসবুক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী মিথ্যাচার চালাচ্ছে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূর সাড়ে-৯ ভরি স্বর্ণ আত্মসাত-২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও এসআই সোহেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রতিবেদনের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাতির মিথ্যা মামলায় এক যুবককে ফাঁসানোর অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে এক মায়ের আকুতি Logo এশিয়ান গেমসের ব্যাডমিন্টনে বাংলাদেশের ইতিহাস, শেষ ষোলোতে গৌরব-আয়মান Logo ডাবল গ্র্যামি জয়ী কণ্ঠশিল্পী ক্যাসান্দ্রা উইলসন মারা গেছেন

বিশ্বমঞ্চে একা ট্রুডো!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৯৮ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো গত সোমবার পার্লামেন্টে দাবি করেছেন যে তাদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ রয়েছে যে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান নাগরিক শিখ নেতা হরদীপ সিং হত্যায় ভারত সরকার জড়িত থাকতে পারে। এরপরই দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা শুরু হয়। এই দাবির পর ভারত ও কানাডার মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা এখন চরমে। ইতোমধ্যে উভয় দেশ একে অপরের কূটনীতিকদের বহিষ্কার করেছে। এরপর গত বৃহস্পতিবার ভারত কানাডার নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করে।

ভারতের সঙ্গে এমন দ্বন্দ্বে বিশ্বমঞ্চে একা হয়ে পড়েছেন ট্রুডো। এই সপ্তাহে নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় ট্রুডোর হাসি ম্লান হতে শুরু করে। সাংবাদিকরা প্রায় সবসময়ই ভারতের বিরুদ্ধে ট্রুডোর অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করে।

এদিন প্রশ্নের জবাবের উত্তর সতর্কভাবে দেন ট্রুডো। তিনি বলেন, আমরা কাউকে উস্কানি দিতে চাই না বা কোন সমস্যা তৈরি করতে চাই না। আমরা আইনের শাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছি।

তখন কয়েকজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, কানাডার মিত্ররা কোথায়? ট্রুডোকে উদ্দেশ্য করেন একজন সাংবাদিক মন্তব্য করেন, প্রয়োজনের সময়ে আপনাকে একা মনে হচ্ছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাদা চোখ দেখে মনে হচ্ছে, অন্তত এখন পর্যন্ত ভারতের মুখোমুখি হলে ট্রুডোকে সম্পূর্ণ একা দাঁড়াতে হবে।

কানাডার তুলনায় ৩৫ গুণ বেশি জনসংখ্যা সহ ভারত বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি। যেদিন থেকে ট্রুডো কানাডার হাউস অফ কমন্সে বিস্ফোরক ঘোষণা করেছিলেন, সেদিন থেকে দেশের প্রধান মিত্রদের কেউই সমর্থনের দৃঢ় আশ্বাস দিয়ে এগিয়ে আসেনি।

নিয়মিত একে অপরের গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করে এমন দেশগুলো হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড ও কানাডা। এসব দেশ কানাডার অন্যতম প্রধান মিত্র। এই জোটকে একসঙ্গে ফাইভ আইস ইন্টেলিজেন্স অ্যালায়েন্স বলা হয়।

ভারতের বিরুদ্ধে ট্রুডোর অভিযোগের পর এই দেশগুলো অনেকটা দায়সারা গোছের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে। কেউই ট্রুডোর পাশে শক্ত অবস্থান নিয়ে দাঁড়াননি।

অস্ট্রেলিয়ার বলেছে, তারা অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। অস্ট্রেলিয়ার মতোই অনেকটা একই ধরণের শব্দ বেছে নিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লিভারলি বলেন, তার দেশ কানাডা যা বলছে তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

সবচেয়ে নীরব প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই দুটি দেশ ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও যুক্তরাষ্ট্র কানাডার পক্ষে ক্ষোভ দেখিয়ে কথা বলেনি।

চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যখন ভারতের প্রসঙ্গ টানেন তখন তিনি ভারতের প্রতি নিন্দা জানাননি। এর পরিবর্তে তিনি নতুন অর্থনৈতিক পথ প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করার জন্য ভারতের প্রশংসা করেন।

বিশ্বমঞ্চে একা ট্রুডো!

আপডেট সময় : ০৫:৪১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো গত সোমবার পার্লামেন্টে দাবি করেছেন যে তাদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ রয়েছে যে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান নাগরিক শিখ নেতা হরদীপ সিং হত্যায় ভারত সরকার জড়িত থাকতে পারে। এরপরই দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা শুরু হয়। এই দাবির পর ভারত ও কানাডার মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা এখন চরমে। ইতোমধ্যে উভয় দেশ একে অপরের কূটনীতিকদের বহিষ্কার করেছে। এরপর গত বৃহস্পতিবার ভারত কানাডার নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করে।

ভারতের সঙ্গে এমন দ্বন্দ্বে বিশ্বমঞ্চে একা হয়ে পড়েছেন ট্রুডো। এই সপ্তাহে নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় ট্রুডোর হাসি ম্লান হতে শুরু করে। সাংবাদিকরা প্রায় সবসময়ই ভারতের বিরুদ্ধে ট্রুডোর অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করে।

এদিন প্রশ্নের জবাবের উত্তর সতর্কভাবে দেন ট্রুডো। তিনি বলেন, আমরা কাউকে উস্কানি দিতে চাই না বা কোন সমস্যা তৈরি করতে চাই না। আমরা আইনের শাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছি।

তখন কয়েকজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, কানাডার মিত্ররা কোথায়? ট্রুডোকে উদ্দেশ্য করেন একজন সাংবাদিক মন্তব্য করেন, প্রয়োজনের সময়ে আপনাকে একা মনে হচ্ছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাদা চোখ দেখে মনে হচ্ছে, অন্তত এখন পর্যন্ত ভারতের মুখোমুখি হলে ট্রুডোকে সম্পূর্ণ একা দাঁড়াতে হবে।

কানাডার তুলনায় ৩৫ গুণ বেশি জনসংখ্যা সহ ভারত বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি। যেদিন থেকে ট্রুডো কানাডার হাউস অফ কমন্সে বিস্ফোরক ঘোষণা করেছিলেন, সেদিন থেকে দেশের প্রধান মিত্রদের কেউই সমর্থনের দৃঢ় আশ্বাস দিয়ে এগিয়ে আসেনি।

নিয়মিত একে অপরের গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করে এমন দেশগুলো হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড ও কানাডা। এসব দেশ কানাডার অন্যতম প্রধান মিত্র। এই জোটকে একসঙ্গে ফাইভ আইস ইন্টেলিজেন্স অ্যালায়েন্স বলা হয়।

ভারতের বিরুদ্ধে ট্রুডোর অভিযোগের পর এই দেশগুলো অনেকটা দায়সারা গোছের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে। কেউই ট্রুডোর পাশে শক্ত অবস্থান নিয়ে দাঁড়াননি।

অস্ট্রেলিয়ার বলেছে, তারা অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। অস্ট্রেলিয়ার মতোই অনেকটা একই ধরণের শব্দ বেছে নিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লিভারলি বলেন, তার দেশ কানাডা যা বলছে তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

সবচেয়ে নীরব প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই দুটি দেশ ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও যুক্তরাষ্ট্র কানাডার পক্ষে ক্ষোভ দেখিয়ে কথা বলেনি।

চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যখন ভারতের প্রসঙ্গ টানেন তখন তিনি ভারতের প্রতি নিন্দা জানাননি। এর পরিবর্তে তিনি নতুন অর্থনৈতিক পথ প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করার জন্য ভারতের প্রশংসা করেন।