ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিশ্বের প্রথম কেইজ ফ্রেম ডিজাইন করা স্মার্টফোন নিয়ে বাজারে এলো আইটেল পাওয়ার ৮০ Logo মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম মারা গেছেন Logo প্রিয় অভিনেত্রীকে দেখতে ভিড়, হুড়োহুড়িতে গাড়িতে পাথর ছুড়ল ভক্তরা Logo এশিয়ান গেমস: মিয়ানমারের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র, বাংলাদেশের বিদায় Logo আইজিপিসহ পুলিশ পদক পাচ্ছেন ৯২ সদস্য Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কাশবনে হাত-মুখ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার Logo নজরুলের চেতনায় আলোকিত প্রজন্ম গড়ার আহ্বান Logo সাতক্ষীরার এমপির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর মূল হোতা শ্যালক ওবায়দুর: মরিয়মের বাবা Logo বাংলাদেশ আর্চারী ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন Logo হুয়াওয়ে কানেক্ট ২০২৬: বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন, সংযুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যৎ গঠনে হুয়াওয়ের প্রতিশ্রুতি

মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম মারা গেছেন

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:০২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ বার পঠিত

মসজিদুল হারামের প্রবীণ মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম বিন আদেল আল-মাদানি ইন্তেকাল করেছেন। হারামাইন শরিফাইনের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টের পোস্টে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ফজরের ওয়াক্তে মক্কা নগরীতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। শায়খ ইবরাহিম মাদানি মসজিদুল হারামের মুকাব্বিরিয়ার অন্যতম সদস্য ছিলেন। মুকাব্বিরিয়ায় দায়িত্ব পালনকারী মুয়াজ্জিনরা আজান দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনমতো ইমামের তাকবির মুসল্লিদের কাছে পৌঁছে দেন। পবিত্র মসজিদুল হারামে মোট ২৪ জন নিয়মিত মুয়াজ্জিন রয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রতিদিন ছয়জন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আজান ও ফজরের প্রথম আজানের দায়িত্বে থাকেন। শায়খ ইবরাহিম বিশেষভাবে ফজরের আজান ও তাকবিরের জন্য পরিচিত ছিলেন।

জানা গেছে, মসজিদুল হারামে তার সর্বশেষ আজান ছিল গত ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরিতে। আজান, হজ ও ঈদের তাকবিরসহ তার কণ্ঠের বিভিন্ন রেকর্ড এখনো সংরক্ষিত আছে।

শায়খ ইবরাহিম আল-মাদানি ১৩৯৭ হিজরিতে মদিনা মুনাওয়ারায় জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিকভাবে তিনি পবিত্র কুরআন হিফজ করেন। মাত্র ১৫ বছর বয়সে মদিনার একটি স্থানীয় মসজিদে আজান দিয়ে তার মুয়াজ্জিন জীবনের শুরু হয়। ১৪২৮ হিজরিতে তিনি মদিনার মসজিদ আল-মাদ্দাহতে আজানের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৪৩৯ হিজরিতে আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন হিসেবে নিয়োগ পান।

মদিনায় বেড়ে ওঠার কারণে শায়খ ইবরাহিম আজানের মাদানি রীতি ও সুরের সঙ্গে গভীরভাবে পরিচিত ছিলেন। একই সঙ্গে বাবার সঙ্গে মক্কায় গিয়ে তিনি মক্কি আজানের স্বতন্ত্র ধারার সঙ্গেও পরিচিত হন। মক্কায় অবস্থানকালে তিনি মসজিদুল হারামের সাবেক মুয়াজ্জিন শায়খ আবদুল লতিফ মুল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ফলে তিনি মক্কি ও মাদানি দুই ধারার আজানের বৈশিষ্ট্য কাছ থেকে শেখার সুযোগ পান।

ট্যাগস :

মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম মারা গেছেন

আপডেট সময় : ০৫:০২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মসজিদুল হারামের প্রবীণ মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম বিন আদেল আল-মাদানি ইন্তেকাল করেছেন। হারামাইন শরিফাইনের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টের পোস্টে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ফজরের ওয়াক্তে মক্কা নগরীতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। শায়খ ইবরাহিম মাদানি মসজিদুল হারামের মুকাব্বিরিয়ার অন্যতম সদস্য ছিলেন। মুকাব্বিরিয়ায় দায়িত্ব পালনকারী মুয়াজ্জিনরা আজান দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনমতো ইমামের তাকবির মুসল্লিদের কাছে পৌঁছে দেন। পবিত্র মসজিদুল হারামে মোট ২৪ জন নিয়মিত মুয়াজ্জিন রয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রতিদিন ছয়জন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আজান ও ফজরের প্রথম আজানের দায়িত্বে থাকেন। শায়খ ইবরাহিম বিশেষভাবে ফজরের আজান ও তাকবিরের জন্য পরিচিত ছিলেন।

জানা গেছে, মসজিদুল হারামে তার সর্বশেষ আজান ছিল গত ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরিতে। আজান, হজ ও ঈদের তাকবিরসহ তার কণ্ঠের বিভিন্ন রেকর্ড এখনো সংরক্ষিত আছে।

শায়খ ইবরাহিম আল-মাদানি ১৩৯৭ হিজরিতে মদিনা মুনাওয়ারায় জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিকভাবে তিনি পবিত্র কুরআন হিফজ করেন। মাত্র ১৫ বছর বয়সে মদিনার একটি স্থানীয় মসজিদে আজান দিয়ে তার মুয়াজ্জিন জীবনের শুরু হয়। ১৪২৮ হিজরিতে তিনি মদিনার মসজিদ আল-মাদ্দাহতে আজানের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৪৩৯ হিজরিতে আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন হিসেবে নিয়োগ পান।

মদিনায় বেড়ে ওঠার কারণে শায়খ ইবরাহিম আজানের মাদানি রীতি ও সুরের সঙ্গে গভীরভাবে পরিচিত ছিলেন। একই সঙ্গে বাবার সঙ্গে মক্কায় গিয়ে তিনি মক্কি আজানের স্বতন্ত্র ধারার সঙ্গেও পরিচিত হন। মক্কায় অবস্থানকালে তিনি মসজিদুল হারামের সাবেক মুয়াজ্জিন শায়খ আবদুল লতিফ মুল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ফলে তিনি মক্কি ও মাদানি দুই ধারার আজানের বৈশিষ্ট্য কাছ থেকে শেখার সুযোগ পান।