ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূর সাড়ে-৯ ভরি স্বর্ণ আত্মসাত-২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও এসআই সোহেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রতিবেদনের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাতির মিথ্যা মামলায় এক যুবককে ফাঁসানোর অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে এক মায়ের আকুতি Logo এশিয়ান গেমসের ব্যাডমিন্টনে বাংলাদেশের ইতিহাস, শেষ ষোলোতে গৌরব-আয়মান Logo ডাবল গ্র্যামি জয়ী কণ্ঠশিল্পী ক্যাসান্দ্রা উইলসন মারা গেছেন Logo যুক্তরাষ্ট্রে ৩৬ বছরের মধ্যে জনপ্রিয়তায় সর্বনিম্ন ডোনাল্ড ট্রাম্প Logo সাদিক কায়েমকে সতর্ক করে রফিকুল ইসলাম মাদানীর ফেসবুক পোস্ট Logo ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পুলিশ সদস্যদের পরিবর্তন দেখাতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ, বিশ্বকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ বার্তা Logo ডিজিটাল ব্যাংক চালুর সম্মতি পেল বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান Logo বেহেশতের টিকিট বিক্রিকারীরা আবার ফ্যাসিস্টদের সাথে হাত মিলিয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূর সাড়ে-৯ ভরি স্বর্ণ আত্মসাত-২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও এসআই সোহেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রতিবেদনের অভিযোগ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০ বার পঠিত

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সোহাতা গ্রামে সাবেক প্রেমিক কর্তৃক ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হয়ে সাড়ে ৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার হারিয়েছে এক গৃহবধূর পরিবার। আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এই প্রতারণা করা হয়। এ ঘটনায় মামলা তদন্ত করতে গিয়ে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা এসআই সোহেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ২০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ এবং মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর মা শিউলী আক্তার বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে তোফাজ্জল হোসেন (৩০), মানিক মিয়া (২৩), কাউছার মিয়া (৫৫) ও মঞ্জুরা বেগম (৪৭) এই ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা (সি.আর. মামলা নং- ৮১০/২৬ দায়ের করেছেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, বিয়ের পূর্বের সম্পর্কের সূত্র ধরে গোপনে তোলা ছবি ও ভিডিও দেখিয়ে সংসার ভাঙার হুমকি দিয়ে আসছিল,১ নম্বর আসামি তোফাজ্জল। গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ রাতে ভুক্তভোগী বাবার বাড়িতে এলে তোফাজ্জল ও মানিক সুকৌশলে ঘরে ঢুকে চাইল্ড-অ্যাবিউস ও ভিডিও ফাঁসের হুমকি দিয়ে সাড়ে ৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে স্থানীয় শালিসে আসামিরা,১ ভরি স্বর্ণ ফেরত দেয় এবং বাকি সাড়ে ৮ ভরি এক মাসের মধ্যে দেওয়ার অঙ্গীকার করলেও পরে তা অস্বীকার করে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগী পরিবার আদালতের শরণাপন্ন হয়। পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সোহেল মাহমুদের অনিয়ম ও ভুয়া রিপোর্ট মামলা দায়েরের পর তদন্তের দায়িত্বে থাকা এসআই সোহেল মাহমুদ নিরপেক্ষ রিপোর্টের আশ্বাস দিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের কাছ থেকে নগদে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ তুলেন। অভিযোগ উঠেছে, ঘুষ নেওয়ার পরও তিনি আসামিদের বাঁচাতে মূল ঘটনা আড়াল করেন। চুরির সুস্পষ্ট প্রমাণ ও শালিসের সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও এসআই সোহেল মাহমুদ তাঁর রিপোর্টে সাড়ে ৯ ভরির জায়গায় মাত্র ‘আড়াই ভরি’ স্বর্ণালঙ্কারের মিথ্যা ও মনগড়া তথ্য উল্লেখ করেন। পুলিশের এমন অপেশাদার আচরণ, অনৈতিক ঘুষ বাণিজ্য ও ভুয়া রিপোর্টের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ এবং সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্যের জন্য এসআই সোহেল মাহমুদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূর সাড়ে-৯ ভরি স্বর্ণ আত্মসাত-২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও এসআই সোহেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রতিবেদনের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সোহাতা গ্রামে সাবেক প্রেমিক কর্তৃক ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হয়ে সাড়ে ৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার হারিয়েছে এক গৃহবধূর পরিবার। আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এই প্রতারণা করা হয়। এ ঘটনায় মামলা তদন্ত করতে গিয়ে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা এসআই সোহেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ২০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ এবং মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর মা শিউলী আক্তার বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে তোফাজ্জল হোসেন (৩০), মানিক মিয়া (২৩), কাউছার মিয়া (৫৫) ও মঞ্জুরা বেগম (৪৭) এই ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা (সি.আর. মামলা নং- ৮১০/২৬ দায়ের করেছেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, বিয়ের পূর্বের সম্পর্কের সূত্র ধরে গোপনে তোলা ছবি ও ভিডিও দেখিয়ে সংসার ভাঙার হুমকি দিয়ে আসছিল,১ নম্বর আসামি তোফাজ্জল। গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ রাতে ভুক্তভোগী বাবার বাড়িতে এলে তোফাজ্জল ও মানিক সুকৌশলে ঘরে ঢুকে চাইল্ড-অ্যাবিউস ও ভিডিও ফাঁসের হুমকি দিয়ে সাড়ে ৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে স্থানীয় শালিসে আসামিরা,১ ভরি স্বর্ণ ফেরত দেয় এবং বাকি সাড়ে ৮ ভরি এক মাসের মধ্যে দেওয়ার অঙ্গীকার করলেও পরে তা অস্বীকার করে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগী পরিবার আদালতের শরণাপন্ন হয়। পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সোহেল মাহমুদের অনিয়ম ও ভুয়া রিপোর্ট মামলা দায়েরের পর তদন্তের দায়িত্বে থাকা এসআই সোহেল মাহমুদ নিরপেক্ষ রিপোর্টের আশ্বাস দিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের কাছ থেকে নগদে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ তুলেন। অভিযোগ উঠেছে, ঘুষ নেওয়ার পরও তিনি আসামিদের বাঁচাতে মূল ঘটনা আড়াল করেন। চুরির সুস্পষ্ট প্রমাণ ও শালিসের সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও এসআই সোহেল মাহমুদ তাঁর রিপোর্টে সাড়ে ৯ ভরির জায়গায় মাত্র ‘আড়াই ভরি’ স্বর্ণালঙ্কারের মিথ্যা ও মনগড়া তথ্য উল্লেখ করেন। পুলিশের এমন অপেশাদার আচরণ, অনৈতিক ঘুষ বাণিজ্য ও ভুয়া রিপোর্টের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ এবং সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্যের জন্য এসআই সোহেল মাহমুদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।