বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়-সেনাবাহিনীর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
- আপডেট সময় : ০৬:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ২০১ বার পঠিত

গাজীপুর প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে পরিচালিত এইচএসসি (নিশ-১) প্রোগ্রামের দশ বছর পূর্তিতে আজ গাজীপুর ক্যাম্পাসে পরবর্তী দশ বছরের জন্য নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে। বাউবি’র পক্ষে রেজিস্ট্রার ড. মহা. শফিকুল আলম এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. মোঃ রেজাউল ইসলাম, পিএসসি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাথে বাউবি’র পারস্পরিক সহযোগিতা আরো নতুন নতুন ক্ষেত্র উন্মোচন করবে। নিশ-১ প্রোগ্রামসহ বাউবি’র সকল প্রোগ্রামের পাঠসামগ্রী ওয়েববেজড্ এবং স্মার্ট করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা যে কোনো অবস্থানে থেকে আরো সহজে শিখন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারেন। বিশেষ অতিথি সেনাসদর শিক্ষা পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. মোঃ রেজাউল ইসলাম পিএসসি সফলভাবে প্রোগ্রাম পরিচলনায় নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতার জন্য উপাচার্যসহ বাউবি’র সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং আগামীতে এ সহযোগিতা আরো সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে বাউবি’র উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন।
বাউবির ওপেন স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. সাবিনা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন লে. কর্নেল ড. আবু হায়দার মোঃ আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নিশ-১ প্রোগ্রামের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. ইকবাল হুসাইন। বাউবি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২০১৩ সালে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে এইচএসসি (নিশ-১) প্রোগ্রামটি পরিচালনা করে আসছে। গত ১০টি ব্যাচে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৮,৩৯৪ জন নবীন সৈনিক এই প্রোগ্রামে ভর্তি হয়েছেন। ২০২২ সাল পর্যন্ত ২৭,৯১০ জন শিক্ষার্থী চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। গড় পাশের হার প্রায় ৮০ শতাংশ। রেজিস্ট্রেশন, ফি জমাদান এবং ফলাফল প্রক্রিয়করণসহ প্রোগ্রামের যাবতীয় কার্যক্রম অনলাইন সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। স্পট ইভ্যালুয়েশন পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়নের মাধ্যমে দ্রুত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ এ প্রোগ্রামের অন্যতম স্বকীয় বৈশিষ্ট্য বলে অনুষ্ঠানে অভিমত ব্যক্ত করা হয়।


























