ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নলছিটিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ Logo বাবাকে হারানোর পর প্রথম গোল মেসির, ফিলাডেলফিয়ার সঙ্গে মায়ামির ড্র Logo ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার কাঠামোর মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হচ্ছে: নাহিদ ইসলাম Logo বিপজ্জনক পদক্ষেপ নিচ্ছে তুরস্ক, হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের Logo ধানমন্ডি ৩২ ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ: ড. ইউনূস-আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ-মাদ্রাসাছাত্র সংঘর্ষে  আহত ৩৫ Logo আপনার লাশ বিলের পানিতে ভাসিয়ে দেবো’ -নওগাঁয় ভূমি কর্মকর্তাকে হত্যার হুমকি সেবাগ্রহীতার Logo নবীনগরে কুপ্রস্তাবে ব্যর্থ হয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ, Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুরে বিষ প্রয়োগে ২০ লাখ টাকার মাছ নিধন, থানায় অভিযোগ Logo উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ‘ফরচুন গ্লোবাল ৫০০’-এ ২৩২তম শাওমি

নবীনগরে কুপ্রস্তাবে ব্যর্থ হয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ,

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ১১৮ বার পঠিত

​মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টার:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সৌদি আরব প্রবাসী মনজু মিয়ার স্ত্রী নার্গিস বেগমকে একাধিকবার কুপ্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, কুপ্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়, যার মধ্যে দুই দফায় ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হলেও বাকি টাকার জন্য আদালতে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়।

​ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, চাহিদামতো বাকি টাকা না পেয়ে তাজুল ইসলাম বাদী হয়ে নবীনগর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুক্তভোগী নার্গিস বেগম ও সৌদি প্রবাসী দানিসুর রহমান এর বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সিআর মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ৩২৩/২০২৬,

​মামলার আরজিতে তাজুল ইসলাম উল্লেখ করেন, তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স স্বপ্না ট্রেডার্স’ থেকে আসামিরা বাড়ি নির্মাণের জন্য নগদ ও বাকিতে মালামাল ক্রয় করেন। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১০ মার্চ তার দোকান থেকে ১৫,১৮,৫০০ টাকার মালামাল নেওয়া হয়, যার মধ্যে ৮,৪৩,০০০ টাকা পরিশোধ করা হলেও ৬,৭৫,৫০০ টাকা বাকি থাকে।

​তবে অনুসন্ধানে প্রকাশ পেয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। মামলায় যে বাড়ি নির্মাণের জন্য মালামাল বিক্রির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেই বাড়িটি প্রকৃতপক্ষে ২০২২ সালেই তৈরি ছিল।
​বাড়ির পূর্বের মালিক খালেক মিয়া ও তার স্ত্রী নিশ্চিত করে জানান, “২০২২ সালে আমরা সম্পূর্ণ রেডি (নির্মিত) বাড়িটি দানিসুর রহমান এর কাছে বিক্রি করি। বাড়ি নতুন করে নির্মাণের প্রশ্নই ওঠে না। দানিসুর রহমান ও নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে আনীত মালামাল ক্রয়ের সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”

অভিযোগ রয়েছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও , নার্গিস বেগম জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জয়নাল আবেদীন তাকে কোন রকমের জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াই মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে আদালতে চার্জসিট দাখিল করেন।
এ বিষয়ে এস আই জয়নাল আবেদীনকে একাধিকবার ফোন দিলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
নবীনগর থানা সূত্রে জানা যায় তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার দুইদিন পরে তিনি ওখান থেকে বদলি হয়ে যান।

​ভুক্তভোগী পরিবার এই মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি এবং অভিযুক্ত তাজুল ইসলামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে তাজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান
তারা আমার বিরুদ্ধে কত কিছুই বলতেছে তাদের যা ইচ্ছা করুক আমার কিছু বলার নেই।

ট্যাগস :

নবীনগরে কুপ্রস্তাবে ব্যর্থ হয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ,

আপডেট সময় : ০৮:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

​মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টার:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সৌদি আরব প্রবাসী মনজু মিয়ার স্ত্রী নার্গিস বেগমকে একাধিকবার কুপ্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, কুপ্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়, যার মধ্যে দুই দফায় ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হলেও বাকি টাকার জন্য আদালতে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়।

​ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, চাহিদামতো বাকি টাকা না পেয়ে তাজুল ইসলাম বাদী হয়ে নবীনগর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুক্তভোগী নার্গিস বেগম ও সৌদি প্রবাসী দানিসুর রহমান এর বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সিআর মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ৩২৩/২০২৬,

​মামলার আরজিতে তাজুল ইসলাম উল্লেখ করেন, তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স স্বপ্না ট্রেডার্স’ থেকে আসামিরা বাড়ি নির্মাণের জন্য নগদ ও বাকিতে মালামাল ক্রয় করেন। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১০ মার্চ তার দোকান থেকে ১৫,১৮,৫০০ টাকার মালামাল নেওয়া হয়, যার মধ্যে ৮,৪৩,০০০ টাকা পরিশোধ করা হলেও ৬,৭৫,৫০০ টাকা বাকি থাকে।

​তবে অনুসন্ধানে প্রকাশ পেয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। মামলায় যে বাড়ি নির্মাণের জন্য মালামাল বিক্রির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেই বাড়িটি প্রকৃতপক্ষে ২০২২ সালেই তৈরি ছিল।
​বাড়ির পূর্বের মালিক খালেক মিয়া ও তার স্ত্রী নিশ্চিত করে জানান, “২০২২ সালে আমরা সম্পূর্ণ রেডি (নির্মিত) বাড়িটি দানিসুর রহমান এর কাছে বিক্রি করি। বাড়ি নতুন করে নির্মাণের প্রশ্নই ওঠে না। দানিসুর রহমান ও নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে আনীত মালামাল ক্রয়ের সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”

অভিযোগ রয়েছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও , নার্গিস বেগম জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জয়নাল আবেদীন তাকে কোন রকমের জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াই মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে আদালতে চার্জসিট দাখিল করেন।
এ বিষয়ে এস আই জয়নাল আবেদীনকে একাধিকবার ফোন দিলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
নবীনগর থানা সূত্রে জানা যায় তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার দুইদিন পরে তিনি ওখান থেকে বদলি হয়ে যান।

​ভুক্তভোগী পরিবার এই মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি এবং অভিযুক্ত তাজুল ইসলামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে তাজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান
তারা আমার বিরুদ্ধে কত কিছুই বলতেছে তাদের যা ইচ্ছা করুক আমার কিছু বলার নেই।