ঢাকা ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হরমুজ প্রণালিতে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জব্দকৃত জাহাজ বিক্রি করবে ইরান Logo স্ত্রী গৌরী পাশে থাকলেও সহকারী পূজার ওড়নায় মুখ মুছলেন শাহরুখ খান Logo জ্বরের কারণে প্রতিযোগিতায় নামতে পারলেন না সাইক্লিস্ট সবুর, এক ল্যাপেই হাল ছাড়লেন শাহাদাত Logo এ বছর স্থানীয় নির্বাচনের সম্ভাবনা কম: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী Logo বৃহৎ পরিসরের এআই কম্পিউটিংয়ের জন্য অ্যাটলাস ৯৬০ই সুপারপড উন্মোচন করল হুয়াওয়ে Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানায় অভিযোগ করায় বাদী পক্ষের ওপর ফের হামলা, ভাঙচুর লুটপাট, আহত ৪ Logo মিউজিক্যাল নাইট নিয়ে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ প্রেজেন্টস ‘ম্যাক্স রিপাবলিক’ Logo চেয়ারম্যানের নির্দেশে সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করার অভিযোগ, বাদীই বলছেন ‘চিনি না’ Logo অবাধ নৌচলাচলে হরমুজ প্রণালিতে যৌথভাবে কাজ করবে ভারত-ফ্রান্স Logo বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না: তানজিন তিশা

তীব্র আবাসন সংকটে ভুগছেন বুটেক্স শিক্ষার্থীরা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০২৩ ২৫৫ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটিতে (বুটেক্স) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হলে সিট বরাদ্দ না থাকলেও তারা দ্বিতীয় বর্ষ থেকে আসন পেয়েছে। তবে গত কয়েক বছর ধরে তীব্র আবাসন সংকটে ভুগছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, বুটেক্স প্রথম বর্ষ (৪৮তম), দ্বিতীয় বর্ষের (৪৭তম) ব্যাচের কোনো শিক্ষার্থীই আসন বরাদ্দ পায়নি। তৃতীয় বর্ষ (৪৬তম) ব্যাচের প্রায় ৪০জন শিক্ষার্থী এলোটমেন্ট নিয়ে এবং বিনা এলোটমেন্টে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী হলের গণরুমে এবং কয়েকটি রুমে থাকছেন।

হল প্রশাসন চলমান তিন ব্যাচের আবাসন সুবিধা দিতে না পারায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ কাজ করছে। জানা গেছে, হলের কক্ষ দখল, ছাত্রত্বের পরও হলের অবস্থান, পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীদের অবস্থানসহ নানা কারণে আবাসন সংকটে ভুগছে শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে সিট বরাদ্দ না পাওয়া ৪৭তম ব্যাচের জাহিদ নামের এক ছাত্র বলেন, আমি বাসায় বাবা-মাকে বলেছিলাম প্রথম বর্ষের হলে সিট পাব না, কষ্ট করে বাইরে থাকতে হবে। আমার মধ্যবিত্ত পরিবার এক বছরেরও বেশি সময় ধরে খরচ যোগিয়েছে। ঢাকা শহরে এত টাকা খরচ করে বাইরে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। হল প্রশাসনের কাছে অনুরোধ আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হলের আসন বরাদ্দ করুন।

৪৬তম ব্যাচের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমি ২-৩ মাস আগে হলের কমনরুমে গিয়েছিলাম, সেখানে পড়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। পড়ার ঘরে একটা চেয়ারও নেই। পরে আবার ব্যাচেলরে উঠেছি। হল প্রশাসনের কাছে দাবী অ-ছাত্রদের হল খালি করতে বাধ্য করুন এবং অবিলম্বে আমাদের কক্ষে আসন বরাদ্দ করুন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম হলের চিত্র আরও খারাপ। ৪৮, ৪৭ ও ৪৬তম ব্যাচের জন্যও কোনো বরাদ্দ ছিল না। বরাদ্দ ছাড়াই ৪৬তম ব্যাচের ১৮-২০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। ৪৭তম ব্যাচের ১০ জন শিক্ষার্থী। এক থেকে তিন বছর আগে পাস করা কিছু শিক্ষার্থী ছয়টি কক্ষের প্রতি কক্ষে ১ থেকে ২ জন করে দখল করছে।

এদিকে, গত ৪ মাস ধরে প্রভোস্টদের হলে আসন বরাদ্দ, অবৈধদের হল ছাড়তে বাধ্য করা, উল্লেখযোগ্য কোনো কার্যক্রম দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে কথা বলতে জিএমএজি ওসমানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামিউল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

তীব্র আবাসন সংকটে ভুগছেন বুটেক্স শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটিতে (বুটেক্স) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হলে সিট বরাদ্দ না থাকলেও তারা দ্বিতীয় বর্ষ থেকে আসন পেয়েছে। তবে গত কয়েক বছর ধরে তীব্র আবাসন সংকটে ভুগছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, বুটেক্স প্রথম বর্ষ (৪৮তম), দ্বিতীয় বর্ষের (৪৭তম) ব্যাচের কোনো শিক্ষার্থীই আসন বরাদ্দ পায়নি। তৃতীয় বর্ষ (৪৬তম) ব্যাচের প্রায় ৪০জন শিক্ষার্থী এলোটমেন্ট নিয়ে এবং বিনা এলোটমেন্টে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী হলের গণরুমে এবং কয়েকটি রুমে থাকছেন।

হল প্রশাসন চলমান তিন ব্যাচের আবাসন সুবিধা দিতে না পারায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ কাজ করছে। জানা গেছে, হলের কক্ষ দখল, ছাত্রত্বের পরও হলের অবস্থান, পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীদের অবস্থানসহ নানা কারণে আবাসন সংকটে ভুগছে শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে সিট বরাদ্দ না পাওয়া ৪৭তম ব্যাচের জাহিদ নামের এক ছাত্র বলেন, আমি বাসায় বাবা-মাকে বলেছিলাম প্রথম বর্ষের হলে সিট পাব না, কষ্ট করে বাইরে থাকতে হবে। আমার মধ্যবিত্ত পরিবার এক বছরেরও বেশি সময় ধরে খরচ যোগিয়েছে। ঢাকা শহরে এত টাকা খরচ করে বাইরে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। হল প্রশাসনের কাছে অনুরোধ আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হলের আসন বরাদ্দ করুন।

৪৬তম ব্যাচের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমি ২-৩ মাস আগে হলের কমনরুমে গিয়েছিলাম, সেখানে পড়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। পড়ার ঘরে একটা চেয়ারও নেই। পরে আবার ব্যাচেলরে উঠেছি। হল প্রশাসনের কাছে দাবী অ-ছাত্রদের হল খালি করতে বাধ্য করুন এবং অবিলম্বে আমাদের কক্ষে আসন বরাদ্দ করুন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম হলের চিত্র আরও খারাপ। ৪৮, ৪৭ ও ৪৬তম ব্যাচের জন্যও কোনো বরাদ্দ ছিল না। বরাদ্দ ছাড়াই ৪৬তম ব্যাচের ১৮-২০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। ৪৭তম ব্যাচের ১০ জন শিক্ষার্থী। এক থেকে তিন বছর আগে পাস করা কিছু শিক্ষার্থী ছয়টি কক্ষের প্রতি কক্ষে ১ থেকে ২ জন করে দখল করছে।

এদিকে, গত ৪ মাস ধরে প্রভোস্টদের হলে আসন বরাদ্দ, অবৈধদের হল ছাড়তে বাধ্য করা, উল্লেখযোগ্য কোনো কার্যক্রম দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে কথা বলতে জিএমএজি ওসমানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামিউল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।