ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাঁধ মেরামতের অর্থে ম্যুরাল নির্মাণের অভিযোগ পাউবোর প্রকৌশলী প্রবীরের বিরুদ্ধে Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় পানশালায় বন্দুক হামলা, নিহত ১৭ Logo নতুন বুটে ইনজুরিতে পড়তে পারেন এমবাপ্পে, আগেই সতর্ক করেছিলেন ফিজিও Logo অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে: সাদিয়া আয়মান Logo চাঁদাবাজির ‘ঢালাও’ অভিযোগ করেছে সালমান, মামলা করলে তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ফেসবুক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী মিথ্যাচার চালাচ্ছে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূর সাড়ে-৯ ভরি স্বর্ণ আত্মসাত-২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও এসআই সোহেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রতিবেদনের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাতির মিথ্যা মামলায় এক যুবককে ফাঁসানোর অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে এক মায়ের আকুতি Logo এশিয়ান গেমসের ব্যাডমিন্টনে বাংলাদেশের ইতিহাস, শেষ ষোলোতে গৌরব-আয়মান Logo ডাবল গ্র্যামি জয়ী কণ্ঠশিল্পী ক্যাসান্দ্রা উইলসন মারা গেছেন

জান্তার হামলায় মিয়ানমারের ২৯ নিহত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৪০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩ ২০৩ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে একটি শরণার্থী শিবিরে রাতে হামলা চালিয়ে ২৯ জনকে হত্যা করেছে সেনাবাহিনী। নিহতদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধ রয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ৫৬ জন। এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

এদিকে, বিবিসি জানিয়েছে যে সোমবার (৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে চীনের সীমান্তবর্তী কাচিনের লাইজা শহরের কাছে একটি শরণার্থী শিবিরে একটি সামরিক হামলা চালানো হয়। কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মি (কেআইএ) কর্নেল নাও বু বলেছেন, ‘আমরা শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিসহ মোট ২৯ জনের মৃতদেহ পেয়েছি।’ যে শরণার্থী শিবিরে হামলা হয়েছে সেটি কেআইএ সদর দফতর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে।

খবরে বলা হয়েছে, গত কয়েক দশক ধরে কেআইএ এবং মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা গেছে, অন্ধকারে উদ্ধারকারীরা মৃতদেহ উদ্ধার করছেন। পাশে দেখা যাচ্ছে বাঁশ ও অন্যান্য ধ্বংসাবশেষের স্তূপ।

এক্সের (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে জাতীয় ঐক্য সরকারের (এনইউজি) মানবাধিকার মন্ত্রী অং মিও মিন এই হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অন্তত ৫৬ জন আহত হয়েছেন।

কেআইএ কর্নেল নাও বু বলেন, শরণার্থী শিবিরে সশস্ত্র গোষ্ঠী কী ধরনের হামলা চালিয়েছে তার তদন্ত চলছে। তিনি এএফপিকে বলেন, আমরা কোনো বিমানের কথা শুনিনি। সামরিক বাহিনী হামলায় ড্রোন ব্যবহার করেছে কি না তা খতিয়ে দেখছে তারা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে, মিয়ানমারের জান্তা সরকার সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে। এরপর মিয়ানমার সংকটে পড়ে। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নির্বিচারে বিমান হামলা, আর্টিলারি শেলিং এবং অগ্নিসংযোগের অভিযোগ আনা হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।

জান্তার হামলায় মিয়ানমারের ২৯ নিহত

আপডেট সময় : ০২:৪০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে একটি শরণার্থী শিবিরে রাতে হামলা চালিয়ে ২৯ জনকে হত্যা করেছে সেনাবাহিনী। নিহতদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধ রয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ৫৬ জন। এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

এদিকে, বিবিসি জানিয়েছে যে সোমবার (৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে চীনের সীমান্তবর্তী কাচিনের লাইজা শহরের কাছে একটি শরণার্থী শিবিরে একটি সামরিক হামলা চালানো হয়। কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মি (কেআইএ) কর্নেল নাও বু বলেছেন, ‘আমরা শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিসহ মোট ২৯ জনের মৃতদেহ পেয়েছি।’ যে শরণার্থী শিবিরে হামলা হয়েছে সেটি কেআইএ সদর দফতর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে।

খবরে বলা হয়েছে, গত কয়েক দশক ধরে কেআইএ এবং মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা গেছে, অন্ধকারে উদ্ধারকারীরা মৃতদেহ উদ্ধার করছেন। পাশে দেখা যাচ্ছে বাঁশ ও অন্যান্য ধ্বংসাবশেষের স্তূপ।

এক্সের (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে জাতীয় ঐক্য সরকারের (এনইউজি) মানবাধিকার মন্ত্রী অং মিও মিন এই হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অন্তত ৫৬ জন আহত হয়েছেন।

কেআইএ কর্নেল নাও বু বলেন, শরণার্থী শিবিরে সশস্ত্র গোষ্ঠী কী ধরনের হামলা চালিয়েছে তার তদন্ত চলছে। তিনি এএফপিকে বলেন, আমরা কোনো বিমানের কথা শুনিনি। সামরিক বাহিনী হামলায় ড্রোন ব্যবহার করেছে কি না তা খতিয়ে দেখছে তারা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে, মিয়ানমারের জান্তা সরকার সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে। এরপর মিয়ানমার সংকটে পড়ে। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নির্বিচারে বিমান হামলা, আর্টিলারি শেলিং এবং অগ্নিসংযোগের অভিযোগ আনা হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।