ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হরমুজ প্রণালিতে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জব্দকৃত জাহাজ বিক্রি করবে ইরান Logo স্ত্রী গৌরী পাশে থাকলেও সহকারী পূজার ওড়নায় মুখ মুছলেন শাহরুখ খান Logo জ্বরের কারণে প্রতিযোগিতায় নামতে পারলেন না সাইক্লিস্ট সবুর, এক ল্যাপেই হাল ছাড়লেন শাহাদাত Logo এ বছর স্থানীয় নির্বাচনের সম্ভাবনা কম: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী Logo বৃহৎ পরিসরের এআই কম্পিউটিংয়ের জন্য অ্যাটলাস ৯৬০ই সুপারপড উন্মোচন করল হুয়াওয়ে Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানায় অভিযোগ করায় বাদী পক্ষের ওপর ফের হামলা, ভাঙচুর লুটপাট, আহত ৪ Logo মিউজিক্যাল নাইট নিয়ে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ প্রেজেন্টস ‘ম্যাক্স রিপাবলিক’ Logo চেয়ারম্যানের নির্দেশে সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করার অভিযোগ, বাদীই বলছেন ‘চিনি না’ Logo অবাধ নৌচলাচলে হরমুজ প্রণালিতে যৌথভাবে কাজ করবে ভারত-ফ্রান্স Logo বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না: তানজিন তিশা

কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থী বুলিং ও র‌্যাগিংয়ে জড়ালে শাস্তি

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মে ২০২৩ ২৫১ বার পঠিত

নিজস্বক প্রতিনিধি:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‌্যাগিংয়ের সঙ্গে জড়িত কোনো শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে শাস্তি দিতে নীতিমালা জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলায়মান খান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই নীতির নাম হবে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‌্যাগিং প্রতিরোধ-সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৩’। প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিন থেকে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট বুলিং ও র‌্যাগিং প্রতিরোধ কমিটি গঠন করতে হবে। কোনো শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী বা ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে র‌্যাগিং বা বুলিংয়ে জড়িত থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তি হবে। যেখানে প্রযোজ্য, র‌্যাগিংয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‌্যাগিংকে উৎসাহিত করে এমন কোনো কার্যক্রম/সমাবেশ/ইভেন্ট করা যাবে না। যেসব স্থানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‌্যাগিংয়ের ঝুঁকি রয়েছে, সেখানে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারির ব্যবস্থা করবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ (আবাসিক হলসহ) তাদের নিজ নিজ এখতিয়ারে বুলিং এবং র‌্যাগিংয়ের ঘটনাগুলি উচ্চ কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করবে; অন্যথায় নিষ্ক্রিয়তার জন্য দায়ী থাকবে। কর্তৃপক্ষ বুলিং ও র‌্যাগিংয়ের উদাহরণ ও পরিণতি সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট এবং প্রাঙ্গণে পোস্টারের মাধ্যমে প্রচারণা চালাবে।
এ ছাড়া সবাইকে সচেতন করতে শিক্ষাবর্ষের শুরুতে ‘বুলিং ও র‌্যাগিং প্রতিরোধ দিবস’ পালনসহ বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুলিং ও র‌্যাগিংয়ের কুফল সম্পর্কিত সিনেমা, কার্টুন, টিভি সিরিজের প্রদর্শন, অনলাইনে দায়িত্বশীল আচরণের ব্যাপারে অনলাইন বিহেভিয়ার সম্পর্কিত কর্মশালা ইত্যাদিসহ সহপাঠ্যক্রমিক কর্মশালা আয়োজনের নিমিত্ত কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ নীতি কার্যকর হবে। ইতিমধ্যেই এই নীতিমালা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান, সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সব প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থী বুলিং ও র‌্যাগিংয়ে জড়ালে শাস্তি

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মে ২০২৩

নিজস্বক প্রতিনিধি:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‌্যাগিংয়ের সঙ্গে জড়িত কোনো শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে শাস্তি দিতে নীতিমালা জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলায়মান খান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই নীতির নাম হবে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‌্যাগিং প্রতিরোধ-সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৩’। প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিন থেকে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট বুলিং ও র‌্যাগিং প্রতিরোধ কমিটি গঠন করতে হবে। কোনো শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী বা ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে র‌্যাগিং বা বুলিংয়ে জড়িত থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তি হবে। যেখানে প্রযোজ্য, র‌্যাগিংয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‌্যাগিংকে উৎসাহিত করে এমন কোনো কার্যক্রম/সমাবেশ/ইভেন্ট করা যাবে না। যেসব স্থানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‌্যাগিংয়ের ঝুঁকি রয়েছে, সেখানে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারির ব্যবস্থা করবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ (আবাসিক হলসহ) তাদের নিজ নিজ এখতিয়ারে বুলিং এবং র‌্যাগিংয়ের ঘটনাগুলি উচ্চ কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করবে; অন্যথায় নিষ্ক্রিয়তার জন্য দায়ী থাকবে। কর্তৃপক্ষ বুলিং ও র‌্যাগিংয়ের উদাহরণ ও পরিণতি সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট এবং প্রাঙ্গণে পোস্টারের মাধ্যমে প্রচারণা চালাবে।
এ ছাড়া সবাইকে সচেতন করতে শিক্ষাবর্ষের শুরুতে ‘বুলিং ও র‌্যাগিং প্রতিরোধ দিবস’ পালনসহ বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুলিং ও র‌্যাগিংয়ের কুফল সম্পর্কিত সিনেমা, কার্টুন, টিভি সিরিজের প্রদর্শন, অনলাইনে দায়িত্বশীল আচরণের ব্যাপারে অনলাইন বিহেভিয়ার সম্পর্কিত কর্মশালা ইত্যাদিসহ সহপাঠ্যক্রমিক কর্মশালা আয়োজনের নিমিত্ত কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ নীতি কার্যকর হবে। ইতিমধ্যেই এই নীতিমালা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান, সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সব প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে।