ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আইজিপির সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ Logo লেবাননের সাথে যুদ্ধবিরতির কোনো চুক্তি হবেনা : ইসরায়েলি সেনাপ্রধান Logo ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ ও মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা Logo ৬ বিভাগে প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস, পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা Logo ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ‘আসল খরচ’ হতে পারে ৪০–৫০ বিলিয়ন ডলার Logo প্রথম ভোটযুদ্ধেই বাজিমাত করলেন থালাপতি বিজয় Logo ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না বর্তমান সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo নাহিদ ইসলাম দুর্নীতিতে জড়িত না হলেও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ: রাশেদ খাঁন Logo আবারও বেড়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম Logo বৃষ্টির কারণে ভেস্তে গেল বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি

নৌ পথে ও বন্দরে চট্টগ্রামে আসছে প্রায় চার লাখ টন তেল-গ্যাস

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:১৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬ ১৩২ বার পঠিত

একটি এলএনজিবাহী জাহাজ/ফাইল ছবি

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। রবিবার ।। ০৮.০৩.২০২৬ ।।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম বন্দরে পৌছালো পৌনে ৪ লাখ টন তেল-গ্যাস

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে জ্বালানিবাহী জাহাজের বড় চালান। বন্দরে ইতিমধ্যেই আটটি জাহাজ নোঙর করেছে, আর দুইটি জাহাজ পথে রয়েছে, যার সঙ্গে মিলিয়ে মোট তেল-গ্যাসের পরিমাণ পৌনে চার লাখ টনের কাছাকাছি। সোমবার (৯ মার্চ) ওই দুই জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ঝুঁকিতে পড়ার আগে পারস্য উপসাগরের দেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এসব জাহাজ বাংলাদেশের পথে রওনা দেয়। বন্দরে এবং নৌ পথে থাকা জাহাজগুলোর মধ্যে চারটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), দুটি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), এবং বাকি চারটি ডিজেল ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য বহন করছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রণালি ব্যবহার করে ইরাক, ইরান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি পণ্য পরিবহন হয়। যুদ্ধের কারণে ওমান উপসাগরের পথেও সরবরাহ ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে আসা ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামে দুটি এলএনজিবাহী জাহাজ ইতিমধ্যেই বন্দরে নোঙর করেছে, যা নিয়ে ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি রয়েছে। এছাড়া ‘লুসাইল’ ও ‘আল গালায়েল’ নামের দুটি জাহাজ সোমবার এবং বুধবার বন্দরে পৌঁছানোর কথা। সবমিলিয়ে চারটি এলএনজি বহনকারী জাহাজে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি আছে। জাহাজগুলোর স্থানীয় প্রতিনিধি ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম জানান, এই চারটি জাহাজের বন্দরে পৌঁছানো নিশ্চিত। তবে ‘লিব্রেথা’ নামের আরেকটি এলএনজিবাহী জাহাজ এখনো হরমুজ প্রণালির মধ্যেই রয়েছে এবং প্রণালি অতিক্রমের অপেক্ষায় আছে। এলপিজি আমদানি করা হয় মূলত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে। রোববার চট্টগ্রামে পৌঁছাবে ‘সেভান’ নামের একটি জাহাজ, যা ২২ হাজার ১৭২ টন এলপিজি বহন করছে। এর আগে ‘জি ওয়াইএমএম’ জাহাজে ১৯ হাজার ৩১৬ টন এলপিজি এসেছে। এভাবে দুটি জাহাজে মোট এলপিজি রয়েছে ৪১ হাজার ৪৮৮ টন। ডিজেলের মজুত কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে বন্দরের পথে রয়েছে ‘এসপিটি থেমিস’ নামে ৩১ হাজার টনের একটি জাহাজ, যা ১২ মার্চ বন্দরে পৌঁছাবে। মালয়েশিয়া থেকে ‘হুয়া সুন’ নামের একটি জাহাজ ১৪ হাজার টন কনডেনসেট নিয়ে এসেছে। এছাড়া সিঙ্গাপুর থেকে দুইটি জাহাজে ৪০ হাজার টন ফার্নেস তেল এসেছে। এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর গত ৪ মার্চ বন্দরে এলপিজি ও ডিজেল বহনকারী দুটি জাহাজ এসে পৌঁছেছিল। এই জাহাজগুলো যথাক্রমে ‘ওরিয়েন্টাল গ্রিনস্টোন’ ও ‘পল’, যা তেল-গ্যাস খালাস করার পর শুক্রবার বন্দর ত্যাগ করেছে।

ট্যাগস :

নৌ পথে ও বন্দরে চট্টগ্রামে আসছে প্রায় চার লাখ টন তেল-গ্যাস

আপডেট সময় : ০৩:১৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। রবিবার ।। ০৮.০৩.২০২৬ ।।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম বন্দরে পৌছালো পৌনে ৪ লাখ টন তেল-গ্যাস

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে জ্বালানিবাহী জাহাজের বড় চালান। বন্দরে ইতিমধ্যেই আটটি জাহাজ নোঙর করেছে, আর দুইটি জাহাজ পথে রয়েছে, যার সঙ্গে মিলিয়ে মোট তেল-গ্যাসের পরিমাণ পৌনে চার লাখ টনের কাছাকাছি। সোমবার (৯ মার্চ) ওই দুই জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ঝুঁকিতে পড়ার আগে পারস্য উপসাগরের দেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এসব জাহাজ বাংলাদেশের পথে রওনা দেয়। বন্দরে এবং নৌ পথে থাকা জাহাজগুলোর মধ্যে চারটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), দুটি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), এবং বাকি চারটি ডিজেল ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য বহন করছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রণালি ব্যবহার করে ইরাক, ইরান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি পণ্য পরিবহন হয়। যুদ্ধের কারণে ওমান উপসাগরের পথেও সরবরাহ ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে আসা ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামে দুটি এলএনজিবাহী জাহাজ ইতিমধ্যেই বন্দরে নোঙর করেছে, যা নিয়ে ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি রয়েছে। এছাড়া ‘লুসাইল’ ও ‘আল গালায়েল’ নামের দুটি জাহাজ সোমবার এবং বুধবার বন্দরে পৌঁছানোর কথা। সবমিলিয়ে চারটি এলএনজি বহনকারী জাহাজে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি আছে। জাহাজগুলোর স্থানীয় প্রতিনিধি ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম জানান, এই চারটি জাহাজের বন্দরে পৌঁছানো নিশ্চিত। তবে ‘লিব্রেথা’ নামের আরেকটি এলএনজিবাহী জাহাজ এখনো হরমুজ প্রণালির মধ্যেই রয়েছে এবং প্রণালি অতিক্রমের অপেক্ষায় আছে। এলপিজি আমদানি করা হয় মূলত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে। রোববার চট্টগ্রামে পৌঁছাবে ‘সেভান’ নামের একটি জাহাজ, যা ২২ হাজার ১৭২ টন এলপিজি বহন করছে। এর আগে ‘জি ওয়াইএমএম’ জাহাজে ১৯ হাজার ৩১৬ টন এলপিজি এসেছে। এভাবে দুটি জাহাজে মোট এলপিজি রয়েছে ৪১ হাজার ৪৮৮ টন। ডিজেলের মজুত কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে বন্দরের পথে রয়েছে ‘এসপিটি থেমিস’ নামে ৩১ হাজার টনের একটি জাহাজ, যা ১২ মার্চ বন্দরে পৌঁছাবে। মালয়েশিয়া থেকে ‘হুয়া সুন’ নামের একটি জাহাজ ১৪ হাজার টন কনডেনসেট নিয়ে এসেছে। এছাড়া সিঙ্গাপুর থেকে দুইটি জাহাজে ৪০ হাজার টন ফার্নেস তেল এসেছে। এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর গত ৪ মার্চ বন্দরে এলপিজি ও ডিজেল বহনকারী দুটি জাহাজ এসে পৌঁছেছিল। এই জাহাজগুলো যথাক্রমে ‘ওরিয়েন্টাল গ্রিনস্টোন’ ও ‘পল’, যা তেল-গ্যাস খালাস করার পর শুক্রবার বন্দর ত্যাগ করেছে।