ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জাসদ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার ২৭ জনের জামিন নাকচ Logo এসএসসির খাতা মূল্যায়নে ‘দুর্বলতা’, শিক্ষকদের জবাবদিহিতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী Logo বাংলাদেশের বাজারে হাইফিউচার ব্রান্ডের ফ্লেক্সক্লিপ প্রিমিয়াম ক্লিপ ইয়ারবাডস Logo বাঁধ মেরামতের অর্থে ম্যুরাল নির্মাণের অভিযোগ পাউবোর প্রকৌশলী প্রবীরের বিরুদ্ধে Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় পানশালায় বন্দুক হামলা, নিহত ১৭ Logo নতুন বুটে ইনজুরিতে পড়তে পারেন এমবাপ্পে, আগেই সতর্ক করেছিলেন ফিজিও Logo অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে: সাদিয়া আয়মান Logo চাঁদাবাজির ‘ঢালাও’ অভিযোগ করেছে সালমান, মামলা করলে তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ফেসবুক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী মিথ্যাচার চালাচ্ছে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূর সাড়ে-৯ ভরি স্বর্ণ আত্মসাত-২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও এসআই সোহেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রতিবেদনের অভিযোগ

জাবিতে মদ্যপ অবস্থায় আটককৃত বান্ধবীদের ছাড়িয়ে নিলেন অধ্যাপক!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:১৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩ ২৯১ বার পঠিত

জাবি প্রতিনিধি :
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মো. আব্দুল্লাহ হেল কাফির বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় আটক হওয়া তার দুই বান্ধবীকে প্রশাসনের কাছ থেকে নীতি বহির্ভূত উপায়ে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

২২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মদ্যপ অবস্থায় গার্ডদের সাথে দুর্ব্যবহারের সূত্র ধরে অধ্যাপকের ঐ দুই বান্ধবী আটক হন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তার মেয়ের বিয়েতে দাওয়াত খেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে ফিরছিলেন অভিযুক্ত দুই নারী ও তাদের ড্রাইভার। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে গাড়ি আসলে গার্ডরা তাদের পথরোধ করেন।

বেপরোয়া গতিতে গার্ড তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে, যা পরবর্তীতে বাগবিতণ্ডায় রূপ নেয়। বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে গাড়ির ড্রাইবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গার্ডকে আঘাত করে। এমতাবস্থায় মদ্যপ নারীরা গাড়ি থেকে নেমে গার্ডের সাথে উগ্র আচরণ করেন, এতে ঘটনাস্থলে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তারপর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখায় নিয়ে যান।

অধ্যাপকের ঐ দুই বান্ধবীর বিরুদ্ধে নিরাপত্তা শাখায় অবস্থানরত কর্মকর্তাদের সাথেও উশৃঙ্খল আচরণে অভিযোগ উঠেছে। এক পর্যায়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ হেল কাফির বন্ধু বলে পরিচয় দেন। নিরাপত্তা শাখার প্রক্রিয়াকে তোয়াক্কা না করে অভিযুক্তদের ছাড়িয়ে নেন অধ্যাপক কাফি।

এ বিষয়ে শিক্ষক আব্দুল্লাহ হেল কাফী বলেন, আমার বন্ধু মামুনের গেস্টের সাথে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ঝামেলার কথা শুনতে পেয়ে বিষয়টি সমাধান করতে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। পরে নিরাপত্তা শাখা থেকে বিষয়টির সমাধান করেছি।
নিরাপত্তা কর্মকর্তা রাসেল মিয়া স্বাধীন গণমাধ্যমকে বলেন, গাড়িতে অবস্থানরত অভিযুক্ত দুই নারী মদ্যপ অবস্থায় ছিলো। তারা গাড়ি থেকে নেমে আমাদের দায়িত্বরত গার্ডদের সাথে আক্রমণাত্মক আচরণ করেন। একজনকে মেরে আহতও করা হয়। পরে তাদেরকে নিরাপত্তা শাখায় নিয়ে আসা হলে এক শিক্ষক কোনোরূপ আলোচনা ছাড়াই তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, এই ঘটনা শুনেছি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের মধ্যস্থতায় বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মূলত বন্ধের দিনগুলোতে ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের অধিক হারে প্রবেশের ফলেই নানা ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। সামনের দিনগুলোতে বহিরাগত নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর অবস্থান নিতে হবে।

জাবিতে মদ্যপ অবস্থায় আটককৃত বান্ধবীদের ছাড়িয়ে নিলেন অধ্যাপক!

আপডেট সময় : ০৭:১৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩

জাবি প্রতিনিধি :
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মো. আব্দুল্লাহ হেল কাফির বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় আটক হওয়া তার দুই বান্ধবীকে প্রশাসনের কাছ থেকে নীতি বহির্ভূত উপায়ে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

২২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মদ্যপ অবস্থায় গার্ডদের সাথে দুর্ব্যবহারের সূত্র ধরে অধ্যাপকের ঐ দুই বান্ধবী আটক হন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তার মেয়ের বিয়েতে দাওয়াত খেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে ফিরছিলেন অভিযুক্ত দুই নারী ও তাদের ড্রাইভার। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে গাড়ি আসলে গার্ডরা তাদের পথরোধ করেন।

বেপরোয়া গতিতে গার্ড তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে, যা পরবর্তীতে বাগবিতণ্ডায় রূপ নেয়। বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে গাড়ির ড্রাইবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গার্ডকে আঘাত করে। এমতাবস্থায় মদ্যপ নারীরা গাড়ি থেকে নেমে গার্ডের সাথে উগ্র আচরণ করেন, এতে ঘটনাস্থলে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তারপর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখায় নিয়ে যান।

অধ্যাপকের ঐ দুই বান্ধবীর বিরুদ্ধে নিরাপত্তা শাখায় অবস্থানরত কর্মকর্তাদের সাথেও উশৃঙ্খল আচরণে অভিযোগ উঠেছে। এক পর্যায়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ হেল কাফির বন্ধু বলে পরিচয় দেন। নিরাপত্তা শাখার প্রক্রিয়াকে তোয়াক্কা না করে অভিযুক্তদের ছাড়িয়ে নেন অধ্যাপক কাফি।

এ বিষয়ে শিক্ষক আব্দুল্লাহ হেল কাফী বলেন, আমার বন্ধু মামুনের গেস্টের সাথে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ঝামেলার কথা শুনতে পেয়ে বিষয়টি সমাধান করতে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। পরে নিরাপত্তা শাখা থেকে বিষয়টির সমাধান করেছি।
নিরাপত্তা কর্মকর্তা রাসেল মিয়া স্বাধীন গণমাধ্যমকে বলেন, গাড়িতে অবস্থানরত অভিযুক্ত দুই নারী মদ্যপ অবস্থায় ছিলো। তারা গাড়ি থেকে নেমে আমাদের দায়িত্বরত গার্ডদের সাথে আক্রমণাত্মক আচরণ করেন। একজনকে মেরে আহতও করা হয়। পরে তাদেরকে নিরাপত্তা শাখায় নিয়ে আসা হলে এক শিক্ষক কোনোরূপ আলোচনা ছাড়াই তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, এই ঘটনা শুনেছি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের মধ্যস্থতায় বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মূলত বন্ধের দিনগুলোতে ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের অধিক হারে প্রবেশের ফলেই নানা ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। সামনের দিনগুলোতে বহিরাগত নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর অবস্থান নিতে হবে।