সিটি কর্পোরেশনের সিল ছাড়া মাংস বিক্রি করলে ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক
- আপডেট সময় : ০৪:০৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ২১ বার পঠিত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাংস বিক্রি নিশ্চিত করতে নতুন করে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তিনি বলেছেন, নির্ধারিত দোকানে বিক্রি করা মাংস সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের পরীক্ষিত হওয়ার প্রমাণ হিসেবে নির্দিষ্ট সিল থাকতে হবে। এই সিল দেখেই ক্রেতারা মাংসের স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে কি না, তা বুঝতে পারবেন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর হাজারীবাগে একটি আধুনিক পশু জবাইখানার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, বিক্রির আগে মাংসের স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য পরীক্ষিত মাংসে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত সিল থাকবে। কোনো দোকানে সিলবিহীন মাংস বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেলে সেই মাংস জব্দ করা হবে। একই সঙ্গে অননুমোদিতভাবে জবাই করা পশুর মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িত দোকানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, অনুমোদিত জবাইখানার বাইরে বাজার বা অন্য কোনো স্থানে পশু জবাই করার সুযোগ থাকবে না। কেউ নিয়ম অমান্য করে অননুমোদিত জায়গায় পশু জবাই করলে তাকে জরিমানা করা হবে। আর অবৈধভাবে জবাই করা পশুর মাংস কোনো দোকানে বিক্রি হতে দেখা গেলে প্রয়োজনে ওই দোকান বন্ধ করে দেওয়া হবে।
মো. আবদুস সালামের ভাষ্য, বাইরে থেকে মাংস এনে বিক্রি করা হলে পশুটির স্বাস্থ্যগত অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। পশুটি সুস্থ ছিল কি না, কোনো রোগে আক্রান্ত ছিল কি না কিংবা নির্ধারিত নিয়ম মেনে জবাই করা হয়েছে কি না—এসব বিষয় যাচাইয়ের সুযোগ থাকে না। এমনকি গরুর মাংসের নামে অন্য পশুর মাংস বিক্রি হচ্ছে কি না, সেটিও নির্ধারিত ব্যবস্থার বাইরে থাকলে নিশ্চিত করা কঠিন।
এসব অনিয়ম ঠেকাতে অনুমোদিত জবাইখানায় পশু জবাইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডিএসসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, এতে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা থেকে শুরু করে জবাই প্রক্রিয়া পর্যন্ত বিষয়গুলো তদারকির আওতায় আনা সম্ভব হবে।
জবাইখানায় দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশনাও দেন তিনি। তার মতে, পশু জবাইয়ের পুরো প্রক্রিয়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকতে হবে। দায়িত্ব পালনে কেউ অনুপস্থিত থাকলে তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
























