ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আইজিপির সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ Logo লেবাননের সাথে যুদ্ধবিরতির কোনো চুক্তি হবেনা : ইসরায়েলি সেনাপ্রধান Logo ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ ও মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা Logo ৬ বিভাগে প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস, পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা Logo ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ‘আসল খরচ’ হতে পারে ৪০–৫০ বিলিয়ন ডলার Logo প্রথম ভোটযুদ্ধেই বাজিমাত করলেন থালাপতি বিজয় Logo ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না বর্তমান সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo নাহিদ ইসলাম দুর্নীতিতে জড়িত না হলেও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ: রাশেদ খাঁন Logo আবারও বেড়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম Logo বৃষ্টির কারণে ভেস্তে গেল বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি

ঈদের বাজারে প্রাণফুলেছে বেইলি রোড

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ১৪৭ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। শনিবার ।। ০৭.০৩.২০২৬ ।।

ঈদুল ফিতরের আগে বেইলি রোডে জমজমাট কেনাকাটা

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর বেইলি রোডে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। নান্দনিক ও বৈচিত্র্যময় পোশাকে সাজানো ফ্যাশন হাউজ এবং পোশাকের দোকানগুলো সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মুখর হয়ে উঠেছে। বেইলি রোডের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দোকানে ঈদ উপলক্ষে নতুন কালেকশন এসেছে। সিরাজ ক্যাপিটাল মার্কেট, আর্টিসান, ইয়েলো, ইনফিনিটি এবং টাঙ্গাইল তাঁত ঘরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে নারী, পুরুষ ও শিশুদের জন্য পোশাকের বিস্তৃত আয়োজন দেখা যাচ্ছে। দোকানগুলোতে শাড়ি, পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস, কুর্তা, ফতুয়া এবং শিশুদের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—সব বয়সী মানুষের জন্য বিকল্প রয়েছে। সিরাজ ক্যাপিটাল মার্কেটের ‘ঢাকা-শু’তে দেশি ও বিদেশি জুতার কलेकশন উপলব্ধ। দেশি জুতার দাম শুরু ৭০০ থেকে ৪ হাজার টাকা, ভারতীয় জুতা ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা এবং চাইনিজ জুতা ১,৫০০ থেকে ৩,৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। বেইলি রোডের ‘জেমস গ্যালারি’ ও ‘অনিকা কালেকশন’-এ বাংলাদেশি, ভারতীয় ও পাকিস্তানি থ্রি-পিসের ব্যাপক চাহিদা দেখা গেছে। থ্রি-পিসের দাম ১,২০০ থেকে ৬,০০০ টাকা পর্যন্ত। টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরের শাড়ির দাম ৯০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত। শোরুম কর্মীরা জানান, ১০ রমজানের পর ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। বিকেলের দিকে ইফতারের আগে এবং সন্ধ্যার পর বিক্রির চাপ সর্বাধিক থাকে। হিরক, টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরের বিক্রয়কর্মী, বলেন, “আমাদের শাড়ি ঐতিহ্যবাহী। ক্রেতাদের একটি অংশ নিয়মিত আমাদের কাছে আসে।” অনিকা কালেকশনের বিক্রয়কর্মী জানান, সব বয়সের জন্য থ্রি-পিস রয়েছে, তবে পাকিস্তানি থ্রি-পিসের চাহিদা বেশি  ক্রেতারা বলছেন, পোশাকের মান ও ডিজাইন ভালো হলেও দাম কিছুটা বেশি। মালিবাগের তৌহিদুর রহমান বলেন, “খিলগাঁও এবং বেইলি রোডে সাধারণত শপিং হয়। এবার বেইলি রোডে এসেছি। এখানে বাজেটের মধ্যে শপিং কিছুটা কঠিন, তবে শাড়ি মোটামুটি মধ্য বাজেটের মধ্যে পাওয়া যায়।”

ট্যাগস :

ঈদের বাজারে প্রাণফুলেছে বেইলি রোড

আপডেট সময় : ০৪:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। শনিবার ।। ০৭.০৩.২০২৬ ।।

ঈদুল ফিতরের আগে বেইলি রোডে জমজমাট কেনাকাটা

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর বেইলি রোডে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। নান্দনিক ও বৈচিত্র্যময় পোশাকে সাজানো ফ্যাশন হাউজ এবং পোশাকের দোকানগুলো সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মুখর হয়ে উঠেছে। বেইলি রোডের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দোকানে ঈদ উপলক্ষে নতুন কালেকশন এসেছে। সিরাজ ক্যাপিটাল মার্কেট, আর্টিসান, ইয়েলো, ইনফিনিটি এবং টাঙ্গাইল তাঁত ঘরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে নারী, পুরুষ ও শিশুদের জন্য পোশাকের বিস্তৃত আয়োজন দেখা যাচ্ছে। দোকানগুলোতে শাড়ি, পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস, কুর্তা, ফতুয়া এবং শিশুদের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—সব বয়সী মানুষের জন্য বিকল্প রয়েছে। সিরাজ ক্যাপিটাল মার্কেটের ‘ঢাকা-শু’তে দেশি ও বিদেশি জুতার কलेकশন উপলব্ধ। দেশি জুতার দাম শুরু ৭০০ থেকে ৪ হাজার টাকা, ভারতীয় জুতা ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা এবং চাইনিজ জুতা ১,৫০০ থেকে ৩,৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। বেইলি রোডের ‘জেমস গ্যালারি’ ও ‘অনিকা কালেকশন’-এ বাংলাদেশি, ভারতীয় ও পাকিস্তানি থ্রি-পিসের ব্যাপক চাহিদা দেখা গেছে। থ্রি-পিসের দাম ১,২০০ থেকে ৬,০০০ টাকা পর্যন্ত। টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরের শাড়ির দাম ৯০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত। শোরুম কর্মীরা জানান, ১০ রমজানের পর ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। বিকেলের দিকে ইফতারের আগে এবং সন্ধ্যার পর বিক্রির চাপ সর্বাধিক থাকে। হিরক, টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরের বিক্রয়কর্মী, বলেন, “আমাদের শাড়ি ঐতিহ্যবাহী। ক্রেতাদের একটি অংশ নিয়মিত আমাদের কাছে আসে।” অনিকা কালেকশনের বিক্রয়কর্মী জানান, সব বয়সের জন্য থ্রি-পিস রয়েছে, তবে পাকিস্তানি থ্রি-পিসের চাহিদা বেশি  ক্রেতারা বলছেন, পোশাকের মান ও ডিজাইন ভালো হলেও দাম কিছুটা বেশি। মালিবাগের তৌহিদুর রহমান বলেন, “খিলগাঁও এবং বেইলি রোডে সাধারণত শপিং হয়। এবার বেইলি রোডে এসেছি। এখানে বাজেটের মধ্যে শপিং কিছুটা কঠিন, তবে শাড়ি মোটামুটি মধ্য বাজেটের মধ্যে পাওয়া যায়।”