ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জাসদ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার ২৭ জনের জামিন নাকচ Logo এসএসসির খাতা মূল্যায়নে ‘দুর্বলতা’, শিক্ষকদের জবাবদিহিতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী Logo বাংলাদেশের বাজারে হাইফিউচার ব্রান্ডের ফ্লেক্সক্লিপ প্রিমিয়াম ক্লিপ ইয়ারবাডস Logo বাঁধ মেরামতের অর্থে ম্যুরাল নির্মাণের অভিযোগ পাউবোর প্রকৌশলী প্রবীরের বিরুদ্ধে Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় পানশালায় বন্দুক হামলা, নিহত ১৭ Logo নতুন বুটে ইনজুরিতে পড়তে পারেন এমবাপ্পে, আগেই সতর্ক করেছিলেন ফিজিও Logo অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে: সাদিয়া আয়মান Logo চাঁদাবাজির ‘ঢালাও’ অভিযোগ করেছে সালমান, মামলা করলে তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ফেসবুক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী মিথ্যাচার চালাচ্ছে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূর সাড়ে-৯ ভরি স্বর্ণ আত্মসাত-২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও এসআই সোহেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রতিবেদনের অভিযোগ

লোক প্রশাসন বিভাগের পুনর্মিলনীতে মতোয়ারা ইবি ক্যাম্পাস

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৩০১ বার পঠিত

সাকিব আসলাম, ইবি প্রতিনিধি :

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লোক প্রশাসন বিভাগের মোট ৩৩ টি ব্যাচের সমন্বয় প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকাল ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মোশাররফ ভবন থেকে একটি আনন্দ র‌্যালি বের হয়। এতে লোক প্রশাসন বিভাগের ১৯৯০-৯১ থেকে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। লোক প্রশাসন বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে আনন্দ র‌্যালি, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে উদযাপন করা হয় এ মিলন মেলা।

এছাড়াও বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শুরু হয় বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য ১ মিনিট নিরবতা পালন, সম্মিলিত সুরে জাতীয় সংগীত, অতিথিদের সম্মাননা প্রদান এবং বিভাগীয় ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীর মাধ্যমে।
লোক বিভাগের শিক্ষার্থী শাম্মি আক্তার অন্তরা এবং আশেক এ খোদা আশিকের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: মাহবুবুর রহমান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক নাসিম বানু, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূইয়া, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো: লুৎফর রহমান।

লোক প্রশাসন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো: ফকরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা উদযাপন করতে পেরে আনন্দিত। এটিই পারস্পরিক ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক বৃদ্ধির অন্যতম লক্ষ্য। সামনে যাদেরকে দেখতেছি তারা একেকটা সফল ব্যক্তি। নবীন বা অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা সফল হওয়ার একটা বার্তা পেয়ে অনুপ্রাণিত হতে পারে।

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নাসিম বানু বলেন, প্রতিটা অনুষ্ঠানে একটা লক্ষ্য থাকে। কেন এমন আয়োজন করা হয়। উদ্দেশ্যের মধ্যে জ্ঞান বিতরণ করা, অন্যের সফলতা অনুভব করা এবং নেটওয়ার্কিং তৈরি করে সেবা প্রদান করাই অন্যতম। আমার আর আপনাদের ভাবনার দূরত্ব কতটুকু সেটা শেয়ার করব। অনেকে সাজসজ্জাগুলো বিয়ের অনুষ্ঠনের সাথে তুলনা করছে কিন্তু এই সেলিব্রেশনের রং, রূপ ও গন্ধ কোনো অনুষ্ঠানের সাথে তুলনা করা যাবে না। একজন পরিপক্ব মানুষের কোনো সীমাবদ্ধতা থাকে না। সবার সাথে সহজে খাপ খাইতে পারে তারাই যাদের ইগো, উদ্ধত আচরণ, প্রতিহিংসা থেকে দূরে থাকতে পারি।

এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, গতকাল ঢাকা থেকে এসে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে দেখলাম মনে হচ্ছে বর্ণিল সাজে সজ্জিত বিয়ের অনুষ্ঠান। উৎসব আসে তখনই যখন মনের ভিতর উৎফুল্লতা কাজ করে। এই যে এত পুরাতন ডিপার্টমেন্ট প্রায় ৩৩ বছর কেটে গেলো কেউ কথা রাখেনি? আজ উপহার দিয়ে পূর্ণতা পেয়ে প্রশাসন ও বিভাগ আনন্দিত। আমাদের দিকনির্দেশনা থাকবে প্রতিটা বিভাগ এরকম এলামনাই এসোসিয়েশন গঠন করা হোক। অক্সফোর্ড বা হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় যাই বলি না কেন এগুলোর মূল চালিকা শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখে এলামনাই। আমাদের চিন্তাশক্তি কিংবা আর্থিক চালিকাশক্তিতে ঘাটতি থাকতে পারে সেটার পরিপূর্ণতা এনে দিতে পারে শক্তিশালী এলামনাই।

লোক প্রশাসন বিভাগের পুনর্মিলনীতে মতোয়ারা ইবি ক্যাম্পাস

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সাকিব আসলাম, ইবি প্রতিনিধি :

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লোক প্রশাসন বিভাগের মোট ৩৩ টি ব্যাচের সমন্বয় প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকাল ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মোশাররফ ভবন থেকে একটি আনন্দ র‌্যালি বের হয়। এতে লোক প্রশাসন বিভাগের ১৯৯০-৯১ থেকে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। লোক প্রশাসন বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে আনন্দ র‌্যালি, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে উদযাপন করা হয় এ মিলন মেলা।

এছাড়াও বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শুরু হয় বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য ১ মিনিট নিরবতা পালন, সম্মিলিত সুরে জাতীয় সংগীত, অতিথিদের সম্মাননা প্রদান এবং বিভাগীয় ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীর মাধ্যমে।
লোক বিভাগের শিক্ষার্থী শাম্মি আক্তার অন্তরা এবং আশেক এ খোদা আশিকের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: মাহবুবুর রহমান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক নাসিম বানু, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূইয়া, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো: লুৎফর রহমান।

লোক প্রশাসন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো: ফকরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা উদযাপন করতে পেরে আনন্দিত। এটিই পারস্পরিক ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক বৃদ্ধির অন্যতম লক্ষ্য। সামনে যাদেরকে দেখতেছি তারা একেকটা সফল ব্যক্তি। নবীন বা অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা সফল হওয়ার একটা বার্তা পেয়ে অনুপ্রাণিত হতে পারে।

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নাসিম বানু বলেন, প্রতিটা অনুষ্ঠানে একটা লক্ষ্য থাকে। কেন এমন আয়োজন করা হয়। উদ্দেশ্যের মধ্যে জ্ঞান বিতরণ করা, অন্যের সফলতা অনুভব করা এবং নেটওয়ার্কিং তৈরি করে সেবা প্রদান করাই অন্যতম। আমার আর আপনাদের ভাবনার দূরত্ব কতটুকু সেটা শেয়ার করব। অনেকে সাজসজ্জাগুলো বিয়ের অনুষ্ঠনের সাথে তুলনা করছে কিন্তু এই সেলিব্রেশনের রং, রূপ ও গন্ধ কোনো অনুষ্ঠানের সাথে তুলনা করা যাবে না। একজন পরিপক্ব মানুষের কোনো সীমাবদ্ধতা থাকে না। সবার সাথে সহজে খাপ খাইতে পারে তারাই যাদের ইগো, উদ্ধত আচরণ, প্রতিহিংসা থেকে দূরে থাকতে পারি।

এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, গতকাল ঢাকা থেকে এসে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে দেখলাম মনে হচ্ছে বর্ণিল সাজে সজ্জিত বিয়ের অনুষ্ঠান। উৎসব আসে তখনই যখন মনের ভিতর উৎফুল্লতা কাজ করে। এই যে এত পুরাতন ডিপার্টমেন্ট প্রায় ৩৩ বছর কেটে গেলো কেউ কথা রাখেনি? আজ উপহার দিয়ে পূর্ণতা পেয়ে প্রশাসন ও বিভাগ আনন্দিত। আমাদের দিকনির্দেশনা থাকবে প্রতিটা বিভাগ এরকম এলামনাই এসোসিয়েশন গঠন করা হোক। অক্সফোর্ড বা হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় যাই বলি না কেন এগুলোর মূল চালিকা শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখে এলামনাই। আমাদের চিন্তাশক্তি কিংবা আর্থিক চালিকাশক্তিতে ঘাটতি থাকতে পারে সেটার পরিপূর্ণতা এনে দিতে পারে শক্তিশালী এলামনাই।