ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ, বিশ্বকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ বার্তা Logo ডিজিটাল ব্যাংক চালুর সম্মতি পেল বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান Logo বেহেশতের টিকিট বিক্রিকারীরা আবার ফ্যাসিস্টদের সাথে হাত মিলিয়েছে Logo ​কুমিল্লায় ব্র্যাকের কর্মশালা অনুষ্ঠিত-প্রবাসে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’ জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা। Logo ভ্যান ছিনতাই করতে চালককে হত্যা, মরদেহে ইট বেঁধে ফেলা হয় নদীতে Logo কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল ব্র্যাকের নারী কর্মীর Logo ৫০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ১৩০ রোগী, মেঝে-বারান্দায় চিকিৎসা Logo নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন Flagship: helio110 Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই ১০ ঘর, নিঃস্ব ১৪ পরিবার Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার

৫২তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ভেনিসে ভৈরব পরিষদের আলোচনা সভা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:৩১:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩ ২৫৯ বার পঠিত

সোহানুর রহমান উজ্জ্বল, ইতালি প্রতিনিধি:
৫২তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ইতালির ভেনিসে আলোচনা সভার আয়োজন করেছেন ভৈরব পরিষদ। ভৈরব পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি সেলিম জাভেদ এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক সেলিম হোসাইন পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, ভৈরব পরিষদের ভেনিসের আজীবন উপদেষ্টা কাজী আব্দুল মান্নান, প্রধান উপদেষ্টা হাজী আবুল কাশেম, ১ নং উপদেষ্টা মন্ডলী সদস্য জনাব ওমর আলী মিয়া, সম্মিলিত নাগরিক কমিটির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার, কার্যনির্বাহী সদস্য ও রতন মিয়া, ভেনিস বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল্লাহ সোহেল,বাংলা টিভি ভেনিস প্রতিনিধি সোহানুর রহমান উজ্জ্বল, আর টিভি ইতালি প্রতিনিধি আসলামুজ্জামান,বাহার ঢালীসহ আরো অনেকে।

আলোচনা সভায় বাংলাদেশের ইতিহাস নিয়ে ভৈরব পরিষদের সাবেক সভাপতি বর্তমান কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য কাজী রুনাক তার মূল বক্তব্যে বলেন, শুরুতেই ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চ বাংলার মানুষের জন্য যে ভাষণ দিয়েছিলেন তার দুইটি লাইন বলবো-এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। সেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে নিজের মধ্যে গেঁথে নিয়ে আজকে আমি বিজয় দিবসের বক্তব্য শুরু করলাম। এবং আমার বিজয় দিবসের বক্তব্যতে যদি কোন ধরনের ভুল-ভ্রান্তি থাকে তাহলে অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে আমাদের বাংলাদেশে পাক হানাদার বাহানিরা বর্বর নির্যাতন চালিয়েছিল। কিন্তু পাক হায়েনাদের সাথে আমাদের বাংলাদেশের যে সকল মানুষেরা যুদ্ধ করেছিল। যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছিল, তাদের কথা কখনোই ভুলে যাবার মত নয়। যদি আমরা প্রকৃত বাঙালি হয়ে থাকি। তাহলে অবশ্যই দেশের জন্য শহীদ হওয়া মানুষ গুলো সারা জীবন আমাদের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবে।

আমার এখনো মনে পড়ে বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ। যেদিন তিনি রেসকোর্স ময়দানে মুক্তির সংগ্রামের স্লোগান দিয়েছিলেন। সেই সময় অপ্রতিরোধ্য বাঙালিরা আর বসে থাকেনি। বরং বাঙ্গালীদের কাছে যতটুকু সম্বল ছিল। তাই নিয়ে কাঁধে কাঁধে রেখে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাক হানাদারদের হাত থেকে এ দেশকে মুক্ত করার জন্য। আর তাদের এই অবদান আমরা কখনোই ভুলে যেতে পারবো না।

তবে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত। যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, যারা দেশের জন্য নির্যাতিত হয়েছেন। তাদের অবদান তরুন প্রজন্মের কাছে জানিয়ে দেওয়া আমাদের একান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত। যেন তরুন প্রজন্ম এটা জানতে পারে যে। আজকে তারা যে দেশে বসবাস করছে। সেই দেশকে স্বাধীন করার জন্য কতটা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। কত রক্ত দিতে হয়েছে, কত তাজা প্রাণ ঝরে গেছে।

আর আমরা যদি তরুণ প্রজন্মের কাছে এইসব ভাষা ও দেশের জন্য শহীদ হওয়া মানুষদের অবদান গুলো তুলে ধরি। তাহলে ভবিষ্যৎ সময়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও দেশের প্রতি ভালোবাসা জন্ম নিবে। দেশের মাটির প্রতি টান থাকবে। তাহলেই আমরা আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পারবো। এবং আমরা যেন আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পারি। সেই লক্ষ্যে সবাইকে কাজ করে যেতে হবে।

৫২তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ভেনিসে ভৈরব পরিষদের আলোচনা সভা

আপডেট সময় : ০৯:৩১:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩

সোহানুর রহমান উজ্জ্বল, ইতালি প্রতিনিধি:
৫২তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ইতালির ভেনিসে আলোচনা সভার আয়োজন করেছেন ভৈরব পরিষদ। ভৈরব পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি সেলিম জাভেদ এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক সেলিম হোসাইন পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, ভৈরব পরিষদের ভেনিসের আজীবন উপদেষ্টা কাজী আব্দুল মান্নান, প্রধান উপদেষ্টা হাজী আবুল কাশেম, ১ নং উপদেষ্টা মন্ডলী সদস্য জনাব ওমর আলী মিয়া, সম্মিলিত নাগরিক কমিটির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার, কার্যনির্বাহী সদস্য ও রতন মিয়া, ভেনিস বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল্লাহ সোহেল,বাংলা টিভি ভেনিস প্রতিনিধি সোহানুর রহমান উজ্জ্বল, আর টিভি ইতালি প্রতিনিধি আসলামুজ্জামান,বাহার ঢালীসহ আরো অনেকে।

আলোচনা সভায় বাংলাদেশের ইতিহাস নিয়ে ভৈরব পরিষদের সাবেক সভাপতি বর্তমান কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য কাজী রুনাক তার মূল বক্তব্যে বলেন, শুরুতেই ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চ বাংলার মানুষের জন্য যে ভাষণ দিয়েছিলেন তার দুইটি লাইন বলবো-এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। সেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে নিজের মধ্যে গেঁথে নিয়ে আজকে আমি বিজয় দিবসের বক্তব্য শুরু করলাম। এবং আমার বিজয় দিবসের বক্তব্যতে যদি কোন ধরনের ভুল-ভ্রান্তি থাকে তাহলে অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে আমাদের বাংলাদেশে পাক হানাদার বাহানিরা বর্বর নির্যাতন চালিয়েছিল। কিন্তু পাক হায়েনাদের সাথে আমাদের বাংলাদেশের যে সকল মানুষেরা যুদ্ধ করেছিল। যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছিল, তাদের কথা কখনোই ভুলে যাবার মত নয়। যদি আমরা প্রকৃত বাঙালি হয়ে থাকি। তাহলে অবশ্যই দেশের জন্য শহীদ হওয়া মানুষ গুলো সারা জীবন আমাদের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবে।

আমার এখনো মনে পড়ে বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ। যেদিন তিনি রেসকোর্স ময়দানে মুক্তির সংগ্রামের স্লোগান দিয়েছিলেন। সেই সময় অপ্রতিরোধ্য বাঙালিরা আর বসে থাকেনি। বরং বাঙ্গালীদের কাছে যতটুকু সম্বল ছিল। তাই নিয়ে কাঁধে কাঁধে রেখে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাক হানাদারদের হাত থেকে এ দেশকে মুক্ত করার জন্য। আর তাদের এই অবদান আমরা কখনোই ভুলে যেতে পারবো না।

তবে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত। যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, যারা দেশের জন্য নির্যাতিত হয়েছেন। তাদের অবদান তরুন প্রজন্মের কাছে জানিয়ে দেওয়া আমাদের একান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত। যেন তরুন প্রজন্ম এটা জানতে পারে যে। আজকে তারা যে দেশে বসবাস করছে। সেই দেশকে স্বাধীন করার জন্য কতটা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। কত রক্ত দিতে হয়েছে, কত তাজা প্রাণ ঝরে গেছে।

আর আমরা যদি তরুণ প্রজন্মের কাছে এইসব ভাষা ও দেশের জন্য শহীদ হওয়া মানুষদের অবদান গুলো তুলে ধরি। তাহলে ভবিষ্যৎ সময়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও দেশের প্রতি ভালোবাসা জন্ম নিবে। দেশের মাটির প্রতি টান থাকবে। তাহলেই আমরা আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পারবো। এবং আমরা যেন আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পারি। সেই লক্ষ্যে সবাইকে কাজ করে যেতে হবে।