ঢাকা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হরমুজ প্রণালিতে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জব্দকৃত জাহাজ বিক্রি করবে ইরান Logo স্ত্রী গৌরী পাশে থাকলেও সহকারী পূজার ওড়নায় মুখ মুছলেন শাহরুখ খান Logo জ্বরের কারণে প্রতিযোগিতায় নামতে পারলেন না সাইক্লিস্ট সবুর, এক ল্যাপেই হাল ছাড়লেন শাহাদাত Logo এ বছর স্থানীয় নির্বাচনের সম্ভাবনা কম: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী Logo বৃহৎ পরিসরের এআই কম্পিউটিংয়ের জন্য অ্যাটলাস ৯৬০ই সুপারপড উন্মোচন করল হুয়াওয়ে Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানায় অভিযোগ করায় বাদী পক্ষের ওপর ফের হামলা, ভাঙচুর লুটপাট, আহত ৪ Logo মিউজিক্যাল নাইট নিয়ে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ প্রেজেন্টস ‘ম্যাক্স রিপাবলিক’ Logo চেয়ারম্যানের নির্দেশে সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করার অভিযোগ, বাদীই বলছেন ‘চিনি না’ Logo অবাধ নৌচলাচলে হরমুজ প্রণালিতে যৌথভাবে কাজ করবে ভারত-ফ্রান্স Logo বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না: তানজিন তিশা

২০৪১ সালের মধ্যে রপ্তানি আয়ে ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা:বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩ ৪৭৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে চায় বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার দেশের রপ্তানি খাতে বৈচিত্র্য আনতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে তা বাস্তবায়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

বুধবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলএফএমইএবি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

টিপু মুনশি বলেন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে প্রভাবিত করার অন্যতম হাতিয়ার। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশ এশিয়ার অন্যতম রপ্তানিমুখী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। রপ্তানিমুখী প্রবৃদ্ধি সুসংহতকরণ এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণের লক্ষ্যে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিদেশী ক্রেতা-ব্র্যান্ড এবং বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে উদ্ভাবনী নীতি প্রণয়ন এবং ব্যবসা-বান্ধব নীতি সহায়তা প্রদান করছে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি আয়কারী চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ২০৪১ সালের মধ্যে ৩০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি আয়কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। বিশ্ববাজারে চামড়াজাত পণ্য সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ দ্রুত একটি নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। বিশ্ব বাজারে প্রবেশ করতে। আমাদের পণ্যের গুণমান অনেক উন্নত হয়েছে, আন্তর্জাতিক মানের সাথে তাল মিলিয়ে। আন্তর্জাতিক বাজারে এসব পণ্য উপস্থাপন করতে ব্র্যান্ডিংয়ের বিকল্প নেই। ব্লিস-২০২৩ এই লক্ষ্য অর্জনে অসামান্য অবদান রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের মোট রপ্তানির ৮৩ শতাংশই তৈরি পোশাক খাতের দখলে। কিন্তু রাতারাতি এ খাত আসেনি। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এটি অনেক সম্ভাবনাময় একটি সেক্টর। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চামড়া খাতসহ সব রপ্তানি শিল্পের জন্য অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কাজ করছে।

২০৪১ সালের মধ্যে রপ্তানি আয়ে ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা:বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে চায় বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার দেশের রপ্তানি খাতে বৈচিত্র্য আনতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে তা বাস্তবায়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

বুধবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলএফএমইএবি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

টিপু মুনশি বলেন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে প্রভাবিত করার অন্যতম হাতিয়ার। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশ এশিয়ার অন্যতম রপ্তানিমুখী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। রপ্তানিমুখী প্রবৃদ্ধি সুসংহতকরণ এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণের লক্ষ্যে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিদেশী ক্রেতা-ব্র্যান্ড এবং বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে উদ্ভাবনী নীতি প্রণয়ন এবং ব্যবসা-বান্ধব নীতি সহায়তা প্রদান করছে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি আয়কারী চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ২০৪১ সালের মধ্যে ৩০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি আয়কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। বিশ্ববাজারে চামড়াজাত পণ্য সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ দ্রুত একটি নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। বিশ্ব বাজারে প্রবেশ করতে। আমাদের পণ্যের গুণমান অনেক উন্নত হয়েছে, আন্তর্জাতিক মানের সাথে তাল মিলিয়ে। আন্তর্জাতিক বাজারে এসব পণ্য উপস্থাপন করতে ব্র্যান্ডিংয়ের বিকল্প নেই। ব্লিস-২০২৩ এই লক্ষ্য অর্জনে অসামান্য অবদান রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের মোট রপ্তানির ৮৩ শতাংশই তৈরি পোশাক খাতের দখলে। কিন্তু রাতারাতি এ খাত আসেনি। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এটি অনেক সম্ভাবনাময় একটি সেক্টর। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চামড়া খাতসহ সব রপ্তানি শিল্পের জন্য অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কাজ করছে।