ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১৮ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থী, বোর্ডভিত্তিক সংখ্যা কত Logo দেশের বর্তমান গ্যাস মজুত দিয়ে আগামী ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভবঃ জ্বালানিমন্ত্রী Logo কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে আবারও ভেসে এলো মৃত ইরাবতী ডলফিন Logo কুমিল্লা চান্দিনায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুঁটিতে ধাক্কা, পথচারী নিহত Logo বসত বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হলো ১২শত লিটার পেট্রোল, গ্রেপ্তার-৩ Logo বরিশালে রডের বদলে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ব্রিজের ঢালাই নিয়ে তোলপাড় Logo রাজাপুরের বড়ইয়া ইউনিয়নের চল্লিশ কাহনিয়া উত্তমপুর দাখিল মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠিত Logo বনানীর একটি বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট Logo গাজীপুরে তরুণদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান Logo ক্যাম্পাস নিরাপত্তা জোরদারে গাকৃবিতে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

১০ বছরে চাঁদে পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ার লক্ষ্য রাশিয়ার

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯৮ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ।। বুধবার।। ২৪ ডিসেম্বর।। ২০২৫।।

আগামি দশকে চাঁদে একটি পরমানু বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে চাচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার রাষ্ট্রয়ত্ত মহাকাশ সংস্থা রসকসস এক বিস্তারিত ঘোষণা দিয়েছে যে, ২০২৬ সালের মধ্যে তারা চাঁদে একটি বিদ্যুৎকেন্দ নির্মাণের কাজ শুরু করবে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য লাভোচকিন অ্যাসোসিয়েশন-এর মহাকাশ সংস্থার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, ১৯৬১ সালে সোভিয়েত মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মানব হিসেবে মহাকাশে যাত্রা করেছিলেন। এরপর থেকে রাশিয়া মহাকাশ গবেষণায় একটি উৎকৃষ্ট শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে, সাম্প্রতিক দশকে তার যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে।

রসকসমস থেকে জানা গেছে, চাঁদের গ্রহনের উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়ার চন্দ্র কর্মসূচিতে শক্তি সরবরাহ করা। এর মধ্যে আছে রোভার, একটি মানমন্দির এবং রাশিয়ান-চীনা যৌথ আন্তর্জাতিক চন্দ্র গবেষণা কেন্দ্রের অবকাঠামো।

রসকসমস আরও বলেছেন, ‘এই প্রকল্পটি স্থায়ীভাবে কার্যকর বৈজ্ঞানিক চন্দ্র কেন্দ্র তৈরি এবং এককালীন মিশন থেকে দীর্ঘমেয়াদী চন্দ্র অনুসন্ধান কর্মসূচিতে রূপান্তরের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

রসকসমস তাদের বিবৃতিতে প্রকল্পটি পারমাণবিক শক্তিনির্ভর হবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে তারা জানিয়েছে, এই প্রকল্পে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম এর পাশাপাশি দেশটির অন্যতম শীর্ষ পারমাণবিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট কুরচাটভ ইনস্টিটিউটও যুক্ত আছে।

এর আগে জুন মাসে রসকসমসের প্রধান দিমিত্রি বাকানভ বলেন, সংস্থাটির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে চাঁদে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা এবং পৃথিবীর ‘বোন’ গ্রহ হিসাবে পরিচিত শুক্র নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করা।

ট্যাগস :

১০ বছরে চাঁদে পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ার লক্ষ্য রাশিয়ার

আপডেট সময় : ০৬:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ কন্ঠ।। বুধবার।। ২৪ ডিসেম্বর।। ২০২৫।।

আগামি দশকে চাঁদে একটি পরমানু বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে চাচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার রাষ্ট্রয়ত্ত মহাকাশ সংস্থা রসকসস এক বিস্তারিত ঘোষণা দিয়েছে যে, ২০২৬ সালের মধ্যে তারা চাঁদে একটি বিদ্যুৎকেন্দ নির্মাণের কাজ শুরু করবে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য লাভোচকিন অ্যাসোসিয়েশন-এর মহাকাশ সংস্থার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, ১৯৬১ সালে সোভিয়েত মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মানব হিসেবে মহাকাশে যাত্রা করেছিলেন। এরপর থেকে রাশিয়া মহাকাশ গবেষণায় একটি উৎকৃষ্ট শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে, সাম্প্রতিক দশকে তার যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে।

রসকসমস থেকে জানা গেছে, চাঁদের গ্রহনের উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়ার চন্দ্র কর্মসূচিতে শক্তি সরবরাহ করা। এর মধ্যে আছে রোভার, একটি মানমন্দির এবং রাশিয়ান-চীনা যৌথ আন্তর্জাতিক চন্দ্র গবেষণা কেন্দ্রের অবকাঠামো।

রসকসমস আরও বলেছেন, ‘এই প্রকল্পটি স্থায়ীভাবে কার্যকর বৈজ্ঞানিক চন্দ্র কেন্দ্র তৈরি এবং এককালীন মিশন থেকে দীর্ঘমেয়াদী চন্দ্র অনুসন্ধান কর্মসূচিতে রূপান্তরের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

রসকসমস তাদের বিবৃতিতে প্রকল্পটি পারমাণবিক শক্তিনির্ভর হবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে তারা জানিয়েছে, এই প্রকল্পে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম এর পাশাপাশি দেশটির অন্যতম শীর্ষ পারমাণবিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট কুরচাটভ ইনস্টিটিউটও যুক্ত আছে।

এর আগে জুন মাসে রসকসমসের প্রধান দিমিত্রি বাকানভ বলেন, সংস্থাটির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে চাঁদে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা এবং পৃথিবীর ‘বোন’ গ্রহ হিসাবে পরিচিত শুক্র নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করা।