ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গাজীপুরে জিয়াউর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন Logo গাজীপুরে বহুতল ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় বিদায় নিলেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশিদ Logo সাবেক এমপি হারুন আল রশিদের মৃত্যুতে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শোক  Logo বেনজীরকে ফেরাতে সব নথি পাঠানো হয়েছে, দ্রুত প্রত্যর্পণের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo একটি কোম্পানির মাধ্যমে সকল রুটে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী Logo বটতলায় জমজমাট ফাইনাল: চ্যাম্পিয়ান ভাতকাঠি একতা ফাউন্ডেশন। Logo সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের মাঝে বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ Logo অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল শিশুর Logo জনগণের ভালোবাসা বড় শক্তি, নিরাপত্তা কড়াকড়ি যেন দূরত্ব তৈরি না করে: প্রধানমন্ত্রী

১০ বছরে চাঁদে পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ার লক্ষ্য রাশিয়ার

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৬৬ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ।। বুধবার।। ২৪ ডিসেম্বর।। ২০২৫।।

আগামি দশকে চাঁদে একটি পরমানু বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে চাচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার রাষ্ট্রয়ত্ত মহাকাশ সংস্থা রসকসস এক বিস্তারিত ঘোষণা দিয়েছে যে, ২০২৬ সালের মধ্যে তারা চাঁদে একটি বিদ্যুৎকেন্দ নির্মাণের কাজ শুরু করবে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য লাভোচকিন অ্যাসোসিয়েশন-এর মহাকাশ সংস্থার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, ১৯৬১ সালে সোভিয়েত মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মানব হিসেবে মহাকাশে যাত্রা করেছিলেন। এরপর থেকে রাশিয়া মহাকাশ গবেষণায় একটি উৎকৃষ্ট শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে, সাম্প্রতিক দশকে তার যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে।

রসকসমস থেকে জানা গেছে, চাঁদের গ্রহনের উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়ার চন্দ্র কর্মসূচিতে শক্তি সরবরাহ করা। এর মধ্যে আছে রোভার, একটি মানমন্দির এবং রাশিয়ান-চীনা যৌথ আন্তর্জাতিক চন্দ্র গবেষণা কেন্দ্রের অবকাঠামো।

রসকসমস আরও বলেছেন, ‘এই প্রকল্পটি স্থায়ীভাবে কার্যকর বৈজ্ঞানিক চন্দ্র কেন্দ্র তৈরি এবং এককালীন মিশন থেকে দীর্ঘমেয়াদী চন্দ্র অনুসন্ধান কর্মসূচিতে রূপান্তরের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

রসকসমস তাদের বিবৃতিতে প্রকল্পটি পারমাণবিক শক্তিনির্ভর হবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে তারা জানিয়েছে, এই প্রকল্পে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম এর পাশাপাশি দেশটির অন্যতম শীর্ষ পারমাণবিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট কুরচাটভ ইনস্টিটিউটও যুক্ত আছে।

এর আগে জুন মাসে রসকসমসের প্রধান দিমিত্রি বাকানভ বলেন, সংস্থাটির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে চাঁদে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা এবং পৃথিবীর ‘বোন’ গ্রহ হিসাবে পরিচিত শুক্র নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করা।

ট্যাগস :

১০ বছরে চাঁদে পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ার লক্ষ্য রাশিয়ার

আপডেট সময় : ০৬:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ কন্ঠ।। বুধবার।। ২৪ ডিসেম্বর।। ২০২৫।।

আগামি দশকে চাঁদে একটি পরমানু বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে চাচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার রাষ্ট্রয়ত্ত মহাকাশ সংস্থা রসকসস এক বিস্তারিত ঘোষণা দিয়েছে যে, ২০২৬ সালের মধ্যে তারা চাঁদে একটি বিদ্যুৎকেন্দ নির্মাণের কাজ শুরু করবে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য লাভোচকিন অ্যাসোসিয়েশন-এর মহাকাশ সংস্থার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, ১৯৬১ সালে সোভিয়েত মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মানব হিসেবে মহাকাশে যাত্রা করেছিলেন। এরপর থেকে রাশিয়া মহাকাশ গবেষণায় একটি উৎকৃষ্ট শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে, সাম্প্রতিক দশকে তার যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে।

রসকসমস থেকে জানা গেছে, চাঁদের গ্রহনের উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়ার চন্দ্র কর্মসূচিতে শক্তি সরবরাহ করা। এর মধ্যে আছে রোভার, একটি মানমন্দির এবং রাশিয়ান-চীনা যৌথ আন্তর্জাতিক চন্দ্র গবেষণা কেন্দ্রের অবকাঠামো।

রসকসমস আরও বলেছেন, ‘এই প্রকল্পটি স্থায়ীভাবে কার্যকর বৈজ্ঞানিক চন্দ্র কেন্দ্র তৈরি এবং এককালীন মিশন থেকে দীর্ঘমেয়াদী চন্দ্র অনুসন্ধান কর্মসূচিতে রূপান্তরের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

রসকসমস তাদের বিবৃতিতে প্রকল্পটি পারমাণবিক শক্তিনির্ভর হবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে তারা জানিয়েছে, এই প্রকল্পে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম এর পাশাপাশি দেশটির অন্যতম শীর্ষ পারমাণবিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট কুরচাটভ ইনস্টিটিউটও যুক্ত আছে।

এর আগে জুন মাসে রসকসমসের প্রধান দিমিত্রি বাকানভ বলেন, সংস্থাটির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে চাঁদে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা এবং পৃথিবীর ‘বোন’ গ্রহ হিসাবে পরিচিত শুক্র নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করা।