ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ, বিশ্বকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ বার্তা Logo ডিজিটাল ব্যাংক চালুর সম্মতি পেল বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান Logo বেহেশতের টিকিট বিক্রিকারীরা আবার ফ্যাসিস্টদের সাথে হাত মিলিয়েছে Logo ​কুমিল্লায় ব্র্যাকের কর্মশালা অনুষ্ঠিত-প্রবাসে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’ জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা। Logo ভ্যান ছিনতাই করতে চালককে হত্যা, মরদেহে ইট বেঁধে ফেলা হয় নদীতে Logo কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল ব্র্যাকের নারী কর্মীর Logo ৫০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ১৩০ রোগী, মেঝে-বারান্দায় চিকিৎসা Logo নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন Flagship: helio110 Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই ১০ ঘর, নিঃস্ব ১৪ পরিবার Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার

সিআইডির তদন্ত: ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে প্রধান উপদেষ্টার দ্বারে বসুন্ধরা গ্রুপ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ২০২৪ ৩৯০ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

বিপুল জমি দখল ও অর্থপাচারের অভিযোগে সিআইডি তদন্তে নামায় বসুন্ধরা গ্রুপ তাদের ‘ব্যবসায়িক সুনাম’ নষ্ট হওয়ার দাবি করেছে; যা থেকে উত্তরণে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সহায়তা চেয়েছে আবাসন ব্যবসা থেকে শিল্প গোষ্ঠীতে পরিণত হওয়া কোম্পানিটি ।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে চিঠি পাঠিয়ে বসুন্ধরা গ্রুপ দেশে-বিদেশে তাদের বিরুদ্ধে চলমান ‘মানহানিকর বিবৃতি ও প্রপাগান্ডার’ প্রচার বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ করেছে।

এর আগে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সুবিধাভোগী কোম্পানি হিসেবে পরিচিত ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এ ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ’কর ফাঁকিসহ আর্থিক অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ’ থাকার কথা তুলে ধরে অনুসন্ধান শুরু করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর।

এ সংস্থার সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) ২২ অগাস্ট আরও কয়েকটি বড় শিল্পগ্রুপের সঙ্গে বসুন্ধরার বিষয়েও “বিভিন্ন পন্থায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন ও কর ফাঁকির’ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে।

আর বসুন্ধরার মালিকানা হস্তান্তর স্থগিত করার অনুরোধ জানিয়ে যৌথমূলধনী কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরকে চিঠি দেওয়ার কথা ২ অক্টোবর জানায় এনবিআর।

”ক্ষমতা ও অর্থের বলে জনসাধারণের ও সরকারি খাল, বিল, নদী, খাসজমি, পতিত ভূমি, কবরস্থান, বধ্যভূমি ভরাট করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।”

সিআইডির এসব বিষয়ে নিয়ে অনুসন্ধানে নামার ঘোষণার পর বিভিন্ন সময় জোর করে জমি দখলসহ নানান অনিয়মের অভিযোগ থাকা এ কোম্পানি ‘সুনামহানির মুখে’ পড়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়।

বুধবার গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান স্বাক্ষরিত চিঠিতে ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষায়, সুনাম এবং চলমান ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু রাখতে বসুন্ধরা গ্রুপ এবং এর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ‘মানহানিকর বিবৃতি ও প্রপাগান্ডা’ প্রচার বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত ছিল বসুন্ধরা গ্রুপ। সরকার পতনের পর সামনে আসছে তাদের জমি দখল ও অর্থপাচারসহ বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য। কলেজ ছাত্রী মোশারাত জাহান মুনিয়া হত্যাকাণ্ড থেকে গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের অব্যাহতির বিষয়টি নিয়েও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ২২ জুলাই ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমদ আকবর সোবহান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আস্থা রাখার কথা বলেছিলেন।

সেদিন তিনি বলেছিলেন, “বিএনপি-জামাতের আগের ঘটনার বিচার হলে- আজকে তারা সাহস পেত না। সবাই জানে- কারা কারা এর সাথে জড়িত।

“আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে; আপনারা চিন্তা করেন- ১৪ বছর আগে আপনারা কোথায় ছিলেন, এখন কোথায় এসেছেন। ৭ দিন ব্যবসা বন্ধ থাকলে কিছু হবে না। এই সন্ত্রাসী জঙ্গিবাহিনীকে ধ্বংস করতে হবে, সেজন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

সেদিন শেখ হাসিনার উদ্দেশে তিনি বলেন, “উনি আমাদের নেতৃত্বে দেবেন, ইনশাল্লাহ কোনো শক্তি আমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। নেতৃত্বের প্রতি আমাদের আস্থা-বিশ্বাস আছে, মৃত্যুর পরও আস্থা-বিশ্বাস থাকবে।

সেই রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে আনভীরের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা করেন মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান তানিয়া। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ‘বিয়ের প্রলোভন’ দেখিয়ে সায়েম সোবহান আনভীর সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন মুনিয়ার সঙ্গে। ওই বাসায় তার যাতায়াত ছিল। কিন্তু বিয়ে না করে তিনি উল্টো ‘হুমকি’ দিয়েছিলেন।

সিসিটিভির ভিডিও পরীক্ষা করে মুনিয়ার ফ্ল্যাটে আনভীরের যাতায়াতের ‘প্রমাণ পাওয়ার’ কথাও সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল। তবে তদন্ত শেষে প্রতিবেদনে মুনিয়ার ‘আত্মহত্যায়’ আনভীরের ‘সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি’ জানিয়ে ২০২১ সালের ১৯ জুলাই আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ।

চিঠিতে তিনি বলেছেন, অতীতের এবং ভবিষ্যতে গ্রুপটির বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে সেটির বিষয়ের তদন্তে সব ধরনের সহযোগিতা করবে কিন্তু এরকম ‘প্রিম্যাচুয়িউর‘অভিযোগের বিষয়ে মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে মিডিয়া ট্রায়ালের মধ্যে ফেলে সম্মানহানি না করা হয় সেই বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টাকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন আমাদের চেয়ারম্যান।”

এ গ্রুপের সঙ্গে লাখো মানুষের জীবিকা জড়িত থাকার কথা তুলে ধরে এই আইনজীবী বলেন, “তাদেরকে যাতে বিচারের আগেই দোষী সাব্যস্ত করা না হয় সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে।

ট্যাগস :

সিআইডির তদন্ত: ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে প্রধান উপদেষ্টার দ্বারে বসুন্ধরা গ্রুপ

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ২০২৪

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

বিপুল জমি দখল ও অর্থপাচারের অভিযোগে সিআইডি তদন্তে নামায় বসুন্ধরা গ্রুপ তাদের ‘ব্যবসায়িক সুনাম’ নষ্ট হওয়ার দাবি করেছে; যা থেকে উত্তরণে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সহায়তা চেয়েছে আবাসন ব্যবসা থেকে শিল্প গোষ্ঠীতে পরিণত হওয়া কোম্পানিটি ।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে চিঠি পাঠিয়ে বসুন্ধরা গ্রুপ দেশে-বিদেশে তাদের বিরুদ্ধে চলমান ‘মানহানিকর বিবৃতি ও প্রপাগান্ডার’ প্রচার বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ করেছে।

এর আগে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সুবিধাভোগী কোম্পানি হিসেবে পরিচিত ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এ ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ’কর ফাঁকিসহ আর্থিক অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ’ থাকার কথা তুলে ধরে অনুসন্ধান শুরু করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর।

এ সংস্থার সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) ২২ অগাস্ট আরও কয়েকটি বড় শিল্পগ্রুপের সঙ্গে বসুন্ধরার বিষয়েও “বিভিন্ন পন্থায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন ও কর ফাঁকির’ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে।

আর বসুন্ধরার মালিকানা হস্তান্তর স্থগিত করার অনুরোধ জানিয়ে যৌথমূলধনী কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরকে চিঠি দেওয়ার কথা ২ অক্টোবর জানায় এনবিআর।

”ক্ষমতা ও অর্থের বলে জনসাধারণের ও সরকারি খাল, বিল, নদী, খাসজমি, পতিত ভূমি, কবরস্থান, বধ্যভূমি ভরাট করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।”

সিআইডির এসব বিষয়ে নিয়ে অনুসন্ধানে নামার ঘোষণার পর বিভিন্ন সময় জোর করে জমি দখলসহ নানান অনিয়মের অভিযোগ থাকা এ কোম্পানি ‘সুনামহানির মুখে’ পড়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়।

বুধবার গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান স্বাক্ষরিত চিঠিতে ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষায়, সুনাম এবং চলমান ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু রাখতে বসুন্ধরা গ্রুপ এবং এর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ‘মানহানিকর বিবৃতি ও প্রপাগান্ডা’ প্রচার বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত ছিল বসুন্ধরা গ্রুপ। সরকার পতনের পর সামনে আসছে তাদের জমি দখল ও অর্থপাচারসহ বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য। কলেজ ছাত্রী মোশারাত জাহান মুনিয়া হত্যাকাণ্ড থেকে গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের অব্যাহতির বিষয়টি নিয়েও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ২২ জুলাই ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমদ আকবর সোবহান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আস্থা রাখার কথা বলেছিলেন।

সেদিন তিনি বলেছিলেন, “বিএনপি-জামাতের আগের ঘটনার বিচার হলে- আজকে তারা সাহস পেত না। সবাই জানে- কারা কারা এর সাথে জড়িত।

“আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে; আপনারা চিন্তা করেন- ১৪ বছর আগে আপনারা কোথায় ছিলেন, এখন কোথায় এসেছেন। ৭ দিন ব্যবসা বন্ধ থাকলে কিছু হবে না। এই সন্ত্রাসী জঙ্গিবাহিনীকে ধ্বংস করতে হবে, সেজন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

সেদিন শেখ হাসিনার উদ্দেশে তিনি বলেন, “উনি আমাদের নেতৃত্বে দেবেন, ইনশাল্লাহ কোনো শক্তি আমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। নেতৃত্বের প্রতি আমাদের আস্থা-বিশ্বাস আছে, মৃত্যুর পরও আস্থা-বিশ্বাস থাকবে।

সেই রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে আনভীরের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা করেন মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান তানিয়া। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ‘বিয়ের প্রলোভন’ দেখিয়ে সায়েম সোবহান আনভীর সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন মুনিয়ার সঙ্গে। ওই বাসায় তার যাতায়াত ছিল। কিন্তু বিয়ে না করে তিনি উল্টো ‘হুমকি’ দিয়েছিলেন।

সিসিটিভির ভিডিও পরীক্ষা করে মুনিয়ার ফ্ল্যাটে আনভীরের যাতায়াতের ‘প্রমাণ পাওয়ার’ কথাও সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল। তবে তদন্ত শেষে প্রতিবেদনে মুনিয়ার ‘আত্মহত্যায়’ আনভীরের ‘সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি’ জানিয়ে ২০২১ সালের ১৯ জুলাই আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ।

চিঠিতে তিনি বলেছেন, অতীতের এবং ভবিষ্যতে গ্রুপটির বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে সেটির বিষয়ের তদন্তে সব ধরনের সহযোগিতা করবে কিন্তু এরকম ‘প্রিম্যাচুয়িউর‘অভিযোগের বিষয়ে মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে মিডিয়া ট্রায়ালের মধ্যে ফেলে সম্মানহানি না করা হয় সেই বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টাকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন আমাদের চেয়ারম্যান।”

এ গ্রুপের সঙ্গে লাখো মানুষের জীবিকা জড়িত থাকার কথা তুলে ধরে এই আইনজীবী বলেন, “তাদেরকে যাতে বিচারের আগেই দোষী সাব্যস্ত করা না হয় সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে।