রামালিঙ্গা রেড্ডির পদত্যাগে নতুন চাপে কর্ণাটকের শিবকুমার সরকার
- আপডেট সময় : ০৪:৩৭:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬ ২৬ বার পঠিত

ভারতের কর্ণাটকে ক্ষমতার পালাবদল শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা থামেনি। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের মাত্র দুই দিনের মধ্যেই পদত্যাগ করেছেন কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা ও মন্ত্রী রামালিঙ্গা রেড্ডি। শুক্রবার (৫ জুন) সকালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার জানিয়েছেন, রামালিঙ্গা রেড্ডি দলের একজন অভিজ্ঞ নেতা এবং তার ব্যক্তিগত বন্ধু। তিনি আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সমাধানের চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে টানা তিন বছর মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের পর সিদ্দারামাইয়া পদত্যাগ করেন। এরপর উপমুখ্যমন্ত্রী ও কর্ণাটক প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডি কে শিবকুমার রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বনির্ধারিত সমঝোতা অনুযায়ী আড়াই বছর পর সিদ্দারামাইয়া সরে দাঁড়াবেন এবং শিবকুমার দায়িত্ব নেবেন। তবে শেষ পর্যন্ত দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের চাপেই সিদ্দারামাইয়াকে পদ ছাড়তে হয়েছে বলে আলোচনা রয়েছে। এদিকে রাজ্যসভায় যাওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সিদ্দারামাইয়া জানিয়েছেন, তিনি রাজ্য রাজনীতিতেই সক্রিয় থাকতে চান। গত বুধবার শপথ নেওয়ার পর বৃহস্পতিবার ১৩ সদস্যের মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। রামালিঙ্গা রেড্ডিকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলেও তিনি বেঙ্গালুরু উন্নয়ন দপ্তর প্রত্যাশা করেছিলেন। রেড্ডির দাবি, শিবকুমার ব্যক্তিগতভাবে তার বাসভবনে গিয়ে ওই দপ্তর দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। পদত্যাগের পর সাংবাদিকদের রেড্ডি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী তাকে বেঙ্গালুরু উন্নয়ন দপ্তর দেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অন্য মন্ত্রণালয় দেওয়ায় তিনি তা গ্রহণ করতে পারেননি। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পরপরই এমন পদত্যাগ শিবকুমার সরকারের জন্য বড় ধরনের অস্বস্তি তৈরি করেছে। জানা গেছে, মন্ত্রণালয় বণ্টন নিয়ে আরও কয়েকজন মন্ত্রীর মধ্যেও অসন্তোষ রয়েছে। ফলে দলীয় ক্ষোভ সামাল দেওয়া এখন নতুন মুখ্যমন্ত্রীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াকে সন্তুষ্ট রাখতে তার ছেলে যতীন্দ্র সিদ্দারামাইয়াকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাকে নগরোন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।























