ঢাকা ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জাসদ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার ২৭ জনের জামিন নাকচ Logo এসএসসির খাতা মূল্যায়নে ‘দুর্বলতা’, শিক্ষকদের জবাবদিহিতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী Logo বাংলাদেশের বাজারে হাইফিউচার ব্রান্ডের ফ্লেক্সক্লিপ প্রিমিয়াম ক্লিপ ইয়ারবাডস Logo বাঁধ মেরামতের অর্থে ম্যুরাল নির্মাণের অভিযোগ পাউবোর প্রকৌশলী প্রবীরের বিরুদ্ধে Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় পানশালায় বন্দুক হামলা, নিহত ১৭ Logo নতুন বুটে ইনজুরিতে পড়তে পারেন এমবাপ্পে, আগেই সতর্ক করেছিলেন ফিজিও Logo অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে: সাদিয়া আয়মান Logo চাঁদাবাজির ‘ঢালাও’ অভিযোগ করেছে সালমান, মামলা করলে তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ফেসবুক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী মিথ্যাচার চালাচ্ছে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূর সাড়ে-৯ ভরি স্বর্ণ আত্মসাত-২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও এসআই সোহেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রতিবেদনের অভিযোগ

ভয়ঙ্কর হচ্ছে তিস্তার পানি, ভেসে আসছে মরদেহ!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৩ ২৩৬ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

তিস্তা নদী ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে বুধবার সকাল থেকে। ভোর হওয়ার আগেই সিকিমে টানা বর্ষণে সৃষ্ট আকশ্মিক বন্যায় হুড়হুড় করে পানি গড়াতে থাকে তিস্তায়। জলপাইগুড়ির গজলডোবা এলাকা থেকে উদ্ধার হল এক মহিলা-সহ তিনজনের মৃতদেহ। বুধবার রাত পর্যন্ত নিহতের পরিচয় জানা যায়নি। মৃতদেহগুলো সিকিম বা রাজ্যের পাহাড়ি এলাকা থেকে ভেসে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বুধবার সন্ধ্যায় তিস্তায় ভেসে যাওয়ার পর জলপাইগুড়িতে আরও একটি মৃতদেহ পাওয়া গেছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর চারটি দল উদ্ধার অভিযানের জন্য শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ি জেলায় পৌঁছেছে। আরও সাতটি রাজ্য দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া দল রয়েছে।

তিস্তা নদীর ঘোলা পানির ঘূর্ণিতে ভেসে আসছে মরদেহ, চটি, জামাকাপড়, বাসনপত্র, গবাদি পশু থেকে রান্নার গ্যাসের আধভর্তি সিলিন্ডার। বুধবার ঘুম ভেঙে এমন দৃশ্য দেখলেন তিস্তা পাড়ের বাসিন্দারা।

সিকিমে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর তিস্তার দুই পাশের সমভূমিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জল কমার পরই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্পষ্ট হবে। গজলডোবা ব্যারেজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, পানি কমার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যারাজ মেরামত শুরু হবে। বৃহস্পতিবার রাজ্যের সেচমন্ত্রী এবং সেচসচিব উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার সকালেও সেবক রেলওয়ে সেতুতে গিয়ে দেখা গেছে, তিস্তার পানি মাত্র চার ফুট নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ই পথে রেল চলাচলের গতি কমিয়ে দেয়া হয়েছে।

জলপাইগুড়ি শহরের লাগোয়া তিস্তা রেল সেতুর কাছেও জল বেড়েছে। আসাম এবং দিল্লির জন্য দুটি সহ অন্যান্য ট্রেনগুলি সেই সেতুর উপর দিয়ে খুব ধীর গতিতে চালানো হয়েছিল।

দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলাগুলি বাদ দিয়ে, প্রশাসন শুধুমাত্র সমতলভূমিতেই তিস্তার দুই পাশ থেকে অন্তত ৫,০০০ বাসিন্দাকে উদ্ধার করেছে। জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে ২৮টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে।

বুধবার সকালেই গজলডোবা ব্যারেজের প্রধান ৪৫টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছিল। সকালে হঠাৎ করে পানির প্রবাহ এতটাই বেড়ে যায় যে গেট না খুলে দিলে পুরো ব্যারাজ ভেসে যেত। এরই মধ্যে বন্যায় জলপাইগুড়ি তিস্তা বাঁধ ও স্পার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ভয়ঙ্কর হচ্ছে তিস্তার পানি, ভেসে আসছে মরদেহ!

আপডেট সময় : ০২:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

তিস্তা নদী ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে বুধবার সকাল থেকে। ভোর হওয়ার আগেই সিকিমে টানা বর্ষণে সৃষ্ট আকশ্মিক বন্যায় হুড়হুড় করে পানি গড়াতে থাকে তিস্তায়। জলপাইগুড়ির গজলডোবা এলাকা থেকে উদ্ধার হল এক মহিলা-সহ তিনজনের মৃতদেহ। বুধবার রাত পর্যন্ত নিহতের পরিচয় জানা যায়নি। মৃতদেহগুলো সিকিম বা রাজ্যের পাহাড়ি এলাকা থেকে ভেসে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বুধবার সন্ধ্যায় তিস্তায় ভেসে যাওয়ার পর জলপাইগুড়িতে আরও একটি মৃতদেহ পাওয়া গেছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর চারটি দল উদ্ধার অভিযানের জন্য শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ি জেলায় পৌঁছেছে। আরও সাতটি রাজ্য দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া দল রয়েছে।

তিস্তা নদীর ঘোলা পানির ঘূর্ণিতে ভেসে আসছে মরদেহ, চটি, জামাকাপড়, বাসনপত্র, গবাদি পশু থেকে রান্নার গ্যাসের আধভর্তি সিলিন্ডার। বুধবার ঘুম ভেঙে এমন দৃশ্য দেখলেন তিস্তা পাড়ের বাসিন্দারা।

সিকিমে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর তিস্তার দুই পাশের সমভূমিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জল কমার পরই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্পষ্ট হবে। গজলডোবা ব্যারেজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, পানি কমার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যারাজ মেরামত শুরু হবে। বৃহস্পতিবার রাজ্যের সেচমন্ত্রী এবং সেচসচিব উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার সকালেও সেবক রেলওয়ে সেতুতে গিয়ে দেখা গেছে, তিস্তার পানি মাত্র চার ফুট নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ই পথে রেল চলাচলের গতি কমিয়ে দেয়া হয়েছে।

জলপাইগুড়ি শহরের লাগোয়া তিস্তা রেল সেতুর কাছেও জল বেড়েছে। আসাম এবং দিল্লির জন্য দুটি সহ অন্যান্য ট্রেনগুলি সেই সেতুর উপর দিয়ে খুব ধীর গতিতে চালানো হয়েছিল।

দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলাগুলি বাদ দিয়ে, প্রশাসন শুধুমাত্র সমতলভূমিতেই তিস্তার দুই পাশ থেকে অন্তত ৫,০০০ বাসিন্দাকে উদ্ধার করেছে। জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে ২৮টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে।

বুধবার সকালেই গজলডোবা ব্যারেজের প্রধান ৪৫টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছিল। সকালে হঠাৎ করে পানির প্রবাহ এতটাই বেড়ে যায় যে গেট না খুলে দিলে পুরো ব্যারাজ ভেসে যেত। এরই মধ্যে বন্যায় জলপাইগুড়ি তিস্তা বাঁধ ও স্পার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।