ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এক মাসের জল্পনার অবসান, নতুন গল্প নিয়ে ফিরছে ‘গোপাল ভাঁড়’ Logo বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকীতে মাশরাফির শ্রদ্ধা, ফেসবুকে লিখলেন ‘বিনম্র শ্রদ্ধা’ Logo বেলজিয়ামে বাড়ির দেয়াল ভেঙে মিলল ১২৭ কোটি টাকার স্বর্ণের গুপ্তধন Logo ১৫ আগস্টের আগে অস্থির বাংলাদেশ: বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের আগের কয়েক সপ্তাহে কী ঘটেছিল Logo ধামরাইয়ে মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে Logo সিনেমাটিক মোবাইল ভিডিওগ্রাফির সুবিধাসহ ‘রোবট ফোন’ আনল অনার Logo বাঞ্ছারামপুরের জনবান্ধব ইউএনও তরিকুল ইসলামের বদলিতে চরম ক্ষোভ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাস সংকটের নেপথ্যে কারা? ডিজিএমকে ঘিরে নানা প্রশ্ন  Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিনেও কাটেনি গ্যাস সংকট, দুর্ভোগে ২৬ হাজার গ্রাহক Logo ​ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এজমালি সম্পত্তি একক খারিজে বিক্রয়ের অভিযোগ, ১৪৪ ধারা জারি

বেলজিয়ামে বাড়ির দেয়াল ভেঙে মিলল ১২৭ কোটি টাকার স্বর্ণের গুপ্তধন

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৪২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬ ১৪ বার পঠিত

বেলজিয়ামে একটি পুরোনো বাড়ি সংস্কারের কাজ করতে গিয়ে দেয়ালের ভেতর লুকানো বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের সন্ধান পেয়েছেন নির্মাণশ্রমিকরা। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য ৯ মিলিয়ন ইউরো, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১২৭ কোটি ৬৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, নতুন পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য বাড়িটির দেয়াল ও মাটি খননের সময় শ্রমিকদের চোখে পড়ে স্বর্ণের বার ও মুদ্রাগুলো। শুরুতে এগুলোকে সাধারণ মুদ্রা মনে হলেও পরে স্বর্ণের বার দেখতে পেয়ে বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পারেন তারা।

ঘটনাস্থলে থাকা ১৮ বছর বয়সী গ্রীষ্মকালীন শিক্ষার্থী কোবে এবং সাইট ম্যানেজার মারিও প্রথমে মুদ্রাগুলোকে সাধারণ ১ ইউরোর কয়েন ভেবেছিলেন। কিন্তু দেয়ালের ভেতর থেকে একের পর এক স্বর্ণের পিণ্ড বেরিয়ে আসার পর তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান।

এত বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সম্পদ নিজেদের কাছে রাখা আইনগতভাবেও সম্ভব ছিল না। তাই শ্রমিকদের খবর পেয়ে ডেনডারমন্ডের স্থানীয় পুলিশ বাড়িটিতে ব্যাপক তল্লাশি চালায় এবং উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ নিরাপদ হেফাজতে নেয়। গুপ্তধনের সন্ধানে যাতে বাইরের লোকজন সেখানে ভিড় না করে, সে বিষয়েও সতর্কতা নেওয়া হয়।

বাড়িটির বর্তমান মালিক ‘সিএডব্লিউ ওস্ট-ভ্লানডারেন’ নামের একটি স্থানীয় দাতব্য সংস্থা। প্রতিষ্ঠানটি ডেনডারমন্ড অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন সেবা দিয়ে থাকে। সংস্থাটির পরিচালক গির্ট হিলার্ট আশা প্রকাশ করেছেন, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সম্পদের কোনো অংশ তাদের প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া গেলে তা অসহায় মানুষের সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এদিকে স্বর্ণের প্রকৃত মালিকের সন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। বেলজিয়ামের আইন অনুযায়ী, বৈধ মালিকানা দাবি করার জন্য সম্ভাব্য মালিককে পাঁচ বছর বা ১ হাজার ৮২৩ দিনের সময় দেওয়া হবে।

এই সময়ের মধ্যে স্বর্ণের কোনো বৈধ মালিক পাওয়া না গেলে এবং সম্পদটি কোনো অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় বলে নিশ্চিত হওয়া গেলে, প্রচলিত আইন অনুযায়ী গুপ্তধনের মূল্য ভবনের মালিক প্রতিষ্ঠান এবং স্বর্ণের সন্ধান পাওয়া নির্মাণশ্রমিকদের মধ্যে সমানভাবে ভাগ হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

ট্যাগস :

বেলজিয়ামে বাড়ির দেয়াল ভেঙে মিলল ১২৭ কোটি টাকার স্বর্ণের গুপ্তধন

আপডেট সময় : ০৩:৪২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

বেলজিয়ামে একটি পুরোনো বাড়ি সংস্কারের কাজ করতে গিয়ে দেয়ালের ভেতর লুকানো বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের সন্ধান পেয়েছেন নির্মাণশ্রমিকরা। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য ৯ মিলিয়ন ইউরো, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১২৭ কোটি ৬৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, নতুন পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য বাড়িটির দেয়াল ও মাটি খননের সময় শ্রমিকদের চোখে পড়ে স্বর্ণের বার ও মুদ্রাগুলো। শুরুতে এগুলোকে সাধারণ মুদ্রা মনে হলেও পরে স্বর্ণের বার দেখতে পেয়ে বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পারেন তারা।

ঘটনাস্থলে থাকা ১৮ বছর বয়সী গ্রীষ্মকালীন শিক্ষার্থী কোবে এবং সাইট ম্যানেজার মারিও প্রথমে মুদ্রাগুলোকে সাধারণ ১ ইউরোর কয়েন ভেবেছিলেন। কিন্তু দেয়ালের ভেতর থেকে একের পর এক স্বর্ণের পিণ্ড বেরিয়ে আসার পর তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান।

এত বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সম্পদ নিজেদের কাছে রাখা আইনগতভাবেও সম্ভব ছিল না। তাই শ্রমিকদের খবর পেয়ে ডেনডারমন্ডের স্থানীয় পুলিশ বাড়িটিতে ব্যাপক তল্লাশি চালায় এবং উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ নিরাপদ হেফাজতে নেয়। গুপ্তধনের সন্ধানে যাতে বাইরের লোকজন সেখানে ভিড় না করে, সে বিষয়েও সতর্কতা নেওয়া হয়।

বাড়িটির বর্তমান মালিক ‘সিএডব্লিউ ওস্ট-ভ্লানডারেন’ নামের একটি স্থানীয় দাতব্য সংস্থা। প্রতিষ্ঠানটি ডেনডারমন্ড অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন সেবা দিয়ে থাকে। সংস্থাটির পরিচালক গির্ট হিলার্ট আশা প্রকাশ করেছেন, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সম্পদের কোনো অংশ তাদের প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া গেলে তা অসহায় মানুষের সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এদিকে স্বর্ণের প্রকৃত মালিকের সন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। বেলজিয়ামের আইন অনুযায়ী, বৈধ মালিকানা দাবি করার জন্য সম্ভাব্য মালিককে পাঁচ বছর বা ১ হাজার ৮২৩ দিনের সময় দেওয়া হবে।

এই সময়ের মধ্যে স্বর্ণের কোনো বৈধ মালিক পাওয়া না গেলে এবং সম্পদটি কোনো অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় বলে নিশ্চিত হওয়া গেলে, প্রচলিত আইন অনুযায়ী গুপ্তধনের মূল্য ভবনের মালিক প্রতিষ্ঠান এবং স্বর্ণের সন্ধান পাওয়া নির্মাণশ্রমিকদের মধ্যে সমানভাবে ভাগ হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

সূত্র: বিবিসি