বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ডিসেম্বরে আমানত প্রবৃদ্ধি ২৮ মাসে সর্বোচ্চ
- আপডেট সময় : ০৫:০৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৩১০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সুদের হার বৃদ্ধির প্রভাব পড়ছে ব্যাংকগুলোর আমানতে। এছাড়া তারল্য সংকটের মুখে থাকা ব্যাংকগুলো তহবিল সংগ্রহের জন্য উচ্চ সুদের আমানত সংগ্রহ করছে। এর ফলে গত বছরের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে মোট আমানত বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই হার গত ২৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। ডিসেম্বরে প্রবৃদ্ধি ছিল ১১.০৪ শতাংশ। এর আগে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে, করোনা মহামারীর সময় আমানতের বৃদ্ধির হার ১১.২৬ শতাংশে পৌঁছেছিল। ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সুদের হার নির্ধারণে নতুন পদ্ধতির প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্মার্ট রেট (ছয় মাসের ট্রেজারি-বিল বন্ডের গড় হার) অনুযায়ী সুদের হার বাড়ানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ব্যাংক বিনিয়োগের (ঋণ) সর্বোচ্চ সুদের হার ১২.৪৩ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। এদিকে, তারল্য সংকটে পড়া ইসলামী ব্যাংক আরও প্রতিযোগিতামূলক হারে আমানত নিচ্ছে, যার সর্বোচ্চ মুনাফা ১১ থেকে ১২ শতাংশ। যা আমানত বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে এক বছরের বেশি সময় ধরে আমানতের সুদের হার মূল্যস্ফীতির হারের চেয়ে কম ছিল।
২০২০ সালের এপ্রিলে ঋণের সুদহারের এক অংকের যে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, তা প্রত্যাহারের পরেই আমানতে সুদহার বাড়তে শুরু করে। গত বছরের জুনে তা ৭ দশমিক ৫ শতাংশ থাকলেও ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ হয়। তবে ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ হওয়ার পরেও প্রধান প্রধান ব্যাংকগুলো আমানতে সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সুদ দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যসূত্রে এমনটাই জানা গেছে।
সুদহারের ব্যবধান হলো ব্যাংকগুলো বেসরকারি গ্রাহকদের যে সুদে ঋণ দেয়, তা থেকে বাণিজ্যিক বা অন্যান্য ব্যাংক ডিমান্ড, মেয়াদি, বা সঞ্চয়ী আমানতের বিপরীতে আমানতকারীকে যে হারে সুদ দেয় তা বাদ দিলে যা পাওয়া যায়, সেই পার্থক্য। ব্যাংকাররা বলছেন, এসব পদক্ষেপের কারণে ব্যাংকগুলো এখন উচ্চ সুদহারে আমানত নিতে পারছে।
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ডিসেম্বরে আমানত প্রবৃদ্ধি ২৮ মাসে সর্বোচ্চ
নিজস্ব প্রতিনিধি :
সুদের হার বৃদ্ধির প্রভাব পড়ছে ব্যাংকগুলোর আমানতে। এছাড়া তারল্য সংকটের মুখে থাকা ব্যাংকগুলো তহবিল সংগ্রহের জন্য উচ্চ সুদের আমানত সংগ্রহ করছে। এর ফলে গত বছরের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে মোট আমানত বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই হার গত ২৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। ডিসেম্বরে প্রবৃদ্ধি ছিল ১১.০৪ শতাংশ। এর আগে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে, করোনা মহামারীর সময় আমানতের বৃদ্ধির হার ১১.২৬ শতাংশে পৌঁছেছিল। ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সুদের হার নির্ধারণে নতুন পদ্ধতির প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্মার্ট রেট (ছয় মাসের ট্রেজারি-বিল বন্ডের গড় হার) অনুযায়ী সুদের হার বাড়ানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ব্যাংক বিনিয়োগের (ঋণ) সর্বোচ্চ সুদের হার ১২.৪৩ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। এদিকে, তারল্য সংকটে পড়া ইসলামী ব্যাংক আরও প্রতিযোগিতামূলক হারে আমানত নিচ্ছে, যার সর্বোচ্চ মুনাফা ১১ থেকে ১২ শতাংশ। যা আমানত বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে এক বছরের বেশি সময় ধরে আমানতের সুদের হার মূল্যস্ফীতির হারের চেয়ে কম ছিল।
২০২০ সালের এপ্রিলে ঋণের সুদহারের এক অংকের যে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, তা প্রত্যাহারের পরেই আমানতে সুদহার বাড়তে শুরু করে। গত বছরের জুনে তা ৭ দশমিক ৫ শতাংশ থাকলেও ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ হয়। তবে ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ হওয়ার পরেও প্রধান প্রধান ব্যাংকগুলো আমানতে সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সুদ দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যসূত্রে এমনটাই জানা গেছে।
সুদহারের ব্যবধান হলো ব্যাংকগুলো বেসরকারি গ্রাহকদের যে সুদে ঋণ দেয়, তা থেকে বাণিজ্যিক বা অন্যান্য ব্যাংক ডিমান্ড, মেয়াদি, বা সঞ্চয়ী আমানতের বিপরীতে আমানতকারীকে যে হারে সুদ দেয় তা বাদ দিলে যা পাওয়া যায়, সেই পার্থক্য। ব্যাংকাররা বলছেন, এসব পদক্ষেপের কারণে ব্যাংকগুলো এখন উচ্চ সুদহারে আমানত নিতে পারছে।




















