ঢাকা ০২:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১৮ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থী, বোর্ডভিত্তিক সংখ্যা কত Logo দেশের বর্তমান গ্যাস মজুত দিয়ে আগামী ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভবঃ জ্বালানিমন্ত্রী Logo কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে আবারও ভেসে এলো মৃত ইরাবতী ডলফিন Logo কুমিল্লা চান্দিনায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুঁটিতে ধাক্কা, পথচারী নিহত Logo বসত বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হলো ১২শত লিটার পেট্রোল, গ্রেপ্তার-৩ Logo বরিশালে রডের বদলে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ব্রিজের ঢালাই নিয়ে তোলপাড় Logo রাজাপুরের বড়ইয়া ইউনিয়নের চল্লিশ কাহনিয়া উত্তমপুর দাখিল মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠিত Logo বনানীর একটি বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট Logo গাজীপুরে তরুণদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান Logo ক্যাম্পাস নিরাপত্তা জোরদারে গাকৃবিতে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য একদিন বিশ্বমঞ্চে দীপ্তিমান হবে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১১১ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। বৃহস্পতিবার ।। ২৬.০২.২৬ ।।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অদূর ভবিষ্যতেই বিশ্বমঞ্চে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান অর্জন করবে এবং বৈশ্বিক পরিসরে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে— এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের কৃতী ব্যক্তিদের হাতে ‘একুশে পদক ২০২৬’ তুলে দেওয়ার পর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প ও সাহিত্যচর্চাকে আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ করা সময়ের দাবি। এই ক্ষেত্রগুলোকে এগিয়ে নিতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে বলেও তিনি জানান। একুশে পদকের সূচনার ইতিহাস তুলে ধরে তিনি স্মরণ করেন যে, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম এ পদক চালু করেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, এ সম্মাননা কেবল পুরস্কার নয়; ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এক তাৎপর্যপূর্ণ মাধ্যম। তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় অবদান রাখা বিশিষ্টজনদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সেতুবন্ধন গড়ে তোলাই এ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির অন্যতম উদ্দেশ্য। ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, একুশে ফেব্রুয়ারি জাতির আত্মপরিচয় ও সাংস্কৃতিক চেতনার প্রতীক। মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের পাশাপাশি এটি ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। ফেব্রুয়ারিকে তিনি ‘শেকড়ের সন্ধানের মাস’ আখ্যা দিয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের আত্মত্যাগ মহান আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার প্রার্থনা জানান। সুশাসনভিত্তিক উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, শিক্ষা, গবেষণা ও সৃজনশীল চর্চাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা জরুরি। তিনি জানান, নৈতিক মানসম্পন্ন ও জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে তিনি গুণীজনদের অবদান নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং তরুণদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য একদিন বিশ্বমঞ্চে দীপ্তিমান হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। বৃহস্পতিবার ।। ২৬.০২.২৬ ।।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অদূর ভবিষ্যতেই বিশ্বমঞ্চে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান অর্জন করবে এবং বৈশ্বিক পরিসরে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে— এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের কৃতী ব্যক্তিদের হাতে ‘একুশে পদক ২০২৬’ তুলে দেওয়ার পর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প ও সাহিত্যচর্চাকে আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ করা সময়ের দাবি। এই ক্ষেত্রগুলোকে এগিয়ে নিতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে বলেও তিনি জানান। একুশে পদকের সূচনার ইতিহাস তুলে ধরে তিনি স্মরণ করেন যে, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম এ পদক চালু করেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, এ সম্মাননা কেবল পুরস্কার নয়; ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এক তাৎপর্যপূর্ণ মাধ্যম। তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় অবদান রাখা বিশিষ্টজনদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সেতুবন্ধন গড়ে তোলাই এ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির অন্যতম উদ্দেশ্য। ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, একুশে ফেব্রুয়ারি জাতির আত্মপরিচয় ও সাংস্কৃতিক চেতনার প্রতীক। মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের পাশাপাশি এটি ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। ফেব্রুয়ারিকে তিনি ‘শেকড়ের সন্ধানের মাস’ আখ্যা দিয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের আত্মত্যাগ মহান আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার প্রার্থনা জানান। সুশাসনভিত্তিক উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, শিক্ষা, গবেষণা ও সৃজনশীল চর্চাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা জরুরি। তিনি জানান, নৈতিক মানসম্পন্ন ও জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে তিনি গুণীজনদের অবদান নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং তরুণদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।