প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর নির্দেশ
- আপডেট সময় : ০৩:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১২৫ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। রবিবার ।। ২২.০২.২০২৬ ।।
**প্রধানমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর জন্য দিয়েছেন নির্দেশনা**
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)-এর চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক। বৈঠক শেষে, বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী আফরোজা খানম সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় টার্মিনালটি শিগগিরই চালু করার জন্য সব রকম চেষ্টা করছেন এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। কবে নাগাদ এটি চালু হবে, এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, “এখনো সময় নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে আলোচনা ও তদন্তের কাজ চলমান রয়েছে। আমাদের চেষ্টা থাকবে দ্রুততম সময়ে এটি চালু করতে।” তিনি আরও বলেন, “ট্রায়াল পর্যায়ে অনেক কাজ হয়ে গেলেও, কিছু সমস্যা যেমন নেটওয়ার্ক বিষয়ক সমস্যা এবং ভাঙচুরের কারণে কিছু বিলম্ব হয়েছে। কিন্তু, এখন প্রধানমন্ত্রী নিজে এই টার্মিনাল চালু করতে উদ্যোগী হয়েছেন।” প্রসঙ্গত, শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্প ২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর একনেকে অনুমোদন পায়, যার প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৩,৬১০ কোটি টাকা। পরে, ৭৭৮৮ কোটি টাকা বাড়িয়ে প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২১,৩৯৮ কোটি টাকা। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। বর্তমানে বিমানবন্দরে দুটি টার্মিনাল রয়েছে, যার মোট আয়তন এক লাখ বর্গমিটার। তৃতীয় টার্মিনালটি প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার আকারে নির্মিত হচ্ছে, যা দুইটি বর্তমান টার্মিনালের আকারের দ্বিগুণের বেশি হবে। নতুন টার্মিনালটি ৩৭টি অ্যাপ্রোন পার্কিংসহ একসঙ্গে ৩৭টি উড়োজাহাজ পার্ক করতে সক্ষম হবে। এছাড়া ২৬টি বোর্ডিং ব্রিজ, ৩৬টি উড়োজাহাজ পার্কিং বে, ১১৫টি চেকইন কাউন্টার এবং ৬৬টি ডিপারচার ইমিগ্রেশন কাউন্টার থাকবে। আরও বিশেষ সুবিধা হিসেবে, টার্মিনালের সঙ্গে এক হাজার ৩৫০টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। এটি চালু হলে, শাহজালাল বিমানবন্দর আরও আধুনিক ও ব্যস্ত হয়ে উঠবে, যা আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য সুবিধাজনক হবে।





















