ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চেয়ারম্যানের নির্দেশে সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করার অভিযোগ, বাদীই বলছেন ‘চিনি না’ Logo অবাধ নৌচলাচলে হরমুজ প্রণালিতে যৌথভাবে কাজ করবে ভারত-ফ্রান্স Logo বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না: তানজিন তিশা Logo ছয় মাসের জন্য গাড়ি চালানোর নিষেধাজ্ঞায় সালাহ Logo ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন আসাদ আলম সিয়াম Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়কে আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন Logo বিশ্বের প্রথম কেইজ ফ্রেম ডিজাইন করা স্মার্টফোন নিয়ে বাজারে এলো আইটেল পাওয়ার ৮০ Logo মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম মারা গেছেন Logo প্রিয় অভিনেত্রীকে দেখতে ভিড়, হুড়োহুড়িতে গাড়িতে পাথর ছুড়ল ভক্তরা Logo এশিয়ান গেমস: মিয়ানমারের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র, বাংলাদেশের বিদায়

নায়ক-নায়িকার পর এবার চলে গেলেন নির্মাতা!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৯৮ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। রবিবার ।। ২২.০২.২০২৬ ।।

**নির্মাতা মীর আব্দুল রাজ্জাকের মৃত্যুর খবর, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া**

১৯৯০ সালে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্র ‘দুঃখ নেই’ ছিল এক বিস্ময়কর ব্যবসায়িক সাফল্য। ছবিটি দর্শক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল এবং তার সাথে জুটি হয়ে অভিনয় করেছিলেন সুদর্শন নায়ক সোহেল চৌধুরী ও জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা দোয়েল। তবে, ছবিটির নায়ক-নায়িকার পর এবার চিরবিদায় নিলেন নির্মাতা মীর আব্দুল রাজ্জাক। গত ২০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত দুইটার দিকে রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মীর আব্দুল রাজ্জাক। তার মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন তার বড় ছেলে মুন্না। পরিবারের সদস্যদের মতে, নির্মাতা রাজ্জাক বেশ কিছুদিন ধরে শারীরিক নানা সমস্যায় ভুগছিলেন, যার মধ্যে রক্তশূন্যতা ছিল অন্যতম। রাজ্জাকের ছেলে বলেন, “বাবা কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন, কিন্তু শুক্রবার রাতে তার অবস্থা হঠাৎ অবনতি হয়। আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি আমাদের ছেড়ে চলে যান।” শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুরের মারিয়ালি গ্রামে জানাজার পর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও দুই কন্যা সন্তান রেখে গেছেন। ১৯৯০ সালের ‘দুঃখ নেই’ চলচ্চিত্রে সোহেল চৌধুরী ও দোয়েলের পাশাপাশি অভিনয় করেছিলেন আনোয়ার হোসেন ও আনোয়ারা। ছবিটি রাজ্জাকের নির্মাণ কেরিয়ারের অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে পরিচিত। তবে, তার নির্মাণাধীন আরও কিছু চলচ্চিত্র যেমন ‘দেশের জন্য লড়াই’ ও ‘নীল আকাশ’ মুক্তি পায়নি। রাজ্জাকের প্রয়াণের পর চলচ্চিত্র শিল্পে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। উল্লেখযোগ্য যে, ১৯৯৮ সালে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়, আর ২০১১ সালে দোয়েল মারা যান মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের কারণে। এখন নির্মাতা রাজ্জাকের প্রয়াণে চলচ্চিত্র অঙ্গনে এক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :

নায়ক-নায়িকার পর এবার চলে গেলেন নির্মাতা!

আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। রবিবার ।। ২২.০২.২০২৬ ।।

**নির্মাতা মীর আব্দুল রাজ্জাকের মৃত্যুর খবর, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া**

১৯৯০ সালে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্র ‘দুঃখ নেই’ ছিল এক বিস্ময়কর ব্যবসায়িক সাফল্য। ছবিটি দর্শক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল এবং তার সাথে জুটি হয়ে অভিনয় করেছিলেন সুদর্শন নায়ক সোহেল চৌধুরী ও জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা দোয়েল। তবে, ছবিটির নায়ক-নায়িকার পর এবার চিরবিদায় নিলেন নির্মাতা মীর আব্দুল রাজ্জাক। গত ২০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত দুইটার দিকে রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মীর আব্দুল রাজ্জাক। তার মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন তার বড় ছেলে মুন্না। পরিবারের সদস্যদের মতে, নির্মাতা রাজ্জাক বেশ কিছুদিন ধরে শারীরিক নানা সমস্যায় ভুগছিলেন, যার মধ্যে রক্তশূন্যতা ছিল অন্যতম। রাজ্জাকের ছেলে বলেন, “বাবা কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন, কিন্তু শুক্রবার রাতে তার অবস্থা হঠাৎ অবনতি হয়। আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি আমাদের ছেড়ে চলে যান।” শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুরের মারিয়ালি গ্রামে জানাজার পর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও দুই কন্যা সন্তান রেখে গেছেন। ১৯৯০ সালের ‘দুঃখ নেই’ চলচ্চিত্রে সোহেল চৌধুরী ও দোয়েলের পাশাপাশি অভিনয় করেছিলেন আনোয়ার হোসেন ও আনোয়ারা। ছবিটি রাজ্জাকের নির্মাণ কেরিয়ারের অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে পরিচিত। তবে, তার নির্মাণাধীন আরও কিছু চলচ্চিত্র যেমন ‘দেশের জন্য লড়াই’ ও ‘নীল আকাশ’ মুক্তি পায়নি। রাজ্জাকের প্রয়াণের পর চলচ্চিত্র শিল্পে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। উল্লেখযোগ্য যে, ১৯৯৮ সালে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়, আর ২০১১ সালে দোয়েল মারা যান মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের কারণে। এখন নির্মাতা রাজ্জাকের প্রয়াণে চলচ্চিত্র অঙ্গনে এক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।