ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী

দীর্ঘদিন চা পান না করলে শরীরে কমে পানিশূন্যতার ঝুঁকি

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:১২:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩ ২৭৯ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় হল চা। চা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, তবে আপনি যে ধরণের চা পান করছেন তার উপর নির্ভর করে এটি উপকারী না ক্ষতিকর। এদেশের অধিকাংশ মানুষ চিনিযুক্ত দুধের চা বা রং চায়ে আসক্ত। আর দুধ বা চিনি মেশানো চা কখনোই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নয়।

যদিও দিনে একবার আপনার প্রিয় চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার কোনও ক্ষতি নেই, তবে অতিরিক্ত সেবন দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য জটিলতার কারণ হতে পারে।

আর এক মাস চা পান থেকে বিরত থাকলে শরীরে নানা পরিবর্তন আসতে পারে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘এক মাস চা ছেড়ে দিলে শরীরে স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আসবে। উদাহরণস্বরূপ, কম ক্যাফেইন গ্রহণ করলে ভালো এবং ভালো ঘুম হয় এবং এমনকি কম উদ্বেগও হয়।

আসলে, খুব বেশি চা পান করলে প্রস্রাব বাড়ে, যা পানিশূন্যতা হতে পারে। তাই চা খাওয়া বন্ধ করলে শরীরে পানির ভারসাম্য ঠিক থাকে এবং পানিশূন্যতার ঝুঁকি কমে।

ভারতের পুনের রুবি হল ক্লিনিকের পুষ্টিবিদ ড. কমল পালিয়ার মতে, ‘চা পা করা কমালে শরীরের ফ্রি র্যাডিক্যাল কমে, যার ফলে সেলুলার স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। এই অভ্যাস হজমজনিত রোগ ও নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারও প্রতিরোধে সাহায্য করে।

খাদ্যতালিকা থেকে চা বাদ দেওয়ার কিছু অসুবিধাও রয়েছে, কমল পালিয়া বলেন, ‘চা পান করা কিছু মানুষের মানসিক শান্তির উৎস হতে পারে। তাই এটা ছেড়ে দিলে মানসিক পরিবর্তন আসে।’

ভারতের আইথ্রাইভ ইনস্টিটিউটের সিইও এবং পুষ্টিবিদ মুগদা প্রধান এ বিষয়ে একমত। তার মতে, ‘যদি আপনি নিয়মিত চা পানের অভ্যাস ত্যাগ করেন, তাহলে হঠাৎ করেই ক্যাফেইন প্রত্যাহারের কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

যেমন ক্লান্তি, মস্তিষ্কের কুয়াশা, একাগ্রতার অভাব, তন্দ্রা এবং মাথাব্যথা। তবে এই উপসর্গগুলি শুধুমাত্র কয়েক দিন স্থায়ী হতে পারে, তারপর ভাল হয়ে যায়।

কিন্তু আপনি যদি অতিরিক্ত চা পানের অভ্যাস ত্যাগ করতে চান, তবে আপনি এর পরিবর্তে ভেষজ চা এবং ফলের রস পান করতে পারেন। এতে চায়ের আসক্তি কমবে এবং শরীরে পুষ্টিও যোগাবে।

পুষ্টিবিদদের মতে, ‘ক্যামোমাইল বা পেপারমিন্টের মতো ভেষজ চা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এমনকি ফলের রস শরীর সতেজ রাখতে সাহায্য করে। চাইলে লেবু বা মধু মিশিয়েও হালকা গরম পানিতে চুমুক দিতে পারেন। এতে আরাম বোধ করবেন।’

যাদের আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা রয়েছে তাদের যেকোনো চা পানের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত। কারণ চায়ে থাকা ট্যানিন আয়রন শোষণে বাধা দিতে পারে।

 

দীর্ঘদিন চা পান না করলে শরীরে কমে পানিশূন্যতার ঝুঁকি

আপডেট সময় : ০৩:১২:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় হল চা। চা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, তবে আপনি যে ধরণের চা পান করছেন তার উপর নির্ভর করে এটি উপকারী না ক্ষতিকর। এদেশের অধিকাংশ মানুষ চিনিযুক্ত দুধের চা বা রং চায়ে আসক্ত। আর দুধ বা চিনি মেশানো চা কখনোই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নয়।

যদিও দিনে একবার আপনার প্রিয় চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার কোনও ক্ষতি নেই, তবে অতিরিক্ত সেবন দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য জটিলতার কারণ হতে পারে।

আর এক মাস চা পান থেকে বিরত থাকলে শরীরে নানা পরিবর্তন আসতে পারে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘এক মাস চা ছেড়ে দিলে শরীরে স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আসবে। উদাহরণস্বরূপ, কম ক্যাফেইন গ্রহণ করলে ভালো এবং ভালো ঘুম হয় এবং এমনকি কম উদ্বেগও হয়।

আসলে, খুব বেশি চা পান করলে প্রস্রাব বাড়ে, যা পানিশূন্যতা হতে পারে। তাই চা খাওয়া বন্ধ করলে শরীরে পানির ভারসাম্য ঠিক থাকে এবং পানিশূন্যতার ঝুঁকি কমে।

ভারতের পুনের রুবি হল ক্লিনিকের পুষ্টিবিদ ড. কমল পালিয়ার মতে, ‘চা পা করা কমালে শরীরের ফ্রি র্যাডিক্যাল কমে, যার ফলে সেলুলার স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। এই অভ্যাস হজমজনিত রোগ ও নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারও প্রতিরোধে সাহায্য করে।

খাদ্যতালিকা থেকে চা বাদ দেওয়ার কিছু অসুবিধাও রয়েছে, কমল পালিয়া বলেন, ‘চা পান করা কিছু মানুষের মানসিক শান্তির উৎস হতে পারে। তাই এটা ছেড়ে দিলে মানসিক পরিবর্তন আসে।’

ভারতের আইথ্রাইভ ইনস্টিটিউটের সিইও এবং পুষ্টিবিদ মুগদা প্রধান এ বিষয়ে একমত। তার মতে, ‘যদি আপনি নিয়মিত চা পানের অভ্যাস ত্যাগ করেন, তাহলে হঠাৎ করেই ক্যাফেইন প্রত্যাহারের কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

যেমন ক্লান্তি, মস্তিষ্কের কুয়াশা, একাগ্রতার অভাব, তন্দ্রা এবং মাথাব্যথা। তবে এই উপসর্গগুলি শুধুমাত্র কয়েক দিন স্থায়ী হতে পারে, তারপর ভাল হয়ে যায়।

কিন্তু আপনি যদি অতিরিক্ত চা পানের অভ্যাস ত্যাগ করতে চান, তবে আপনি এর পরিবর্তে ভেষজ চা এবং ফলের রস পান করতে পারেন। এতে চায়ের আসক্তি কমবে এবং শরীরে পুষ্টিও যোগাবে।

পুষ্টিবিদদের মতে, ‘ক্যামোমাইল বা পেপারমিন্টের মতো ভেষজ চা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এমনকি ফলের রস শরীর সতেজ রাখতে সাহায্য করে। চাইলে লেবু বা মধু মিশিয়েও হালকা গরম পানিতে চুমুক দিতে পারেন। এতে আরাম বোধ করবেন।’

যাদের আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা রয়েছে তাদের যেকোনো চা পানের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত। কারণ চায়ে থাকা ট্যানিন আয়রন শোষণে বাধা দিতে পারে।