ঢাকা ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo যে ডকুমেন্টারিতে আবু সাঈদের ছবি নেই, সেটা কোনো ডকুমেন্টারি নয়: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি Logo ২৪০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের কিউডি-ওএলইডি মনিটর আনলো গিগাবাইট Logo সারাদিন নিরবচ্ছিন্ন পাওয়ার নিশ্চিতে নতুন সি-সিরিজ স্মার্টফোন নিয়ে আসছে রিয়েলমি Logo রাজাপুরের উত্তর উত্তমপুর গ্রামে ২ কিলোমিটার রাস্তা মরণফাঁদ, বর্ষায় চরম ভোগান্তিতে শত শত শিক্ষার্থী Logo মাদকে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেই আগে ব্যবস্থা: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি Logo দেশের বাজারে অনারের আল্ট্রা-স্লিম ফোল্ডেবল ‘ম্যাজিক ভি৬’ Logo সুস্থ সংস্কৃতি ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা গঠনে তরুণ সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিহার্য Logo একটি হুইল চেয়ারই বদলে দিতে পারে প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবন Logo ‘চাঁদা না দিলে রাস্তায় পড়ে থাকবে লাশ’: হিন্দু পল্লীতে আতঙ্ক Logo ফরিদপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের সূচনা জন্মের প্রথম ঘণ্টায় শালদুধ, প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর আহ্বান

টিবি রোগে আক্রান্তে কাদের ঝুঁকি বেশি?

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:১৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ ৫৪৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

টিবি রোগের নাম শুনলেই সবাই ভয় পেয়ে যায়। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ টিউবারকিউলোসিস বা টিবিতে আক্রান্ত হয়। এমনকি এই রোগে মৃত্যুর সংখ্যাও বেশি।

তবে এই রোগ মোকাবেলায় নতুন লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। বিশ্বের দেশগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে টিবি রোগের প্রকোপ কমানোর লক্ষ্য নিয়েছে।

টিবি হলো ব্যাকটেরিয়াজনিত একটি রোগ। এই রোগের ব্যকটেরিয়া হলো মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস। প্রাথমিকভাবে টিবি রোগ ফুসফুসে একটি সংক্রমণের আকারে থাকে। সেই সংক্রমণ বাড়তে বাড়তেই রোগের আকার নেয়।

তবে একটি নতুন গবেষণা অনুসারে, এই সুপ্ত টিবি সংক্রমণ থেকে রোগ হতে পারে কি না তা বোঝা যাবে নতুন এক পরীক্ষায়। সেটি বোঝা গেলে নির্দিষ্ট সময় থেকেই রোগীর চিকিৎসা শুরু করতে পারবেন চিকিৎসকরা।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অ্যান্ড কেয়ার রিসার্চ, ইউনিভার্সিটি অফ লিসেস্টার এবং বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের গবেষকরা এই নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন।

এই গবেষণার প্রধান গবেষক প্রণবশীষ হালদার গণমাধ্যমকে বলেন, বর্তমানে বাজারে যেসব পরীক্ষা পাওয়া যায় সেগুলো মূলত ত্বক বা রক্ত পরীক্ষা।

এই পরীক্ষাটি বলতে পারবে কার টিবি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তবে যারা উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে এবং যারা কম ঝুঁকিতে রয়েছে তাদের মধ্যে পার্থক্য করা সম্ভব নয়। নতুন পদ্ধতিতে বুঝতে সাহায্য করবে কে বেশি ঝুঁকিতে আছে।

তার মতে, টিবি রোগের হার কমাতে টার্গেটেড চিকিৎসা বেশি প্রয়োজন। এবং কাদের রোগের ঝুঁকি বেশি তা জানা থাকলে কাদের চিকিৎসা প্রয়োজন তা বোঝা সহজ হয়।

সাধারণত পিইটি-সিটি ও রক্তপরীক্ষা করে টিবি রোগ শনাক্ত করা হয়। তবে এই নয়া পদ্ধতিতে অ্যাক্টিফাজ নামের একটি বিশেষ পরীক্ষা করা হয়েছে। অ্যাক্টিফাজ আসলে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়োফাজ অ্যাসে পরীক্ষা।

ব্যাকটেরিওফেজ ব্যাকটেরিয়াকেই খুঁজে খুঁজে বের করে এবং আক্রমণ করে। এটি টিবি ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ শনাক্ত করা সহজ করে তোলে। যা অন্য উপায়ে করা বেশ কঠিন।

টিবি রোগে আক্রান্তে কাদের ঝুঁকি বেশি?

আপডেট সময় : ০২:১৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি:

টিবি রোগের নাম শুনলেই সবাই ভয় পেয়ে যায়। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ টিউবারকিউলোসিস বা টিবিতে আক্রান্ত হয়। এমনকি এই রোগে মৃত্যুর সংখ্যাও বেশি।

তবে এই রোগ মোকাবেলায় নতুন লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। বিশ্বের দেশগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে টিবি রোগের প্রকোপ কমানোর লক্ষ্য নিয়েছে।

টিবি হলো ব্যাকটেরিয়াজনিত একটি রোগ। এই রোগের ব্যকটেরিয়া হলো মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস। প্রাথমিকভাবে টিবি রোগ ফুসফুসে একটি সংক্রমণের আকারে থাকে। সেই সংক্রমণ বাড়তে বাড়তেই রোগের আকার নেয়।

তবে একটি নতুন গবেষণা অনুসারে, এই সুপ্ত টিবি সংক্রমণ থেকে রোগ হতে পারে কি না তা বোঝা যাবে নতুন এক পরীক্ষায়। সেটি বোঝা গেলে নির্দিষ্ট সময় থেকেই রোগীর চিকিৎসা শুরু করতে পারবেন চিকিৎসকরা।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অ্যান্ড কেয়ার রিসার্চ, ইউনিভার্সিটি অফ লিসেস্টার এবং বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের গবেষকরা এই নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন।

এই গবেষণার প্রধান গবেষক প্রণবশীষ হালদার গণমাধ্যমকে বলেন, বর্তমানে বাজারে যেসব পরীক্ষা পাওয়া যায় সেগুলো মূলত ত্বক বা রক্ত পরীক্ষা।

এই পরীক্ষাটি বলতে পারবে কার টিবি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তবে যারা উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে এবং যারা কম ঝুঁকিতে রয়েছে তাদের মধ্যে পার্থক্য করা সম্ভব নয়। নতুন পদ্ধতিতে বুঝতে সাহায্য করবে কে বেশি ঝুঁকিতে আছে।

তার মতে, টিবি রোগের হার কমাতে টার্গেটেড চিকিৎসা বেশি প্রয়োজন। এবং কাদের রোগের ঝুঁকি বেশি তা জানা থাকলে কাদের চিকিৎসা প্রয়োজন তা বোঝা সহজ হয়।

সাধারণত পিইটি-সিটি ও রক্তপরীক্ষা করে টিবি রোগ শনাক্ত করা হয়। তবে এই নয়া পদ্ধতিতে অ্যাক্টিফাজ নামের একটি বিশেষ পরীক্ষা করা হয়েছে। অ্যাক্টিফাজ আসলে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়োফাজ অ্যাসে পরীক্ষা।

ব্যাকটেরিওফেজ ব্যাকটেরিয়াকেই খুঁজে খুঁজে বের করে এবং আক্রমণ করে। এটি টিবি ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ শনাক্ত করা সহজ করে তোলে। যা অন্য উপায়ে করা বেশ কঠিন।