ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ, বিশ্বকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ বার্তা Logo ডিজিটাল ব্যাংক চালুর সম্মতি পেল বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান Logo বেহেশতের টিকিট বিক্রিকারীরা আবার ফ্যাসিস্টদের সাথে হাত মিলিয়েছে Logo ​কুমিল্লায় ব্র্যাকের কর্মশালা অনুষ্ঠিত-প্রবাসে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’ জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা। Logo ভ্যান ছিনতাই করতে চালককে হত্যা, মরদেহে ইট বেঁধে ফেলা হয় নদীতে Logo কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল ব্র্যাকের নারী কর্মীর Logo ৫০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ১৩০ রোগী, মেঝে-বারান্দায় চিকিৎসা Logo নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন Flagship: helio110 Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই ১০ ঘর, নিঃস্ব ১৪ পরিবার Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার

জঙ্গি হামলায় দুই বিচারক হত্যার ১৮ বছর, চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্মরণসভা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৩১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৩ ২৬২ বার পঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
জঙ্গিরা এখনো সক্রিয়, তাদের অপতৎপরতা থেমে নেই। সুযোগ পেলেই তারা আঘাত করতে পারে। এ জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ঝালকাঠিতে জঙ্গি হামলায় নিহত জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ জগন্নাথ পাঁড়ে ও সোহেল আহম্মেদের ১৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। আজ বিকাল ৫টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জজ আদালত ভবনের মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করে জেলা বিচার বিভাগ।

সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহা. আদীব আলী এর সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোঃ রবিউল ইসলাম, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কুমার শিপন মোদক, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নির্মলেন্দু দাস, অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু তালেব, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি এ্যাড. এনামুল হক, জিপি মো. রজবুল হক, জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ভবসুন্দর পাল, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আফজাল মাহমুদ খাঁন প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর সকাল ৯টার দিকে সরকারি বাসা থেকে কর্মস্থলে যাবার পথে তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসে বোমা হামলা চালায় জেএমবি। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান বিচারক সিনিয়র সহকারী জজ শহীদ সোহেল আহম্মেদ এবং বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয় বিচারক সিনিয়র সহকারী জজ জগন্নাথ পাঁড়ের। এ সময় তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসটি বিধ্বস্ত হয়। আহত অবস্থায় ধরা পড়ে হামলাকারী জেএমবি সুইসাইড স্কোয়াডের সদস্য ইফতেখার হাসান আল মামুন।

এরপর জেএমবির শীর্ষ নেতারা আটক হয়। ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজা তারিক আহমেদ ২০০৬ সালের ২৯ মে সাতজনকে ফাঁসির আদেশ দেন। উচ্চ আদালতে সে রায় বহালের পর দেশের বিভিন্ন জেলখানায় ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ ৬ শীর্ষ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এরা হলেন- জেএমবি প্রধান শায়খ আবদুর রহমান, সেকেন্ড ইন কমান্ড সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলাভাই, সামরিক শাখাপ্রধান আতাউর রহমান সানি, উত্তরাঞ্চলীয় সমন্বয়কারী আবদুল আউয়াল, দক্ষিণাঞ্চলীয় সমন্বয়কারী খালেদ সাইফুল্লা ও বোমা হামলাকারী ইফতেখার হাসান আল মামুন। ২০১৬ সালের ১৬ অক্টোবর আরেক জঙ্গি আসাদুল ইসলাম আরিফের ফাঁসি কার্যকর করা হয় খুলনা কারাগারে।

জঙ্গি হামলায় দুই বিচারক হত্যার ১৮ বছর, চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্মরণসভা

আপডেট সময় : ০৭:৩১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৩

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
জঙ্গিরা এখনো সক্রিয়, তাদের অপতৎপরতা থেমে নেই। সুযোগ পেলেই তারা আঘাত করতে পারে। এ জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ঝালকাঠিতে জঙ্গি হামলায় নিহত জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ জগন্নাথ পাঁড়ে ও সোহেল আহম্মেদের ১৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। আজ বিকাল ৫টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জজ আদালত ভবনের মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করে জেলা বিচার বিভাগ।

সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহা. আদীব আলী এর সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোঃ রবিউল ইসলাম, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কুমার শিপন মোদক, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নির্মলেন্দু দাস, অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু তালেব, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি এ্যাড. এনামুল হক, জিপি মো. রজবুল হক, জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ভবসুন্দর পাল, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আফজাল মাহমুদ খাঁন প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর সকাল ৯টার দিকে সরকারি বাসা থেকে কর্মস্থলে যাবার পথে তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসে বোমা হামলা চালায় জেএমবি। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান বিচারক সিনিয়র সহকারী জজ শহীদ সোহেল আহম্মেদ এবং বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয় বিচারক সিনিয়র সহকারী জজ জগন্নাথ পাঁড়ের। এ সময় তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসটি বিধ্বস্ত হয়। আহত অবস্থায় ধরা পড়ে হামলাকারী জেএমবি সুইসাইড স্কোয়াডের সদস্য ইফতেখার হাসান আল মামুন।

এরপর জেএমবির শীর্ষ নেতারা আটক হয়। ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজা তারিক আহমেদ ২০০৬ সালের ২৯ মে সাতজনকে ফাঁসির আদেশ দেন। উচ্চ আদালতে সে রায় বহালের পর দেশের বিভিন্ন জেলখানায় ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ ৬ শীর্ষ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এরা হলেন- জেএমবি প্রধান শায়খ আবদুর রহমান, সেকেন্ড ইন কমান্ড সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলাভাই, সামরিক শাখাপ্রধান আতাউর রহমান সানি, উত্তরাঞ্চলীয় সমন্বয়কারী আবদুল আউয়াল, দক্ষিণাঞ্চলীয় সমন্বয়কারী খালেদ সাইফুল্লা ও বোমা হামলাকারী ইফতেখার হাসান আল মামুন। ২০১৬ সালের ১৬ অক্টোবর আরেক জঙ্গি আসাদুল ইসলাম আরিফের ফাঁসি কার্যকর করা হয় খুলনা কারাগারে।