ঘুম ভাঙ্গার সাথে সাথেই মাথার যন্ত্রণা কি কোনো কঠিন রোগের লক্ষণ?
- আপডেট সময় : ০২:৫০:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৩৭৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :
স্ট্রেস বা দীর্ঘক্ষণ সূর্যের সংস্পর্শে থাকলে মাথাব্যথা হতেই পারে। কিন্তু যদি মাথাব্যথার সাথে বমি, ভুলে যাওয়া এবং হঠাৎ করেই ব্ল্যাক আউটের মতো উপসর্গ দেখা যায়, তাহলে সতর্ক হওয়া উচিত। এই লক্ষণগুলি মস্তিষ্কের টিউমারের লক্ষণ হতে পারে।
ব্রেন টিউমার শব্দটা কানে এলে প্রায় সবাই ভয় পেয়ে যায়। কিন্তু সঠিক সময়ে ধরা পড়লে আধুনিক চিকিৎসার সাহায্যে ব্রেন টিউমার থেকে মুক্তি পাওয়া খুব একটা কঠিন নয়। কিন্তু টিউমার যদি ক্যানসারের পর্যায়ে পৌঁছায়, তাহলে চিন্তার বিষয়। তবে সেই রোগীর জন্য সাবধান হওয়া উচিত। তবে কোনো উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, জেনে নিন-
মাথায় প্রচন্ড ব্যাথা: এই রোগের অন্যতম লক্ষণ হল প্রচন্ড মাথা ব্যথা। টিউমারের ক্ষেত্রে মাথাব্যথার ধরন আলাদা। এই ক্ষেত্রে, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর রোগীর প্রচণ্ড মাথাব্যথা হয়।
শরীরে কাঁপুনি: জ্বর নেই কিন্তু শরীর কাঁপতে থাকে। কিছুক্ষণ পর যদিও স্বাভাবিক হয়ে যায়। এ ছাড়া মাথাব্যথার পাশাপাশি ক্রমাগত বমি বমি ভাব এবং খেতে অনীহা থাকতে পারে।
স্মৃতিশক্তি হ্রাস: আপনি যদি হঠাৎ কোনো ঘটনা মনে করতে না পারেন বা হঠাৎ কিছুক্ষণ আগে যা ঘটেছিল তা ভুলে যেতে শুরু করলে সতর্ক থাকুন। কারণ ব্রেন টিউমার স্মৃতিশক্তি লোপ পায়। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনাও মনে পড়তে চায় না।
ঘুম ঘুম ভাব: সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব বা ঘুম পেলে সাবধান হতে হবে। ব্রেন টিউমার হলে এই লক্ষণগুলো দেখা দেয়। যেকোনো কাজ করতে আবার অলসতা চলে আসে।
দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া: কিছু উপসর্গ মস্তিষ্কের কোন অংশে টিউমার রয়েছে তার উপরও নির্ভর করে। সেরিব্রামের টেম্পোরাল লোবে একটি টিউমার দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে।
হাত-পা নড়াচড়ায় সমস্যা: হাত-পা নাড়াতে অসুবিধা। হাঁটার সময় ভারসাম্য বজায় থাকে না। চিন্তাভাবনা এবং কথা বলার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব থাকতে পারে।
এছাড়া হাত দিয়ে কোনো কিছু শক্ত করে ধরে রাখা কঠিন। হাতের শক্তি কমে যায়। এমনকি খাবার গিলতে ও খেতে অসুবিধা হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ঘ্রাণশক্তিও লোপ পায়।
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, পুষ্টিকর খাবার এবং নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে ব্রেন টিউমার প্রতিরোধ করা যায়। মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের অতিরিক্ত ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
রেডিয়েশনের বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে। আর উপরোক্ত উপসর্গগুলো দেখা দিলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।


























