খেলাপি ঋণ কমলেও প্রভিশনে উল্টো চিত্র!
- আপডেট সময় : ০২:০৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৩ ৩৬৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
ব্যাংকিং খাতে প্রভিশন ঘাটতি বেড়েছে। সেপ্টেম্বর শেষে প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। চলতি বছরের জুনে ঘাটতি ছিল ২১ হাজার ৪৬৪ কোটি টাকা। তিন মাসে বেড়েছে ৩ হাজার ৮০৭ কোটি টাকা।
খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন সাধারণত সংরক্ষিত থাকে। খেলাপি ঋণ কমলে বা বাড়লে প্রভিশন হ্রাস বা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে উল্টো।
তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা। তিন মাস আগে জুন প্রান্তিকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৯ কোটি টাকা। তবে খেলাপি ঋণ কমার সঙ্গে প্রভিশন ঘাটতি না কমে বেড়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ ক্যাটাগরির ঋণের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে পরিচালন মুনাফার ০.৫ থেকে ৫ শতাংশ প্রভিশন হিসেবে রাখতে হয়।
এ ছাড়া ব্যাড অ্যান্ড লস বা কু-ঋণ, ডাউটফুল বা সন্দেহজনক ঋণ এবং সাব-স্ট্যান্ডার্ড বা প্রাথমিক মানের খেলাপি ঋণের বিপরীতে যথাক্রমে শতভাগ, ৫০ শতাংশ ও ২০ শতাংশ করে হারে প্রভিশন সংরক্ষণ করা হয়।
আর্থিক খাতের অভ্যন্তরীণ ব্যক্তিরা বলছেন যে পুনঃতফসিলিকরণ বৃদ্ধির সাথে সাথে মুনাফা থেকে প্রভিশন সংরক্ষণের প্রয়োজন থাকলেও কিছু ব্যাংক তা করতে পারেনি। বরং কিছু ব্যাংকের খেলাপির হার বেড়েছে এবং প্রভিশন ঘাটতির হারও বেড়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত দুটি ব্যাংক ও একটি বেসরকারি ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকিং খাতে প্রভিশন ঘাটতির এ ঘটনা ঘটেছে।




















