একটানা কাশি: সাধারণ ঠান্ডা নাকি কোনো বিপজ্জনক রোগ!
- আপডেট সময় : ০৩:০৩:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৪ ৫৪২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
শীতে সবারই একদম নাজেহাল অবস্থা। এসময়ে কমবেশি সবাই জ্বর, সর্দি-কাশিতে ভুগছে। জ্বর কমছে কিন্তু সর্দি ভালো হচ্ছে না, গলা ব্যথা ভালো হচ্ছে কিন্তু কাশি থামছে না। শীতের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে কাশির সমস্যা।
আর এই কাশিকে স্বাভাবিক ভেবে অনেকেই ভুল করেন। শুধু সিরাপ খেলেই যে কাশির সমস্যা ঠিক হয়ে যায় এ ধারণা আসলে ভুল। আর কাশি যে শুধু ঠান্ডা লাগলেই হয় তা কিন্তু নয়।
কাশি গলার সংক্রমণ, পেটের সমস্যা, দীর্ঘস্থায়ী রোগের লক্ষণও হতে পারে। তাই কাশির সমস্যাকে একেবারেই অবহেলা করবেন না। আসুন জেনে নিই কাশি হলে কোন কোন লক্ষণে নজর দেবেন-
বর্ণহীন কফ: কাশির সঙ্গে যদি কফ আসে তাহলে ধারণা করা হয় ভেতরে জ্বর আছে। সেক্ষেত্রে কফের রং অনেক সময় হলুদ বা ফ্যাকাশে হয়। কিন্তু যদি ক্রমাগত কাশির সঙ্গে কফ আসতে থাকে এবং কফের কোনো রং না থাকে, তাহলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা জরুরি। এটি প্রায়ই ঘটে যখন হার্টের সমস্যা থাকে।
কাশির সঙ্গে রক্ত: কাশির সঙ্গে রক্ত পড়লে অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। কাশির সাথে রক্ত পড়া স্বাভাবিক নয়। এটি ফুসফুসের ক্যান্সার, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস বা সিওপিডির লক্ষণ। তাই এই সমস্যাটিকে হালকাভাবে নেবেন না।
শ্বাস নিতে কষ্ট: ক্রমাগত কাশির ফলে শ্বাসকষ্ট হয়। আর এই সমস্যা গুরুতর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আসলে, কাশি এবং শ্বাসকষ্টের পিছনে গ্যাস্ট্রিক, অ্যাজমা এবং অ্যালার্জির সমস্যা থাকতে পারে। তাই নিজে চিকিৎসা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
দুই সপ্তাহ ধরে কাশি: সর্দি বা কাশি হলে তা ৪-৫ দিনের বেশি স্থায়ী হয় না। তবে যদি কাশি ২-৪ সপ্তাহের জন্য বন্ধ না হয়, তখন বিষটি গুরুতরভাবে দেখা উচিত। এটি গলায় কোনো সংক্রমণের কারণেও হতে পারে।


























