ঢাকা ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বৃহৎ পরিসরের এআই কম্পিউটিংয়ের জন্য অ্যাটলাস ৯৬০ই সুপারপড উন্মোচন করল হুয়াওয়ে Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানায় অভিযোগ করায় বাদী পক্ষের ওপর ফের হামলা, ভাঙচুর লুটপাট, আহত ৪ Logo মিউজিক্যাল নাইট নিয়ে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ প্রেজেন্টস ‘ম্যাক্স রিপাবলিক’ Logo চেয়ারম্যানের নির্দেশে সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করার অভিযোগ, বাদীই বলছেন ‘চিনি না’ Logo অবাধ নৌচলাচলে হরমুজ প্রণালিতে যৌথভাবে কাজ করবে ভারত-ফ্রান্স Logo বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না: তানজিন তিশা Logo ছয় মাসের জন্য গাড়ি চালানোর নিষেধাজ্ঞায় সালাহ Logo ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন আসাদ আলম সিয়াম Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়কে আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন Logo বিশ্বের প্রথম কেইজ ফ্রেম ডিজাইন করা স্মার্টফোন নিয়ে বাজারে এলো আইটেল পাওয়ার ৮০

আমদানির অনুমোদন পাওয়া পণ্যগুলো ভালোভাবে এলে কিছুটা সাশ্রয় হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০২৩ ২৪৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আমদানির অনুমোদন পাওয়া পণ্য ভালো অবস্থায় এলে কিছুটা সাশ্রয় হবে। বুধবার (৮ নভেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় ট্যারিফ পলিসি মনিটরিং অ্যান্ড রিভিউ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ার পর, আপনারা আমদানি করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু বাজার মনিটরিং করার কারণে আগে থেকেই তো জানেন, তাহলে সিদ্ধান্তটা আগে নেন না কেন, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আপনি সাংবাদিক, যথেষ্ট বুদ্ধিমান। যেমন ধরেন, আলু আমদানি করতে হলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুমতি লাগে। আমরা যে দুই মাস আগে আলু আমদানির অনুমতি দিয়েছি, তখন তাদের অনুমতি নিয়েছি। তারাও এটা চিন্তা করে। একইভাবে ডিমের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হয়। যদি পেছনের সমর্থন না পাই, তাহলে আমরা অনেক সময় করতে পারি না। সংকট যখন প্রকট হয়ে যায়, তখন তারা মেনে নেন, কিন্তু তখন আবার অনেক দেরি হয়ে যায়।

আলু ও ডিম ছাড়াও সারা বছরই বাজারে অস্বস্তি থেকেই যাচ্ছে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরবরাহ যদি ভালো থাকে, তাহলে সমস্যা হয় না। আবার আলু যদি অতিরিক্ত থেকে যায়, তখন প্রশ্ন করা হয়, কৃষকরা আলুর দাম পাচ্ছেন না, আপনি কী ব্যবস্থা করেছেন? দুই ভাবেই সমস্যা। উৎপাদন যাতে বাড়ে, সেই প্রচারটা করেন।

সবকিছুর দাম বাড়ার প্রেক্ষাপটে জনগণের জন্য বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে কোনো সুখবর আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটা হলো আমাদের দেশের উৎপাদন, আরেকটি আমদানি করে আনা। বিভিন্ন জিনিসের বিভিন্ন রকম অবস্থা। পেঁয়াজের দাম কবে কমবে? এটা আমরা সবাই বুঝি যে যখন নতুন পেঁয়াজ বাজারে উঠবে, কৃষক যখন ফসল ঘরে তুলবে। হয়ত আগামী মাসে মুড়িকাটা পেঁয়াজটা বাজারে উঠবে, তখন হয়ত পেঁয়াজের দাম কমবে। আবার আলু যেমন ডিসেম্বরের শেষের দিকে বাজারে উঠতে শুরু করবে, তখন দাম কমবে। এখন এটা গেলো নিজেদের উৎপাদনের বিষয়। আবার যখন আমরা তেল ও চিনির কথা বলি, তখন আন্তর্জাতিক বাজারে কী দাম আছে, সেটার ওপর নির্ভর করে। প্রেক্ষাপট অনুযায়ী দাম বাড়বে বা কমবে। পেঁয়াজের কথা বলি, আমাদের যা প্রয়োজন, তার চেয়ে ২০ শতাংশ ঘাটতি আছে। এটা আমরা আমদানি করে পূরণ করি, যার ৯০ শতাংশই আসে ভারত থেকে। সেখানেও দাম বেড়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে ভারতীয় বাজারে ৮০ রুপি প্রতি কেজি পেঁয়াজ, যা আমাদের টাকায় ১০৫ বা ১১০ টাকা করে। গতকাল দেখলাম, ওরা ২৫ রুপি ভর্তুকি দরে মানুষকে দিতে শুরু করেছে। আমাদের পেঁয়াজ প্রায় শেষ। যে কারণে পেঁয়াজের দামটা অনেকখানি নির্ভর করে আমাদের নিজস্ব উৎপাদনের ওপরে। পাশাপাশি, পেঁয়াজের ন্যূনতম দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে ভারত, ৮০০ ডলার। যেটা আমাদের টাকায় প্রতি কেজি প্রায় ৯৫ টাকা পড়ে। সেটার নিচে ওরা রপ্তানি করতে পারবে না। ওই টাকায় আমরা আমদানি করলে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১২০ কিংবা ১২৫ টাকা পড়ে যাবে। এখন আমাদের নিজেদের উৎপাদনের ওপর নির্ভর করতে হবে।

আমদানির অনুমোদন পাওয়া পণ্যগুলো ভালোভাবে এলে কিছুটা সাশ্রয় হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আমদানির অনুমোদন পাওয়া পণ্য ভালো অবস্থায় এলে কিছুটা সাশ্রয় হবে। বুধবার (৮ নভেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় ট্যারিফ পলিসি মনিটরিং অ্যান্ড রিভিউ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ার পর, আপনারা আমদানি করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু বাজার মনিটরিং করার কারণে আগে থেকেই তো জানেন, তাহলে সিদ্ধান্তটা আগে নেন না কেন, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আপনি সাংবাদিক, যথেষ্ট বুদ্ধিমান। যেমন ধরেন, আলু আমদানি করতে হলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুমতি লাগে। আমরা যে দুই মাস আগে আলু আমদানির অনুমতি দিয়েছি, তখন তাদের অনুমতি নিয়েছি। তারাও এটা চিন্তা করে। একইভাবে ডিমের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হয়। যদি পেছনের সমর্থন না পাই, তাহলে আমরা অনেক সময় করতে পারি না। সংকট যখন প্রকট হয়ে যায়, তখন তারা মেনে নেন, কিন্তু তখন আবার অনেক দেরি হয়ে যায়।

আলু ও ডিম ছাড়াও সারা বছরই বাজারে অস্বস্তি থেকেই যাচ্ছে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরবরাহ যদি ভালো থাকে, তাহলে সমস্যা হয় না। আবার আলু যদি অতিরিক্ত থেকে যায়, তখন প্রশ্ন করা হয়, কৃষকরা আলুর দাম পাচ্ছেন না, আপনি কী ব্যবস্থা করেছেন? দুই ভাবেই সমস্যা। উৎপাদন যাতে বাড়ে, সেই প্রচারটা করেন।

সবকিছুর দাম বাড়ার প্রেক্ষাপটে জনগণের জন্য বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে কোনো সুখবর আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটা হলো আমাদের দেশের উৎপাদন, আরেকটি আমদানি করে আনা। বিভিন্ন জিনিসের বিভিন্ন রকম অবস্থা। পেঁয়াজের দাম কবে কমবে? এটা আমরা সবাই বুঝি যে যখন নতুন পেঁয়াজ বাজারে উঠবে, কৃষক যখন ফসল ঘরে তুলবে। হয়ত আগামী মাসে মুড়িকাটা পেঁয়াজটা বাজারে উঠবে, তখন হয়ত পেঁয়াজের দাম কমবে। আবার আলু যেমন ডিসেম্বরের শেষের দিকে বাজারে উঠতে শুরু করবে, তখন দাম কমবে। এখন এটা গেলো নিজেদের উৎপাদনের বিষয়। আবার যখন আমরা তেল ও চিনির কথা বলি, তখন আন্তর্জাতিক বাজারে কী দাম আছে, সেটার ওপর নির্ভর করে। প্রেক্ষাপট অনুযায়ী দাম বাড়বে বা কমবে। পেঁয়াজের কথা বলি, আমাদের যা প্রয়োজন, তার চেয়ে ২০ শতাংশ ঘাটতি আছে। এটা আমরা আমদানি করে পূরণ করি, যার ৯০ শতাংশই আসে ভারত থেকে। সেখানেও দাম বেড়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে ভারতীয় বাজারে ৮০ রুপি প্রতি কেজি পেঁয়াজ, যা আমাদের টাকায় ১০৫ বা ১১০ টাকা করে। গতকাল দেখলাম, ওরা ২৫ রুপি ভর্তুকি দরে মানুষকে দিতে শুরু করেছে। আমাদের পেঁয়াজ প্রায় শেষ। যে কারণে পেঁয়াজের দামটা অনেকখানি নির্ভর করে আমাদের নিজস্ব উৎপাদনের ওপরে। পাশাপাশি, পেঁয়াজের ন্যূনতম দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে ভারত, ৮০০ ডলার। যেটা আমাদের টাকায় প্রতি কেজি প্রায় ৯৫ টাকা পড়ে। সেটার নিচে ওরা রপ্তানি করতে পারবে না। ওই টাকায় আমরা আমদানি করলে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১২০ কিংবা ১২৫ টাকা পড়ে যাবে। এখন আমাদের নিজেদের উৎপাদনের ওপর নির্ভর করতে হবে।