ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী

শীতকালের অতিরিক্ত ঘুম আপনার জীবনে বয়ে আনতে পারে বিপদ!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:২৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪ ৩৯৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সুস্থ থাকার জন্য যেমন স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস জরুরি, তেমনি পর্যাপ্ত ঘুমও জরুরি। আর শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম। বয়স এবং শারীরিক কার্যকলাপের উপর নির্ভর করে প্রত্যেকের ৭-৯ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন। তবে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ঘুম স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়।

শুধু শীতকাল নয়, যে কোনো সময়ই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ঘুমানো উচিত নয়। না হলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ-

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়: গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত ঘুম ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কম ঘুমালে বা বেশিক্ষণ ঘুমালে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। অতএব, আপনি যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে চান তবে আপনাকে প্রথমে স্বাভাবিক ঘুমের চক্র অনুসরণ করতে হবে।

স্থূলতা: গবেষণা দেখায় যে কম ঘুম এবং বেশি ঘুম উভয়ই চর্বি বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। যারা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঘুমান, অর্থাৎ প্রতি রাতে ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুমান তাদেরও মোটা হওয়ার ঝুঁকি বেশি। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত ঘুমের কারণে আরও অনেক রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। ঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজনের বেশি ঘুমানো ঠিক নয়।

হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়: অতিরিক্ত ঘুম হৃদরোগেরও কারণ হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে মহিলারা প্রতিদিনই দিনের বেলা ঘুমান তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বিষণ্নতা: অতিরিক্ত ঘুম হতাশার লক্ষণ হতে পারে। অতিরিক্ত ঘুম হতাশার সমস্যাকে আরও খারাপ করে তুলতে পারে। বিষণ্নতা যে কোনো বয়সেই হতে পারে। শুধু বড়রা নয় শিশুরাও এর শিকার হচ্ছে। ঘুমের সময় কম ঘুম, বেশি ঘুম, বা অস্থিরতা লক্ষ্য করলে সতর্ক থাকুন।

ক্লান্তি এবং আলসেমি বৃদ্ধি পায়: আপনি যদি রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমান এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠেন তাহলে আপনার শরীর বা মন সতেজ বোধ করে। অতিরিক্ত ঘুমিয়ে বেলায় উঠলে আলস্য লাগে, ক্লান্তবোধ হয়, শরীরে চনমনে ভাব থাকে না। কোনো কাজেও উৎসাহ পাওয়া যায় না।

শীতকালের অতিরিক্ত ঘুম আপনার জীবনে বয়ে আনতে পারে বিপদ!

আপডেট সময় : ০২:২৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সুস্থ থাকার জন্য যেমন স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস জরুরি, তেমনি পর্যাপ্ত ঘুমও জরুরি। আর শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম। বয়স এবং শারীরিক কার্যকলাপের উপর নির্ভর করে প্রত্যেকের ৭-৯ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন। তবে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ঘুম স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়।

শুধু শীতকাল নয়, যে কোনো সময়ই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ঘুমানো উচিত নয়। না হলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ-

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়: গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত ঘুম ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কম ঘুমালে বা বেশিক্ষণ ঘুমালে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। অতএব, আপনি যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে চান তবে আপনাকে প্রথমে স্বাভাবিক ঘুমের চক্র অনুসরণ করতে হবে।

স্থূলতা: গবেষণা দেখায় যে কম ঘুম এবং বেশি ঘুম উভয়ই চর্বি বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। যারা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঘুমান, অর্থাৎ প্রতি রাতে ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুমান তাদেরও মোটা হওয়ার ঝুঁকি বেশি। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত ঘুমের কারণে আরও অনেক রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। ঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজনের বেশি ঘুমানো ঠিক নয়।

হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়: অতিরিক্ত ঘুম হৃদরোগেরও কারণ হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে মহিলারা প্রতিদিনই দিনের বেলা ঘুমান তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বিষণ্নতা: অতিরিক্ত ঘুম হতাশার লক্ষণ হতে পারে। অতিরিক্ত ঘুম হতাশার সমস্যাকে আরও খারাপ করে তুলতে পারে। বিষণ্নতা যে কোনো বয়সেই হতে পারে। শুধু বড়রা নয় শিশুরাও এর শিকার হচ্ছে। ঘুমের সময় কম ঘুম, বেশি ঘুম, বা অস্থিরতা লক্ষ্য করলে সতর্ক থাকুন।

ক্লান্তি এবং আলসেমি বৃদ্ধি পায়: আপনি যদি রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমান এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠেন তাহলে আপনার শরীর বা মন সতেজ বোধ করে। অতিরিক্ত ঘুমিয়ে বেলায় উঠলে আলস্য লাগে, ক্লান্তবোধ হয়, শরীরে চনমনে ভাব থাকে না। কোনো কাজেও উৎসাহ পাওয়া যায় না।