রমজানের শুরুতেও তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন গাজাবাসী!
- আপডেট সময় : ০৫:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মার্চ ২০২৪ ২৩১ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
গাজায় শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান মাস। কিন্তু সেখানে মানবিক সংকট আরও বেশি তীব্র হয়েছে। গাজার বিভিন্ন অংশে মানবিক সহায়তা বাড়ানো দরকার। কিন্তু গাজাবাসী যে পরিমাণ সাহায্য পাচ্ছেন তা যথেষ্ট নয়। খাবারের জন্য গাজার বাসিন্দারা মরিয়া হয়ে উঠছে। গাজা উপত্যকার বাসিন্দারা তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ইসরায়েলি বাহিনী সেখানে কোনো মানবিক সহায়তা প্রবেশ করতে দিচ্ছে না।
ইসরায়েলি হামলার পরের পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনি জনগণকে সহায়তার ক্ষেত্রে কোনো উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। পবিত্র এই রমজানের শুরুতেও ভয় ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বাসিন্দারা। গাজাজুড়ে এখনও হামলা অব্যাহত রেখেছে দখলদার বাহিনী। আলোর মুখ দেখেনি যুদ্ধবিরতি চুক্তিও।
অপুষ্টি ও পানিশূন্যতার কারণে উত্তর গাজায় এ পর্যন্ত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৭ অক্টোবর থেকে চালানো হামলায় ৩১ হাজার ৪৫ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে এবং আহত হয়েছে ৭২ হাজার ৬৫৪ জন।
রমজান মাসের আগে এক বার্তায় হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়াহ গাজার ওপর নৃশংস যুদ্ধ বন্ধ করতে ইসরাইল ও তার মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু পবিত্র রমজান মাসেও ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে হামলা বন্ধের কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
এছাড়া রমজান মাসেও ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ করতে দেয় না। রোববার চাঁদ দেখা যাওয়ায় সোমবার (১১ মার্চ) থেকে রোজা পালন করছেন ফিলিস্তিনিরা। কিন্তু রোববার সন্ধ্যায় তারাবির নামাজের জন্য হাজার হাজার ফিলিস্তিনি আল-আকসায় প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। ওয়াফা নিউজ এজেন্সি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
সারা বিশ্বের মুসলমানরা তারাবির নামাজ আদায় করে রোজা রাখার প্রস্তুতি নেয়। কিন্তু দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনিদের নামাজ পড়ার অধিকারও কেড়ে নিয়েছে।
এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী ফিলিস্তিনি পুরুষ ও ফিলিস্তিনি নারীদের আল-আকসায় প্রবেশে বাধা দিয়েছে। সেখানে শুধুমাত্র ৪০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিরা নামাজ আদায় করতে পারবেন।
গত কয়েক মাস ধরে ইসরায়েলি বাহিনী মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসা মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এদিকে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি বাহিনী অভিযান চালিয়েছে বলে জানা গেছে। তুলকারেম, বালাতা ক্যাম্প, নাবলুসের পূর্বাঞ্চলে অভিযান পরিচালনা করা হয়।


















