ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ, বিশ্বকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ বার্তা Logo ডিজিটাল ব্যাংক চালুর সম্মতি পেল বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান Logo বেহেশতের টিকিট বিক্রিকারীরা আবার ফ্যাসিস্টদের সাথে হাত মিলিয়েছে Logo ​কুমিল্লায় ব্র্যাকের কর্মশালা অনুষ্ঠিত-প্রবাসে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’ জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা। Logo ভ্যান ছিনতাই করতে চালককে হত্যা, মরদেহে ইট বেঁধে ফেলা হয় নদীতে Logo কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল ব্র্যাকের নারী কর্মীর Logo ৫০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ১৩০ রোগী, মেঝে-বারান্দায় চিকিৎসা Logo নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন Flagship: helio110 Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই ১০ ঘর, নিঃস্ব ১৪ পরিবার Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার

পরকীয়া সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা, আদালতে দায় স্বীকার

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:১৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ৯৪৬ বার পঠিত
সানজিদা খাতুন, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদা বদনপুর গ্রামের কলেজ ছাত্র মাসুদ হাসান রঞ্জু (২৩) হত্যার মূল রহস্য উন্মোচন ও হত্যার ঘটনায় জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরকীয়া প্রেম জেনে যাওয়া ও বাধা হয়ে দাঁড়ানোয় তাকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে আদালতে স্বীকার করেছে আসামিরা।মঙ্গলবার (১৮ ডিসেম্বর) সন্ধায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।গ্রেফতারকৃতরা হলেন- দামুড়হুদা বদনপুর গ্রামের মৃত নুর ইসলামের ছেলে হুমায়ূন কবির (৪০) ও একই গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী শাহানাজ সুলতানা (২৭)
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা জানান, গত রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সেচ দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন রঞ্জু। দুপুর গড়িয়ে গেলেও বাড়ি না ফেরায় তার পিতা বিকেলে খাবার নিয়ে ভুট্টা ক্ষেতে যান। ছেলেকে না পেয়ে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি। সন্ধ্যা নামার পরও রঞ্জুর খোঁজ না মেলায় পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তল্লাশি শুরু করেন এবং একপর্যায়ে ভুট্টা ক্ষেতে রক্তাক্ত অবস্থায় রঞ্জুর মরদেহ খুঁজে পান।পরদিন নিহত রঞ্জুর পিতা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশের একাধিক টিম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনে মাঠে নামে এবং রাত সাড়ে ১২টার দিকে সন্দেহভাজন হুমায়ুন কবিরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
জিজ্ঞাসাবাদে হুমায়ুন কবির হত্যার দায় স্বীকার করেন। তিনি জানান, একই গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী শাহানাজ সুলতানার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রঞ্জু শাহানাজের মেয়েকে প্রাইভেট পড়াতে যেতেন এবং তাদের সম্পর্কের কথা জেনে স্থানীয়দের জানান। বিষয়টি জানার পর শাহানাজ, হুমায়ুনকে রঞ্জুকে হত্যার প্রস্তাব দেন এবং হুমায়ুন তা মেনে নেন। গত রোববার সকালে ভুট্টা ক্ষেতে সেচ দেওয়ার সময় পরিকল্পনামাফিক রঞ্জুর মাথায় কোদাল দিয়ে আঘাত করেন এবং নিশ্চিত মৃত্যুর জন্য আরও দুটি কোপ দেন। হত্যার পর কোদাল ক্যানেলে ফেলে বাড়ি ফিরে যান।আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন হুমায়ুন কবির।
ট্যাগস :

পরকীয়া সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা, আদালতে দায় স্বীকার

আপডেট সময় : ০৯:১৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
সানজিদা খাতুন, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদা বদনপুর গ্রামের কলেজ ছাত্র মাসুদ হাসান রঞ্জু (২৩) হত্যার মূল রহস্য উন্মোচন ও হত্যার ঘটনায় জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরকীয়া প্রেম জেনে যাওয়া ও বাধা হয়ে দাঁড়ানোয় তাকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে আদালতে স্বীকার করেছে আসামিরা।মঙ্গলবার (১৮ ডিসেম্বর) সন্ধায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।গ্রেফতারকৃতরা হলেন- দামুড়হুদা বদনপুর গ্রামের মৃত নুর ইসলামের ছেলে হুমায়ূন কবির (৪০) ও একই গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী শাহানাজ সুলতানা (২৭)
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা জানান, গত রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সেচ দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন রঞ্জু। দুপুর গড়িয়ে গেলেও বাড়ি না ফেরায় তার পিতা বিকেলে খাবার নিয়ে ভুট্টা ক্ষেতে যান। ছেলেকে না পেয়ে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি। সন্ধ্যা নামার পরও রঞ্জুর খোঁজ না মেলায় পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তল্লাশি শুরু করেন এবং একপর্যায়ে ভুট্টা ক্ষেতে রক্তাক্ত অবস্থায় রঞ্জুর মরদেহ খুঁজে পান।পরদিন নিহত রঞ্জুর পিতা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশের একাধিক টিম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনে মাঠে নামে এবং রাত সাড়ে ১২টার দিকে সন্দেহভাজন হুমায়ুন কবিরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
জিজ্ঞাসাবাদে হুমায়ুন কবির হত্যার দায় স্বীকার করেন। তিনি জানান, একই গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী শাহানাজ সুলতানার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রঞ্জু শাহানাজের মেয়েকে প্রাইভেট পড়াতে যেতেন এবং তাদের সম্পর্কের কথা জেনে স্থানীয়দের জানান। বিষয়টি জানার পর শাহানাজ, হুমায়ুনকে রঞ্জুকে হত্যার প্রস্তাব দেন এবং হুমায়ুন তা মেনে নেন। গত রোববার সকালে ভুট্টা ক্ষেতে সেচ দেওয়ার সময় পরিকল্পনামাফিক রঞ্জুর মাথায় কোদাল দিয়ে আঘাত করেন এবং নিশ্চিত মৃত্যুর জন্য আরও দুটি কোপ দেন। হত্যার পর কোদাল ক্যানেলে ফেলে বাড়ি ফিরে যান।আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন হুমায়ুন কবির।