ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গাজীপুরে জিয়াউর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন Logo গাজীপুরে বহুতল ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় বিদায় নিলেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশিদ Logo সাবেক এমপি হারুন আল রশিদের মৃত্যুতে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শোক  Logo বেনজীরকে ফেরাতে সব নথি পাঠানো হয়েছে, দ্রুত প্রত্যর্পণের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo একটি কোম্পানির মাধ্যমে সকল রুটে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী Logo বটতলায় জমজমাট ফাইনাল: চ্যাম্পিয়ান ভাতকাঠি একতা ফাউন্ডেশন। Logo সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের মাঝে বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ Logo অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল শিশুর Logo জনগণের ভালোবাসা বড় শক্তি, নিরাপত্তা কড়াকড়ি যেন দূরত্ব তৈরি না করে: প্রধানমন্ত্রী

এই গরমে বাড়ছে জলবসন্তের সংক্রমণ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৩ ২২৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গরমের সঙ্গে সঙ্গে অস্বস্তিকর পরিবেশে বা শুষ্ক আবহাওয়ায় ভ্যারিসেলা জোস্টার ভাইরাসের আক্রমণ একটু বেশি হয়। চিকেন পক্স একটি ছোঁয়াচে রোগ। সংক্রমণ বাতাসের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। চিকেন পক্স হলে শরীরে যে গুটিগুটি দেখা যায়, তরল পদার্থ ভরা ওই র‌্যাশগুলি প্রচণ্ড চুলকায়, শরীর ব্যথা হয় এবং অনেক সময় জ্বরও আসে। অনেক সময় মুখ এবং মুখগহ্বরে ঘা তৈরি হয়। তাই এই রোগে আক্রান্ত হলে রোগীকে বেশ কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।

তারা বলেন, নারী-পুরুষ সবাই এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তবে শিশুদের মধ্যে এই ঘটনার হার কিছুটা বেশি। বিশেষ করে, ১০ বছরের কম বয়সী। গর্ভবতী মহিলা, বয়স্ক ব্যক্তি এবং নবজাতকের ক্ষেত্রে এই রোগ মারাত্মক হতে পারে।

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা.সামিনা চৌধুরী বলেন, গর্ভাবস্থায় মায়ের চিকেন পক্স হলে গর্ভবতী শিশুর জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি বেড়ে যায়। আর এই রোগ যদি প্রসবের এক সপ্তাহের মধ্যে দেখা দেয়, তাহলে আরও বিপদের আশঙ্কা থাকে।

শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আল-আমিন মৃধা বলেন, চিকেন পক্স ছোট-বড় সবারই হতে পারে। তবে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হয়। এই অস্বস্তি এক সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ধরে থাকে। প্রথমে সামান্য জ্বর হতে পারে, তারপরে ফোসকা, চুলকানি হতে পারে। ফোস্কা শুকিয়ে গেলে মরা চামড়া উঠে আসে।
চিকেন পক্স হলে করণীয় সম্পর্কে চিকিৎসকরা বলেন, ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকলে ভাইরাসজনিত রোগের কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। সাধারণত একটু সচেতন হলেই কয়েকদিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। কিন্তু ত্বকের দাগ অনেকদিন থাকতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা করে রাখতে হবে। আক্রান্ত শিশুদের কোনো বিশেষ ওষুধের প্রয়োজন হয় না। এটি প্রতিরোধ করার জন্য ভ্যাকসিন পাওয়া যায়। শিশুকে টিকা দিতে হবে। কেউ একবার চিকেন পক্সে আক্রান্ত হলে তাদের ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হয় না।

এই গরমে বাড়ছে জলবসন্তের সংক্রমণ

আপডেট সময় : ০২:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গরমের সঙ্গে সঙ্গে অস্বস্তিকর পরিবেশে বা শুষ্ক আবহাওয়ায় ভ্যারিসেলা জোস্টার ভাইরাসের আক্রমণ একটু বেশি হয়। চিকেন পক্স একটি ছোঁয়াচে রোগ। সংক্রমণ বাতাসের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। চিকেন পক্স হলে শরীরে যে গুটিগুটি দেখা যায়, তরল পদার্থ ভরা ওই র‌্যাশগুলি প্রচণ্ড চুলকায়, শরীর ব্যথা হয় এবং অনেক সময় জ্বরও আসে। অনেক সময় মুখ এবং মুখগহ্বরে ঘা তৈরি হয়। তাই এই রোগে আক্রান্ত হলে রোগীকে বেশ কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।

তারা বলেন, নারী-পুরুষ সবাই এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তবে শিশুদের মধ্যে এই ঘটনার হার কিছুটা বেশি। বিশেষ করে, ১০ বছরের কম বয়সী। গর্ভবতী মহিলা, বয়স্ক ব্যক্তি এবং নবজাতকের ক্ষেত্রে এই রোগ মারাত্মক হতে পারে।

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা.সামিনা চৌধুরী বলেন, গর্ভাবস্থায় মায়ের চিকেন পক্স হলে গর্ভবতী শিশুর জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি বেড়ে যায়। আর এই রোগ যদি প্রসবের এক সপ্তাহের মধ্যে দেখা দেয়, তাহলে আরও বিপদের আশঙ্কা থাকে।

শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আল-আমিন মৃধা বলেন, চিকেন পক্স ছোট-বড় সবারই হতে পারে। তবে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হয়। এই অস্বস্তি এক সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ধরে থাকে। প্রথমে সামান্য জ্বর হতে পারে, তারপরে ফোসকা, চুলকানি হতে পারে। ফোস্কা শুকিয়ে গেলে মরা চামড়া উঠে আসে।
চিকেন পক্স হলে করণীয় সম্পর্কে চিকিৎসকরা বলেন, ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকলে ভাইরাসজনিত রোগের কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। সাধারণত একটু সচেতন হলেই কয়েকদিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। কিন্তু ত্বকের দাগ অনেকদিন থাকতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা করে রাখতে হবে। আক্রান্ত শিশুদের কোনো বিশেষ ওষুধের প্রয়োজন হয় না। এটি প্রতিরোধ করার জন্য ভ্যাকসিন পাওয়া যায়। শিশুকে টিকা দিতে হবে। কেউ একবার চিকেন পক্সে আক্রান্ত হলে তাদের ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হয় না।