ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেন নির্মাণ : সড়ক ও রেলপথ মন্ত্রী৷ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস গ্যাসের নতুন কুপ খননের উদ্বোধন Logo পপুলার লাইফের খুলনা অঞ্চলের বীমা গ্রাহকের বীমা দাবীর ৩ কোটি ১৭ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর Logo রাজাপুরের উত্তমপুর বাজারে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের উদ্যোগ দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবের আশায় ব্যবসায়ীরা Logo ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অনারের রোবট ফোন Logo ইরান যুদ্ধে নিহত সেনাদের সংখ্যা গোপন করেছে যুক্তরাষ্ট্র Logo বলিউডে রাজত্ব করেছেন এক যুগ, কিন্তু ভালোবেসেছেন বাংলাকে Logo বিবর্ণ মিরাজ, হেটমায়ারের সেঞ্চুরির পরও গায়ানার বিদায় Logo দুপুরের মধ্যেই প্রকাশ হতে পারে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন, বেতন নিয়ে যা জানা গেল Logo লংমার্চের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির, নজরও রাখছে

শরীরে পানিশূণ্যতার অভাবেও হতে পারে স্ট্রোক!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৫:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১০০৮ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

ইস্কেমিক স্ট্রোক হল সবচেয়ে সাধারণ ধরনের স্ট্রোক, যে স্ট্রোকের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। হৃৎপিণ্ড থেকে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালিত হয়। কিন্তু মস্তিষ্কের দিকে যাওয়া ধমনীতে বাধা থাকলে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মস্তিষ্কে রক্ত যেতে পারে না। মস্তিষ্কের কোষ অক্সিজেন পায় না। এর ফলে একজন ব্যক্তির প্যারালাইসিস হয়ে যায়। একেই বলে স্ট্রোক।

আপনি জেনে অবাক হবেন যে ডিহাইড্রেশনের কারণেও স্ট্রোক হতে পারে। এই বিষয়ে, ব্যাঙ্গালোরের ফোর্টিস হাসপাতালের নিউরোলজিস্ট গুরুপ্রসাদ হাসুরকার আইএএনএসকে বলেন যে শরীরে পানির অভাব স্ট্রোকের সাথে জড়িত নয়।

তবে পানির অভাবে শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন ঘটে। আর সেই পরিবর্তনের কারণে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের পরিমাণ পরিবর্তিত হয়। এর ফলে স্ট্রোক হতে পারে। তবে ধমনী স্ট্রোকের পরিবর্তে সেরিব্রাল ভেনাস স্ট্রোক হয়।

স্ট্রোকের জন্য বেশ কিছু কারণও দায়ী। কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, শরীর পানিশূন্য হলে রক্ত ঘন হয়ে যায়। রক্ত ঘন হয়ে গেলে ধীরে ধীরে চলে। ফলে রক্তচাপও কমে যায়। রক্তচাপ কমে গেলে মস্তিষ্কে ঠিকমতো রক্ত পৌঁছায় না। ফলে মস্তিষ্কের সমস্যা হতে পারে।

এ ছাড়া শরীরে পানি কমে গেলে তা মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে। মস্তিষ্কের রক্তনালীগুলো সংকুচিত হয়ে রক্ত প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে মস্তিষ্কের বেশ কিছু অংশে অক্সিজেন কমে যায়। যা স্ট্রোকের একটি বড় কারণ। ডিহাইড্রেশন এই দৃষ্টিকোণ থেকে শরীরকেও প্রভাবিত করতে পারে।

ডিহাইড্রেশনের লক্ষণগুলি হল-

১. মাথাব্যথা
২. রক্তচাপ কমে যাওয়া
৩. ইউরিন ইনফেকশন
৪. কোষ্ঠকাঠিন্য
৫. দুর্বলতা
৬. শুষ্ক ত্বক
৭. জয়েন্টগুলোতে ব্যথা
৮. ওজন বৃদ্ধি
৯. কিডনি ফেইলিউর ইত্যাদি।

ডিহাইড্রেশন ঝুঁকি কমাবেন যেভাবে-

আপনি যদি ডিহাইড্রেশনের বিভিন্ন লক্ষণ যেমন- শুষ্ক মুখ, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা ও তৃষ্ণার্ত হওয়া অনুভব করেন তাহলে বারবার অল্প অল্প করে পানি পান করুন।

এ ছাড়া দিনে পর্যাপ্ত তরল পান করা উচিত যাতে আপনার প্রস্রাবের রং পরিষ্কার থাকে। বমি বা অতিরিক্ত ঘাম বা ডায়রিয়া হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এছাড়াও বেশি করে তরল খাবার যেমন স্যুপ, তাজা ফলের রস পান করুন।

শরীরে পানিশূণ্যতার অভাবেও হতে পারে স্ট্রোক!

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি :

ইস্কেমিক স্ট্রোক হল সবচেয়ে সাধারণ ধরনের স্ট্রোক, যে স্ট্রোকের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। হৃৎপিণ্ড থেকে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালিত হয়। কিন্তু মস্তিষ্কের দিকে যাওয়া ধমনীতে বাধা থাকলে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মস্তিষ্কে রক্ত যেতে পারে না। মস্তিষ্কের কোষ অক্সিজেন পায় না। এর ফলে একজন ব্যক্তির প্যারালাইসিস হয়ে যায়। একেই বলে স্ট্রোক।

আপনি জেনে অবাক হবেন যে ডিহাইড্রেশনের কারণেও স্ট্রোক হতে পারে। এই বিষয়ে, ব্যাঙ্গালোরের ফোর্টিস হাসপাতালের নিউরোলজিস্ট গুরুপ্রসাদ হাসুরকার আইএএনএসকে বলেন যে শরীরে পানির অভাব স্ট্রোকের সাথে জড়িত নয়।

তবে পানির অভাবে শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন ঘটে। আর সেই পরিবর্তনের কারণে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের পরিমাণ পরিবর্তিত হয়। এর ফলে স্ট্রোক হতে পারে। তবে ধমনী স্ট্রোকের পরিবর্তে সেরিব্রাল ভেনাস স্ট্রোক হয়।

স্ট্রোকের জন্য বেশ কিছু কারণও দায়ী। কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, শরীর পানিশূন্য হলে রক্ত ঘন হয়ে যায়। রক্ত ঘন হয়ে গেলে ধীরে ধীরে চলে। ফলে রক্তচাপও কমে যায়। রক্তচাপ কমে গেলে মস্তিষ্কে ঠিকমতো রক্ত পৌঁছায় না। ফলে মস্তিষ্কের সমস্যা হতে পারে।

এ ছাড়া শরীরে পানি কমে গেলে তা মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে। মস্তিষ্কের রক্তনালীগুলো সংকুচিত হয়ে রক্ত প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে মস্তিষ্কের বেশ কিছু অংশে অক্সিজেন কমে যায়। যা স্ট্রোকের একটি বড় কারণ। ডিহাইড্রেশন এই দৃষ্টিকোণ থেকে শরীরকেও প্রভাবিত করতে পারে।

ডিহাইড্রেশনের লক্ষণগুলি হল-

১. মাথাব্যথা
২. রক্তচাপ কমে যাওয়া
৩. ইউরিন ইনফেকশন
৪. কোষ্ঠকাঠিন্য
৫. দুর্বলতা
৬. শুষ্ক ত্বক
৭. জয়েন্টগুলোতে ব্যথা
৮. ওজন বৃদ্ধি
৯. কিডনি ফেইলিউর ইত্যাদি।

ডিহাইড্রেশন ঝুঁকি কমাবেন যেভাবে-

আপনি যদি ডিহাইড্রেশনের বিভিন্ন লক্ষণ যেমন- শুষ্ক মুখ, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা ও তৃষ্ণার্ত হওয়া অনুভব করেন তাহলে বারবার অল্প অল্প করে পানি পান করুন।

এ ছাড়া দিনে পর্যাপ্ত তরল পান করা উচিত যাতে আপনার প্রস্রাবের রং পরিষ্কার থাকে। বমি বা অতিরিক্ত ঘাম বা ডায়রিয়া হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এছাড়াও বেশি করে তরল খাবার যেমন স্যুপ, তাজা ফলের রস পান করুন।