ঢাকা ০১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জাসদ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার ২৭ জনের জামিন নাকচ Logo এসএসসির খাতা মূল্যায়নে ‘দুর্বলতা’, শিক্ষকদের জবাবদিহিতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী Logo বাংলাদেশের বাজারে হাইফিউচার ব্রান্ডের ফ্লেক্সক্লিপ প্রিমিয়াম ক্লিপ ইয়ারবাডস Logo বাঁধ মেরামতের অর্থে ম্যুরাল নির্মাণের অভিযোগ পাউবোর প্রকৌশলী প্রবীরের বিরুদ্ধে Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় পানশালায় বন্দুক হামলা, নিহত ১৭ Logo নতুন বুটে ইনজুরিতে পড়তে পারেন এমবাপ্পে, আগেই সতর্ক করেছিলেন ফিজিও Logo অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে: সাদিয়া আয়মান Logo চাঁদাবাজির ‘ঢালাও’ অভিযোগ করেছে সালমান, মামলা করলে তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ফেসবুক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী মিথ্যাচার চালাচ্ছে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূর সাড়ে-৯ ভরি স্বর্ণ আত্মসাত-২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও এসআই সোহেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রতিবেদনের অভিযোগ

ইসরায়েল-হামাস সংঘাত: স্বাস্থ্যঝুঁকিতে গাজার ৫০ হাজার অন্তঃসত্ত্বা নারী !

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:০০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩ ৩৪০ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইসরায়েল-হামাস সংঘাতের কারণে গাজার ৫০,০০০ অন্তঃসত্ত্বা নারী স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন। এমনকি তারা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাও পাচ্ছেন না।

জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) অনুসারে, গাজার গর্ভবতী মহিলারা তাদের প্রয়োজনীয় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পেতে লড়াই করছেন। এর মধ্যে আগামী মাসে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার নারী সন্তান প্রসব করবেন। তাদের জন্য এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে।

ইউএনএফপিএর ফিলিস্তিনি প্রতিনিধি ডোমিনিক অ্যালেন বলেন, একবার কল্পনা করুন যে, এই প্রক্রিয়াটির মধ্য দিয়ে যাওয়া বিশেষ করে সন্তান জন্ম দেওয়ার আগের সময়গুলো, সম্ভাব্য জটিলতা, প্রয়োজনীয় পোশাক না থাকা, স্বাস্থ্যবিধির অভাব তাদের এবং তাদের অনাগত সন্তানের জন্য কেমন হবে? এমনকি এসব নারী সন্তান জন্মদানের পর তাদের এবং নবজাতকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়গুলোও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। কারণ গাজার হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়ছে। এর মধ্যেই সেখানকার হাসপাতালগুলোতে জ্বালানি ফুরিয়ে আসছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

উল্লেখিত যে গাজার বিভিন্ন হাসপাতালে যে পরিমাণ জ্বালানী পাওয়া যায় তা কেবল ২৪ ঘন্টা পরিষেবা দিতে পারে। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের হামলার পর গত রোববার থেকে গাজায় ‘সর্বাত্মক অবরোধ’ আরোপ করেছে ইসরায়েল। সেই সময়ে, দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট ঘোষণা করেছিলেন যে গাজার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার পাশাপাশি, কোনও খাদ্য বা জ্বালানী ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। যেহেতু সার্বিক অবরোধ আরোপ করা হয়েছিল, জেনারেটরই ছিল একমাত্র ভরসা।

কিন্তু জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় তাদের ওয়েবসাইটে সতর্ক করেছে যে জেনারেটর বন্ধ হয়ে গেলে হাজার হাজার রোগীর জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। সম্প্রতি জ্বালানি ও পানিসহ মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য গাজায় প্রবেশের জন্য বেশ কয়েকটি সাহায্য সংস্থাকে আহ্বান জানানোর পর জাতিসংঘও এ বিষয়ে সতর্ক করেছে।

ইসরায়েল-হামাস সংঘাত: স্বাস্থ্যঝুঁকিতে গাজার ৫০ হাজার অন্তঃসত্ত্বা নারী !

আপডেট সময় : ০২:০০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইসরায়েল-হামাস সংঘাতের কারণে গাজার ৫০,০০০ অন্তঃসত্ত্বা নারী স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন। এমনকি তারা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাও পাচ্ছেন না।

জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) অনুসারে, গাজার গর্ভবতী মহিলারা তাদের প্রয়োজনীয় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পেতে লড়াই করছেন। এর মধ্যে আগামী মাসে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার নারী সন্তান প্রসব করবেন। তাদের জন্য এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে।

ইউএনএফপিএর ফিলিস্তিনি প্রতিনিধি ডোমিনিক অ্যালেন বলেন, একবার কল্পনা করুন যে, এই প্রক্রিয়াটির মধ্য দিয়ে যাওয়া বিশেষ করে সন্তান জন্ম দেওয়ার আগের সময়গুলো, সম্ভাব্য জটিলতা, প্রয়োজনীয় পোশাক না থাকা, স্বাস্থ্যবিধির অভাব তাদের এবং তাদের অনাগত সন্তানের জন্য কেমন হবে? এমনকি এসব নারী সন্তান জন্মদানের পর তাদের এবং নবজাতকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়গুলোও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। কারণ গাজার হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়ছে। এর মধ্যেই সেখানকার হাসপাতালগুলোতে জ্বালানি ফুরিয়ে আসছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

উল্লেখিত যে গাজার বিভিন্ন হাসপাতালে যে পরিমাণ জ্বালানী পাওয়া যায় তা কেবল ২৪ ঘন্টা পরিষেবা দিতে পারে। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের হামলার পর গত রোববার থেকে গাজায় ‘সর্বাত্মক অবরোধ’ আরোপ করেছে ইসরায়েল। সেই সময়ে, দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট ঘোষণা করেছিলেন যে গাজার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার পাশাপাশি, কোনও খাদ্য বা জ্বালানী ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। যেহেতু সার্বিক অবরোধ আরোপ করা হয়েছিল, জেনারেটরই ছিল একমাত্র ভরসা।

কিন্তু জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় তাদের ওয়েবসাইটে সতর্ক করেছে যে জেনারেটর বন্ধ হয়ে গেলে হাজার হাজার রোগীর জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। সম্প্রতি জ্বালানি ও পানিসহ মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য গাজায় প্রবেশের জন্য বেশ কয়েকটি সাহায্য সংস্থাকে আহ্বান জানানোর পর জাতিসংঘও এ বিষয়ে সতর্ক করেছে।