ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সহজ অর্থায়নে স্বপ্নের গাড়ি, ইউসিবি-বিওয়াইডির নতুন যাত্রা শুরু Logo ডিউরাবিলিটি আর এআইয়ের নতুন কম্বিনেশনে এলো টেকনো স্পার্ক ৫০সি Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় “গ্রাম আদালত কার্যক্রম” সম্পর্কে গণসচেতনতা তৈরীতে সমন্বয় সভা Logo প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান-পদায়নে সুখবর Logo ৬০ লাখ ডলারে গয়না লুটের মামলায় মাত্র ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ পেলেন কিম কার্দাশিয়ান Logo ভেজা আউটফিল্ডে ম্যাচ পরিত্যক্ত, না খেলেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ Logo পরাজয় ঢাকতে হলিউডি সিনেমার মতো গল্প তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্র: আইআরজিসি Logo ফার্নিচারসহ ব্যয়বহুল পণ্য আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ Logo ৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা Logo রাজাপুরে রফিকুল ইসলাম জামালকে গণসংবর্ধনা

স্কুল শিক্ষার্থী হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী ১১ বছর পর গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৫২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১৯৫ বার পঠিত

পিরোজপুর প্রতিনিধি :

পিরোজপুরে চাঞ্চল্যকর স্কুল শিক্ষার্থী সাদমান সাকিব প্রিন্স হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামী নাজমুল হাসান নাইম কে ১১ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যেমে দারাজ অনলাইনে একটি পন্য অর্ডার করার তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পালাতক আসামী নাজমুল হাসান নাইম কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ দুপুরে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস কনফারেন্সে এ তথ্য সাংবাদিকদের জানান পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম-পিপিএম।

গ্রেপ্তার আসামী নাজমুল হাসান নাইম (৩০) পিরোজপুরে জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার দক্ষিণ ইন্দুরকানী এলাকার শফিকুল আলম হাওলাদারের পুত্র।

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম জানান, ২০১৩ সালের ৩০ আগষ্ট পিরোজপুর শহরের আর্দশপাড়া এলাকার জাকির হেসেন সদার লিটনের পুত্র ১০ম শ্রেণীর ছাত্র সাদমান সাকিব প্রিন্স নিখোঁজ হয়। পরে এ বিষয়ে ছাত্র প্রিন্সের বাবা পিরোজপুর সদর থানায় একটি জিডি করেন। ঘটনার পরের দিন পিরোজপুর শহরস্থ সিআইপাড়া রায়ের পুকুর পাড়ের ছাত্র প্রিন্সের লাশ ভেসে ওঠে। পরে পিরোজপুর সদর থানায় নিহত প্রিন্সের বাবা ৮ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলার দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার শেষে ২০১৭ সালে বিচারক এজাহার নামীয় ২ জন আসামী নাফিজ হাসান নাহিদ ও নাজমুল হাসান নাইমকে মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রদান করেন।

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম আরো জানান, ঘটনার পর থেকেই আসামী নাজমুল হাসান নাইম পলাতক ছিলো। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার সময় আসামী নাইম বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে আরমান আর শুভ নাম ব্যবহার করে আসছিলো। কিন্তু ইন্দুরকানী পুলিশ একটি প্রতারণার মামলার তদন্ত করতে গিয়ে জানতে পারে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পালাতক আসামী নাইম নিজের নাম গোপন করে আরমান নাম ব্যবহার করে প্রতারণা করেছে। পরে আসামী ও তার মায়ের নামের ১৯ টি সিমে ব্যবহার করতো। এর মাঝে একটি সিম থেকে দারাজ অনলাইনে পন্য অর্ডার দিলে পুলিশ সেই ঠিকানা সংগ্রহ করে ঢাকার ক্যান্টারমেন্ট থানাধীন মানিকদি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

স্কুল শিক্ষার্থী হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী ১১ বছর পর গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৭:৫২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পিরোজপুর প্রতিনিধি :

পিরোজপুরে চাঞ্চল্যকর স্কুল শিক্ষার্থী সাদমান সাকিব প্রিন্স হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামী নাজমুল হাসান নাইম কে ১১ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যেমে দারাজ অনলাইনে একটি পন্য অর্ডার করার তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পালাতক আসামী নাজমুল হাসান নাইম কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ দুপুরে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস কনফারেন্সে এ তথ্য সাংবাদিকদের জানান পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম-পিপিএম।

গ্রেপ্তার আসামী নাজমুল হাসান নাইম (৩০) পিরোজপুরে জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার দক্ষিণ ইন্দুরকানী এলাকার শফিকুল আলম হাওলাদারের পুত্র।

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম জানান, ২০১৩ সালের ৩০ আগষ্ট পিরোজপুর শহরের আর্দশপাড়া এলাকার জাকির হেসেন সদার লিটনের পুত্র ১০ম শ্রেণীর ছাত্র সাদমান সাকিব প্রিন্স নিখোঁজ হয়। পরে এ বিষয়ে ছাত্র প্রিন্সের বাবা পিরোজপুর সদর থানায় একটি জিডি করেন। ঘটনার পরের দিন পিরোজপুর শহরস্থ সিআইপাড়া রায়ের পুকুর পাড়ের ছাত্র প্রিন্সের লাশ ভেসে ওঠে। পরে পিরোজপুর সদর থানায় নিহত প্রিন্সের বাবা ৮ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলার দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার শেষে ২০১৭ সালে বিচারক এজাহার নামীয় ২ জন আসামী নাফিজ হাসান নাহিদ ও নাজমুল হাসান নাইমকে মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রদান করেন।

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম আরো জানান, ঘটনার পর থেকেই আসামী নাজমুল হাসান নাইম পলাতক ছিলো। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার সময় আসামী নাইম বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে আরমান আর শুভ নাম ব্যবহার করে আসছিলো। কিন্তু ইন্দুরকানী পুলিশ একটি প্রতারণার মামলার তদন্ত করতে গিয়ে জানতে পারে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পালাতক আসামী নাইম নিজের নাম গোপন করে আরমান নাম ব্যবহার করে প্রতারণা করেছে। পরে আসামী ও তার মায়ের নামের ১৯ টি সিমে ব্যবহার করতো। এর মাঝে একটি সিম থেকে দারাজ অনলাইনে পন্য অর্ডার দিলে পুলিশ সেই ঠিকানা সংগ্রহ করে ঢাকার ক্যান্টারমেন্ট থানাধীন মানিকদি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।