ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী

স্কুল শিক্ষার্থী হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী ১১ বছর পর গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৫২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২০৬ বার পঠিত

পিরোজপুর প্রতিনিধি :

পিরোজপুরে চাঞ্চল্যকর স্কুল শিক্ষার্থী সাদমান সাকিব প্রিন্স হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামী নাজমুল হাসান নাইম কে ১১ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যেমে দারাজ অনলাইনে একটি পন্য অর্ডার করার তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পালাতক আসামী নাজমুল হাসান নাইম কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ দুপুরে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস কনফারেন্সে এ তথ্য সাংবাদিকদের জানান পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম-পিপিএম।

গ্রেপ্তার আসামী নাজমুল হাসান নাইম (৩০) পিরোজপুরে জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার দক্ষিণ ইন্দুরকানী এলাকার শফিকুল আলম হাওলাদারের পুত্র।

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম জানান, ২০১৩ সালের ৩০ আগষ্ট পিরোজপুর শহরের আর্দশপাড়া এলাকার জাকির হেসেন সদার লিটনের পুত্র ১০ম শ্রেণীর ছাত্র সাদমান সাকিব প্রিন্স নিখোঁজ হয়। পরে এ বিষয়ে ছাত্র প্রিন্সের বাবা পিরোজপুর সদর থানায় একটি জিডি করেন। ঘটনার পরের দিন পিরোজপুর শহরস্থ সিআইপাড়া রায়ের পুকুর পাড়ের ছাত্র প্রিন্সের লাশ ভেসে ওঠে। পরে পিরোজপুর সদর থানায় নিহত প্রিন্সের বাবা ৮ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলার দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার শেষে ২০১৭ সালে বিচারক এজাহার নামীয় ২ জন আসামী নাফিজ হাসান নাহিদ ও নাজমুল হাসান নাইমকে মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রদান করেন।

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম আরো জানান, ঘটনার পর থেকেই আসামী নাজমুল হাসান নাইম পলাতক ছিলো। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার সময় আসামী নাইম বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে আরমান আর শুভ নাম ব্যবহার করে আসছিলো। কিন্তু ইন্দুরকানী পুলিশ একটি প্রতারণার মামলার তদন্ত করতে গিয়ে জানতে পারে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পালাতক আসামী নাইম নিজের নাম গোপন করে আরমান নাম ব্যবহার করে প্রতারণা করেছে। পরে আসামী ও তার মায়ের নামের ১৯ টি সিমে ব্যবহার করতো। এর মাঝে একটি সিম থেকে দারাজ অনলাইনে পন্য অর্ডার দিলে পুলিশ সেই ঠিকানা সংগ্রহ করে ঢাকার ক্যান্টারমেন্ট থানাধীন মানিকদি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

স্কুল শিক্ষার্থী হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী ১১ বছর পর গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৭:৫২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পিরোজপুর প্রতিনিধি :

পিরোজপুরে চাঞ্চল্যকর স্কুল শিক্ষার্থী সাদমান সাকিব প্রিন্স হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামী নাজমুল হাসান নাইম কে ১১ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যেমে দারাজ অনলাইনে একটি পন্য অর্ডার করার তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পালাতক আসামী নাজমুল হাসান নাইম কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ দুপুরে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস কনফারেন্সে এ তথ্য সাংবাদিকদের জানান পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম-পিপিএম।

গ্রেপ্তার আসামী নাজমুল হাসান নাইম (৩০) পিরোজপুরে জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার দক্ষিণ ইন্দুরকানী এলাকার শফিকুল আলম হাওলাদারের পুত্র।

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম জানান, ২০১৩ সালের ৩০ আগষ্ট পিরোজপুর শহরের আর্দশপাড়া এলাকার জাকির হেসেন সদার লিটনের পুত্র ১০ম শ্রেণীর ছাত্র সাদমান সাকিব প্রিন্স নিখোঁজ হয়। পরে এ বিষয়ে ছাত্র প্রিন্সের বাবা পিরোজপুর সদর থানায় একটি জিডি করেন। ঘটনার পরের দিন পিরোজপুর শহরস্থ সিআইপাড়া রায়ের পুকুর পাড়ের ছাত্র প্রিন্সের লাশ ভেসে ওঠে। পরে পিরোজপুর সদর থানায় নিহত প্রিন্সের বাবা ৮ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলার দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার শেষে ২০১৭ সালে বিচারক এজাহার নামীয় ২ জন আসামী নাফিজ হাসান নাহিদ ও নাজমুল হাসান নাইমকে মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রদান করেন।

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম আরো জানান, ঘটনার পর থেকেই আসামী নাজমুল হাসান নাইম পলাতক ছিলো। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার সময় আসামী নাইম বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে আরমান আর শুভ নাম ব্যবহার করে আসছিলো। কিন্তু ইন্দুরকানী পুলিশ একটি প্রতারণার মামলার তদন্ত করতে গিয়ে জানতে পারে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পালাতক আসামী নাইম নিজের নাম গোপন করে আরমান নাম ব্যবহার করে প্রতারণা করেছে। পরে আসামী ও তার মায়ের নামের ১৯ টি সিমে ব্যবহার করতো। এর মাঝে একটি সিম থেকে দারাজ অনলাইনে পন্য অর্ডার দিলে পুলিশ সেই ঠিকানা সংগ্রহ করে ঢাকার ক্যান্টারমেন্ট থানাধীন মানিকদি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।