ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ, বিশ্বকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ বার্তা Logo ডিজিটাল ব্যাংক চালুর সম্মতি পেল বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান Logo বেহেশতের টিকিট বিক্রিকারীরা আবার ফ্যাসিস্টদের সাথে হাত মিলিয়েছে Logo ​কুমিল্লায় ব্র্যাকের কর্মশালা অনুষ্ঠিত-প্রবাসে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’ জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা। Logo ভ্যান ছিনতাই করতে চালককে হত্যা, মরদেহে ইট বেঁধে ফেলা হয় নদীতে Logo কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল ব্র্যাকের নারী কর্মীর Logo ৫০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ১৩০ রোগী, মেঝে-বারান্দায় চিকিৎসা Logo নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন Flagship: helio110 Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই ১০ ঘর, নিঃস্ব ১৪ পরিবার Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার

ভার্চুয়াল বাজারে বাড়তি পোশাক রপ্তানিতে প্রয়োজন আন্তর্জাতিক মানের ই-কমার্স প্ল্যাটফরম

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ ২২৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

২০২৭ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং আফ্রিকার ভার্চুয়াল বাজারে বাড়তি প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের সামনে। কিন্তু এ সুযোগ কাজে লাগাতে হলে একটি আন্তর্জাতিক মানের ই-কমার্স প্লাটফর্ম তৈরি করতে হবে।

পোশাক খাতের জন্য ভার্চুয়াল মার্কেটপ্লেস প্ল্যাটফর্ম স্থাপনের সম্ভাব্যতা অধ্যয়ন থেকে এই ধরনের তথ্য উঠে এসেছে। গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) পক্ষ থেকে বেসরকারি সংস্থা লাইটক্যাসল পার্টনার্স এই গবেষণাটি করেছে। ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) পার্টনারশিপ ফর ক্লিনার টেক্সটাইল (প্যাক্ট টু) প্রোগ্রাম দ্বারা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, বাংলাদেশের পোশাক চার দশক ধরে সফলভাবে কাজ করছে কিন্তু নিজস্ব ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা সেটা পরিবর্তন করতে চাই। আমরা আমাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আমাদের জন্য একটি কৌশলগত এন্ট্রি পয়েন্ট হতে পারে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে এই গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন লাইটক্যাসল পার্টনারসের কর্মকর্তা দীপা সুলতানা। তিনি বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং আফ্রিকায় তৈরি পোশাকের ভার্চুয়াল বাজার ৩০,৮০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে। এবং ২০২৭ সালের মধ্যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে পোশাক বিক্রির এক-তৃতীয়াংশ অনলাইনে চলে যাবে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৭ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ভার্চুয়াল পোশাকের বাজারের মাত্র দশমিক ২০ শতাংশ, ইইউর দশমিক ১০ শতাংশ এবং আফ্রিকার দশমিক ৭৫ শতাংশ হিস্যা নিতে পারলেই ৪৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার মূল্যের অতিরিক্ত তৈরি পোশাক রপ্তানি করা সম্ভব। যা ডলারের বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী ৫ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকার মতো। লাইটক্যাসলের প্রতিবেদনে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ব্যবসা থেকে ব্যবসা (বিটুবি) এবং ব্যবসা থেকে ভোক্তা এই দুই ক্ষেত্রে সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, ভার্চুয়াল মাধ্যমে ব্যবসা সম্প্রসারণের ফলে নতুন বাজার ও ক্রেতার সন্ধান মিলবে। তাতে ব্যবসার পরিমাণ বাড়বে।

ফারুক হাসান আরও বলেন, বিদায়ি বছরে (২০২৩) আমাদের পোশাক রপ্তানি পৌঁছেছে ৪ হাজার ৭৩৮ মিলিয়ন ডলারে। আগের বছর বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে আমাদের অংশ ছিল ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ। আশা করছি, ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা এই অংশটি ১২ শতাংশে নিয়ে যেতে পারব। এর জন্য, নতুন সুযোগ তৈরি করা এবং তাদের কাজে লাগাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

লোহিত সাগরে পণ্যবাহী জাহাজে হামলা পোশাক রপ্তানিতে কতটা প্রভাব ফেলেছে জানতে চাইলে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আগের চেয়ে পণ্য পরিবহনে বেশি সময় লাগছে। জাহাজ ভাড়া বেড়েছে। এতে ভোগান্তি বেড়েছে। আমাদের বেশিরভাগ পোশাক রপ্তানি হয় ফ্রেইট অন বোর্ড বা এফওবি-তে। এই প্রক্রিয়ায় বিদেশি ক্রেতারা জাহাজের সনদ পরিশোধ করে। ফলে তাদের ওপরই চাপ বেশি পড়ছে।

ভার্চুয়াল বাজারে বাড়তি পোশাক রপ্তানিতে প্রয়োজন আন্তর্জাতিক মানের ই-কমার্স প্ল্যাটফরম

আপডেট সময় : ০১:৫২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি:

২০২৭ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং আফ্রিকার ভার্চুয়াল বাজারে বাড়তি প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের সামনে। কিন্তু এ সুযোগ কাজে লাগাতে হলে একটি আন্তর্জাতিক মানের ই-কমার্স প্লাটফর্ম তৈরি করতে হবে।

পোশাক খাতের জন্য ভার্চুয়াল মার্কেটপ্লেস প্ল্যাটফর্ম স্থাপনের সম্ভাব্যতা অধ্যয়ন থেকে এই ধরনের তথ্য উঠে এসেছে। গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) পক্ষ থেকে বেসরকারি সংস্থা লাইটক্যাসল পার্টনার্স এই গবেষণাটি করেছে। ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) পার্টনারশিপ ফর ক্লিনার টেক্সটাইল (প্যাক্ট টু) প্রোগ্রাম দ্বারা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, বাংলাদেশের পোশাক চার দশক ধরে সফলভাবে কাজ করছে কিন্তু নিজস্ব ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা সেটা পরিবর্তন করতে চাই। আমরা আমাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আমাদের জন্য একটি কৌশলগত এন্ট্রি পয়েন্ট হতে পারে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে এই গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন লাইটক্যাসল পার্টনারসের কর্মকর্তা দীপা সুলতানা। তিনি বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং আফ্রিকায় তৈরি পোশাকের ভার্চুয়াল বাজার ৩০,৮০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে। এবং ২০২৭ সালের মধ্যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে পোশাক বিক্রির এক-তৃতীয়াংশ অনলাইনে চলে যাবে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৭ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ভার্চুয়াল পোশাকের বাজারের মাত্র দশমিক ২০ শতাংশ, ইইউর দশমিক ১০ শতাংশ এবং আফ্রিকার দশমিক ৭৫ শতাংশ হিস্যা নিতে পারলেই ৪৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার মূল্যের অতিরিক্ত তৈরি পোশাক রপ্তানি করা সম্ভব। যা ডলারের বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী ৫ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকার মতো। লাইটক্যাসলের প্রতিবেদনে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ব্যবসা থেকে ব্যবসা (বিটুবি) এবং ব্যবসা থেকে ভোক্তা এই দুই ক্ষেত্রে সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, ভার্চুয়াল মাধ্যমে ব্যবসা সম্প্রসারণের ফলে নতুন বাজার ও ক্রেতার সন্ধান মিলবে। তাতে ব্যবসার পরিমাণ বাড়বে।

ফারুক হাসান আরও বলেন, বিদায়ি বছরে (২০২৩) আমাদের পোশাক রপ্তানি পৌঁছেছে ৪ হাজার ৭৩৮ মিলিয়ন ডলারে। আগের বছর বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে আমাদের অংশ ছিল ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ। আশা করছি, ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা এই অংশটি ১২ শতাংশে নিয়ে যেতে পারব। এর জন্য, নতুন সুযোগ তৈরি করা এবং তাদের কাজে লাগাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

লোহিত সাগরে পণ্যবাহী জাহাজে হামলা পোশাক রপ্তানিতে কতটা প্রভাব ফেলেছে জানতে চাইলে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আগের চেয়ে পণ্য পরিবহনে বেশি সময় লাগছে। জাহাজ ভাড়া বেড়েছে। এতে ভোগান্তি বেড়েছে। আমাদের বেশিরভাগ পোশাক রপ্তানি হয় ফ্রেইট অন বোর্ড বা এফওবি-তে। এই প্রক্রিয়ায় বিদেশি ক্রেতারা জাহাজের সনদ পরিশোধ করে। ফলে তাদের ওপরই চাপ বেশি পড়ছে।