বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে গাজা:জাতিসংঘ
- আপডেট সময় : ০৪:২০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৪ ৩০০ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান মার্টিন গ্রিফিথস বলেছেন, অক্টোবরে হামাসের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েলি বাহিনীর বোমাবর্ষণের পর গাজা সম্পূর্ণ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ইসরায়েলের সীমান্তে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়। এরপর গাজায় পাল্টা হামলা চালায় ইসরাইল। গত তিন মাসে গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ২২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে। এদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।
গ্রিফিথস এক বিবৃতিতে বলেছেন যে ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে গত তিন মাসে গাজা একটি মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। চারিদিকে হতাশা ছাড়া কিছুই নেই।
তিনি বলেন, গাজার সব জায়গাই এখন বসবাসের অযোগ্য। সেখানকার সাধারণ মানুষ বেঁচে থাকার জন্য প্রতিদিন নানা হুমকির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে বিশ্ব শুধু এই দৃশ্য বসে বসে দেখছে।
মানবাধিকার সংস্থার প্রধান কর্মকর্তা বলেন, ২০ লাখেরও বেশি মানুষকে সহায়তার এক জটিল দায়িত্ব তাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকার অধিকাংশ এলাকা ইতিমধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিস, রাফাহ এবং মধ্য গাজার কিছু অংশে রাতভর বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, গাজার দুটি স্থানে রাতভর হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এসব হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা বার্তা সংস্থা জানিয়েছে যে শনিবার সকালে মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহর আল হাকার এলাকায় এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসের আল মানারা এলাকায় দুটি বাড়িতে বিমান হামলা চালানো হয়।
বেশ কয়েকটি স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে ওয়াফা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খান ইউনিসের আল মানারায় একটি বাড়িতে ইসরায়েলি সেনারা হামলা চালায়। এতে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। এদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। হামলায় আহতদের খান ইউনিসের ইউরোপিয়ান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
অন্যদিকে, গাজার দেইর আল-বালাহ শহরের একটি বাড়িতে ইসরায়েলি হামলায় আরও তিনজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল থেকে মধ্য গাজায় ধারাবাহিক হামলায় ৩৫ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৬০ জন। এর আগে শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) গাজার নুসাইরাত, মাগাজি ও বুরেজ শরণার্থী শিবিরসহ বেশ কয়েকটি স্থানে হানা দেয় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী।


















