ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জাসদ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার ২৭ জনের জামিন নাকচ Logo এসএসসির খাতা মূল্যায়নে ‘দুর্বলতা’, শিক্ষকদের জবাবদিহিতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী Logo বাংলাদেশের বাজারে হাইফিউচার ব্রান্ডের ফ্লেক্সক্লিপ প্রিমিয়াম ক্লিপ ইয়ারবাডস Logo বাঁধ মেরামতের অর্থে ম্যুরাল নির্মাণের অভিযোগ পাউবোর প্রকৌশলী প্রবীরের বিরুদ্ধে Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় পানশালায় বন্দুক হামলা, নিহত ১৭ Logo নতুন বুটে ইনজুরিতে পড়তে পারেন এমবাপ্পে, আগেই সতর্ক করেছিলেন ফিজিও Logo অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে: সাদিয়া আয়মান Logo চাঁদাবাজির ‘ঢালাও’ অভিযোগ করেছে সালমান, মামলা করলে তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ফেসবুক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী মিথ্যাচার চালাচ্ছে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূর সাড়ে-৯ ভরি স্বর্ণ আত্মসাত-২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও এসআই সোহেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রতিবেদনের অভিযোগ

গাজায় চেতনানাশক ছাড়াই চলছে সার্জারি!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩ ২২৩ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

রকেট হামলায় আক্রান্ত আল আহলি হাসপাতাল থেকে গাজা উপত্যকার প্রধান হাসপাতাল আল শিফায় ছুটে আসা হতাহতের ওপর অপারেশন করার সময় চিকিৎসকরা চেতনানাশক ব্যবহার করতে পারছেন না। বুধবার আল শিফা হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সেলিমা গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

মঙ্গলবার রাতে গাজা উপত্যকার আল আহলি হাসপাতালে রকেট হামলা চালানো হয়। এতে পাঁচ শতাধিক মানুষ নিহত এবং শতাধিক আহত হয়। ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরায়েল গাজা স্ট্রিপের সাথে তার সীমান্ত বন্ধ করে দেয়। ফলস্বরূপ, আল শিফা সহ গাজার অন্যান্য হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে চেতনানাশক ওষুধের পাশাপাশি অন্যান্য চিকিৎসা সরবরাহও শেষ হয়ে গেছে, আবু সেলিমা জানিয়েছেন। এ কারণে অস্ত্রোপচারের আগে রোগীদের অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া সম্ভব হয় না বলে জানান তিনি। কারা এই হামলার জন্য দায়ী তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজার ক্ষমতাসীন দল হামাস এবং ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) এই হামলার জন্য একে অপরকে দায়ী করেছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামলার পর বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আল আহলির অন্তত ৩৫০ জন অ্যাম্বুলেন্স ও প্রাইভেটকারে করে আল শিফা হাসপাতালে আসেন। তারা সবাই আহত অবস্থায় হাসপাতালে আসেন। এমনকি প্রচুর সংখ্যক রোগীও রয়েছে যাদের হাত-পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ফলস্বরূপ, এই রোগীদের বেশিরভাগেরই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। কিন্তু সরেজমিনে দেখা গেছে, অবস্থানের কারণে চিকিৎসকরা হাসপাতালের মেঝেতে বসে অ্যানেসথেসিয়া ছাড়াই অস্ত্রোপচার করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। সেলিমা বলেন, চিকিৎসা সামগ্রী, বিছানা, ওষুধ, চেতনানাশক-সংক্ষেপে সব মজুত শেষ হয়ে গেছে।

এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ফিলিস্তিনের গাজা শহরের আল আহলি আল আরাবি হাসপাতালে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘নজিরবিহীন’ বলে অভিহিত করেছে। পশ্চিম তীর ও গাজায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি রিচার্ড পেপারকর্ন বলেছেন, হামলার মাত্রা নজিরবিহীন। আমরা অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে স্বাস্থ্যসেবার উপর ধারাবাহিক আক্রমণ দেখছি।

গাজায় চেতনানাশক ছাড়াই চলছে সার্জারি!

আপডেট সময় : ০১:৫৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

রকেট হামলায় আক্রান্ত আল আহলি হাসপাতাল থেকে গাজা উপত্যকার প্রধান হাসপাতাল আল শিফায় ছুটে আসা হতাহতের ওপর অপারেশন করার সময় চিকিৎসকরা চেতনানাশক ব্যবহার করতে পারছেন না। বুধবার আল শিফা হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সেলিমা গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

মঙ্গলবার রাতে গাজা উপত্যকার আল আহলি হাসপাতালে রকেট হামলা চালানো হয়। এতে পাঁচ শতাধিক মানুষ নিহত এবং শতাধিক আহত হয়। ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরায়েল গাজা স্ট্রিপের সাথে তার সীমান্ত বন্ধ করে দেয়। ফলস্বরূপ, আল শিফা সহ গাজার অন্যান্য হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে চেতনানাশক ওষুধের পাশাপাশি অন্যান্য চিকিৎসা সরবরাহও শেষ হয়ে গেছে, আবু সেলিমা জানিয়েছেন। এ কারণে অস্ত্রোপচারের আগে রোগীদের অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া সম্ভব হয় না বলে জানান তিনি। কারা এই হামলার জন্য দায়ী তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজার ক্ষমতাসীন দল হামাস এবং ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) এই হামলার জন্য একে অপরকে দায়ী করেছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামলার পর বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আল আহলির অন্তত ৩৫০ জন অ্যাম্বুলেন্স ও প্রাইভেটকারে করে আল শিফা হাসপাতালে আসেন। তারা সবাই আহত অবস্থায় হাসপাতালে আসেন। এমনকি প্রচুর সংখ্যক রোগীও রয়েছে যাদের হাত-পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ফলস্বরূপ, এই রোগীদের বেশিরভাগেরই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। কিন্তু সরেজমিনে দেখা গেছে, অবস্থানের কারণে চিকিৎসকরা হাসপাতালের মেঝেতে বসে অ্যানেসথেসিয়া ছাড়াই অস্ত্রোপচার করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। সেলিমা বলেন, চিকিৎসা সামগ্রী, বিছানা, ওষুধ, চেতনানাশক-সংক্ষেপে সব মজুত শেষ হয়ে গেছে।

এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ফিলিস্তিনের গাজা শহরের আল আহলি আল আরাবি হাসপাতালে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘নজিরবিহীন’ বলে অভিহিত করেছে। পশ্চিম তীর ও গাজায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি রিচার্ড পেপারকর্ন বলেছেন, হামলার মাত্রা নজিরবিহীন। আমরা অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে স্বাস্থ্যসেবার উপর ধারাবাহিক আক্রমণ দেখছি।