ঢাকা ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভারত সফর না হলে বাংলাদেশের জায়গায় খেলতে পারে স্কটল্যান্ড Logo বিশ্ববাজারে সোনার দামে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি: বাংলাদেশে নতুন দাম নিয়ে উদ্বেগ Logo বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক Logo ভারতীয় কোস্টগার্ডের হাতে ২৪ বাংলাদেশি জেলে: ট্রলারটি ছিল ‘এফবি সাফওয়ান’ Logo পাকিস্তান বাংলাদেশের নিরাপত্তা উদ্বেগে সমর্থন জানিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি স্থগিত করলো Logo শামীম ওসমান ও পুত্র অয়নসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি Logo করাচির গুল প্লাজায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড; মৃত ১৪ Logo শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা Logo সাবিনার জোড়া গোলে ভারতকে ধরাশয়ী করলো বাংলাদেশ Logo রানাপাশার ইসলামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার রুহের মাগফেরাতে দোয়া অনুষ্ঠান

মাচা পদ্ধতিতে লাউ চাষ করে স্বাবলম্বী ফরিদপুরের মো. আল আমিন শেখ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৯:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ ৪৭০ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

প্রসেনজিৎ বিশ্বাস, ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুর জেলার মধ্যে সালথা উপজেলা টি কৃষিতে ব্যাপক সম্ভাবনাময় এলাকা। এখানে পাট ও পেঁয়াজের রাজধানী খ্যাত ব্যাপক সুনাম রয়েছে। মৌসুমে শুরুতে প্রায় ৯০ ভাগ জমিতে পাট ও পেঁয়াজের চাষ হয়। তবে সব কিছু ছাড়িয়ে লাউ ও সবজি চাষ করে চমক সৃষ্টি করেছে শিক্ষার্থী মো. আল-আমিন শেখ। গত কয়েক বছর যাবৎ লাউ, ধুন্দল, চন্দনি, পুইশাক ও অন্যান্য সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি। বিভিন্ন সবজি চাষ করলেও লাউ চাষে সাফল্য ধরা দেয় এ বছর তার। লাউ চাষ করে চমক সৃষ্টি করেছেন শিক্ষার্থী আল-আমিন।
তিনি উপজেলার যদুনন্দী ইউপির জগন্নাথদী গ্রামের দক্ষিণপাড়ার লিটু শেখের ছেলে মো. আল আমীন শেখ (২৩)।
আল-আমিন নবকাম পল্লী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষাবাদ করছেন। বাবা-মাসহ পরিবারের সবাই তাকে চাষাবাদে সাহায্য করেন। চাষাবাদের কারণে লেখাপড়ায় কোন সমস্যা হয় না। সবজি চাষে তিনি এ একজন সফল কৃষক বলা যায়।
চলতি মৌসুমে আল আমিন প্রায় এক একর জমিতে লাউ চাষ করেন। সেখানে দুটি মাচা করছেন। কাদা বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে বেড পদ্ধতিতে কয়েক প্রজাতির হাইব্রিড জাতের লাউ গাছ রোপণ করা হয়েছে। মোট ১৩টি বেড রয়েছে, একটি চারা থেকে অন্যটির দূরত্ব প্রায় আড়াই ফুট। শতক প্রতি মাত্র ৫০০-৭০০ টাকা খরচ হয়েছে। ৪০-৪৫ দিন পর থেকে প্রায় প্রতিদিন লাউ সংগ্রহ করা যায়। লাউগাছ ৪ মাস পর্যন্ত ভালো ফলন দেয়। এর পরে ই ফলন কমতে থাকে। এই জন্য ৪ মাস পর নতুন করে লাউ গাছ রোপণ বা অন্য কোন ফসলের চাষ করত হয়। লাউ সারা বছর চাষ করা যায়। সব খরচ বাদ দিয়ে আল আমিন এ বছর প্রায় ৩-৪ লাখ টাকা লাউ চাষে লাভ করবেন বলে ধারণা করছেন।
আল-আমিন জানান,আমার এক বড় ভাই আমাকে এ চাষে পরিকল্পনা দেন। তারই পরিকল্পনায় আমি গতবছর পরীক্ষামূলক লাউ চাষ করি। সেখানে আমি কিছুটা সাফল্য পেয়ে এবছর প্রায় ১ একর জমিতে লাউ চাষ করি। রোগ বালাই ও অন্যান্য সমস্যা ইউটিউব দেখে নিজে নিজেই সে সমাধান করতে পেরেছি।এ ছাড়াও কলা,পেঁপে ,ভেন্ডি,জিঙ্গা,মরিচ চাষ করছি।সব খরচ বাদ দিয়ে এ বছর লাউ চাষে আমি প্রায় ৩-৪লাখ টাকা আয় করতে পারব বলে আশা করছি।
সালথা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুদর্শন শিকদার বলেন ,শিক্ষার পাশাপাশি কৃষি কাজে সাফল্য আলামিনের  তথ্য ও অন্যান্য সহযোগিতা দিয়ে পাশে থাকতে আশ্বাস দেন।

ট্যাগস :

মাচা পদ্ধতিতে লাউ চাষ করে স্বাবলম্বী ফরিদপুরের মো. আল আমিন শেখ

আপডেট সময় : ০৩:৪৯:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

প্রসেনজিৎ বিশ্বাস, ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুর জেলার মধ্যে সালথা উপজেলা টি কৃষিতে ব্যাপক সম্ভাবনাময় এলাকা। এখানে পাট ও পেঁয়াজের রাজধানী খ্যাত ব্যাপক সুনাম রয়েছে। মৌসুমে শুরুতে প্রায় ৯০ ভাগ জমিতে পাট ও পেঁয়াজের চাষ হয়। তবে সব কিছু ছাড়িয়ে লাউ ও সবজি চাষ করে চমক সৃষ্টি করেছে শিক্ষার্থী মো. আল-আমিন শেখ। গত কয়েক বছর যাবৎ লাউ, ধুন্দল, চন্দনি, পুইশাক ও অন্যান্য সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি। বিভিন্ন সবজি চাষ করলেও লাউ চাষে সাফল্য ধরা দেয় এ বছর তার। লাউ চাষ করে চমক সৃষ্টি করেছেন শিক্ষার্থী আল-আমিন।
তিনি উপজেলার যদুনন্দী ইউপির জগন্নাথদী গ্রামের দক্ষিণপাড়ার লিটু শেখের ছেলে মো. আল আমীন শেখ (২৩)।
আল-আমিন নবকাম পল্লী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষাবাদ করছেন। বাবা-মাসহ পরিবারের সবাই তাকে চাষাবাদে সাহায্য করেন। চাষাবাদের কারণে লেখাপড়ায় কোন সমস্যা হয় না। সবজি চাষে তিনি এ একজন সফল কৃষক বলা যায়।
চলতি মৌসুমে আল আমিন প্রায় এক একর জমিতে লাউ চাষ করেন। সেখানে দুটি মাচা করছেন। কাদা বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে বেড পদ্ধতিতে কয়েক প্রজাতির হাইব্রিড জাতের লাউ গাছ রোপণ করা হয়েছে। মোট ১৩টি বেড রয়েছে, একটি চারা থেকে অন্যটির দূরত্ব প্রায় আড়াই ফুট। শতক প্রতি মাত্র ৫০০-৭০০ টাকা খরচ হয়েছে। ৪০-৪৫ দিন পর থেকে প্রায় প্রতিদিন লাউ সংগ্রহ করা যায়। লাউগাছ ৪ মাস পর্যন্ত ভালো ফলন দেয়। এর পরে ই ফলন কমতে থাকে। এই জন্য ৪ মাস পর নতুন করে লাউ গাছ রোপণ বা অন্য কোন ফসলের চাষ করত হয়। লাউ সারা বছর চাষ করা যায়। সব খরচ বাদ দিয়ে আল আমিন এ বছর প্রায় ৩-৪ লাখ টাকা লাউ চাষে লাভ করবেন বলে ধারণা করছেন।
আল-আমিন জানান,আমার এক বড় ভাই আমাকে এ চাষে পরিকল্পনা দেন। তারই পরিকল্পনায় আমি গতবছর পরীক্ষামূলক লাউ চাষ করি। সেখানে আমি কিছুটা সাফল্য পেয়ে এবছর প্রায় ১ একর জমিতে লাউ চাষ করি। রোগ বালাই ও অন্যান্য সমস্যা ইউটিউব দেখে নিজে নিজেই সে সমাধান করতে পেরেছি।এ ছাড়াও কলা,পেঁপে ,ভেন্ডি,জিঙ্গা,মরিচ চাষ করছি।সব খরচ বাদ দিয়ে এ বছর লাউ চাষে আমি প্রায় ৩-৪লাখ টাকা আয় করতে পারব বলে আশা করছি।
সালথা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুদর্শন শিকদার বলেন ,শিক্ষার পাশাপাশি কৃষি কাজে সাফল্য আলামিনের  তথ্য ও অন্যান্য সহযোগিতা দিয়ে পাশে থাকতে আশ্বাস দেন।