ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গাজীপুরে জিয়াউর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন Logo গাজীপুরে বহুতল ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় বিদায় নিলেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশিদ Logo সাবেক এমপি হারুন আল রশিদের মৃত্যুতে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শোক  Logo বেনজীরকে ফেরাতে সব নথি পাঠানো হয়েছে, দ্রুত প্রত্যর্পণের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo একটি কোম্পানির মাধ্যমে সকল রুটে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী Logo বটতলায় জমজমাট ফাইনাল: চ্যাম্পিয়ান ভাতকাঠি একতা ফাউন্ডেশন। Logo সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের মাঝে বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ Logo অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল শিশুর Logo জনগণের ভালোবাসা বড় শক্তি, নিরাপত্তা কড়াকড়ি যেন দূরত্ব তৈরি না করে: প্রধানমন্ত্রী

মাচা পদ্ধতিতে লাউ চাষ করে স্বাবলম্বী ফরিদপুরের মো. আল আমিন শেখ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৯:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ ৫৬২ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

প্রসেনজিৎ বিশ্বাস, ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুর জেলার মধ্যে সালথা উপজেলা টি কৃষিতে ব্যাপক সম্ভাবনাময় এলাকা। এখানে পাট ও পেঁয়াজের রাজধানী খ্যাত ব্যাপক সুনাম রয়েছে। মৌসুমে শুরুতে প্রায় ৯০ ভাগ জমিতে পাট ও পেঁয়াজের চাষ হয়। তবে সব কিছু ছাড়িয়ে লাউ ও সবজি চাষ করে চমক সৃষ্টি করেছে শিক্ষার্থী মো. আল-আমিন শেখ। গত কয়েক বছর যাবৎ লাউ, ধুন্দল, চন্দনি, পুইশাক ও অন্যান্য সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি। বিভিন্ন সবজি চাষ করলেও লাউ চাষে সাফল্য ধরা দেয় এ বছর তার। লাউ চাষ করে চমক সৃষ্টি করেছেন শিক্ষার্থী আল-আমিন।
তিনি উপজেলার যদুনন্দী ইউপির জগন্নাথদী গ্রামের দক্ষিণপাড়ার লিটু শেখের ছেলে মো. আল আমীন শেখ (২৩)।
আল-আমিন নবকাম পল্লী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষাবাদ করছেন। বাবা-মাসহ পরিবারের সবাই তাকে চাষাবাদে সাহায্য করেন। চাষাবাদের কারণে লেখাপড়ায় কোন সমস্যা হয় না। সবজি চাষে তিনি এ একজন সফল কৃষক বলা যায়।
চলতি মৌসুমে আল আমিন প্রায় এক একর জমিতে লাউ চাষ করেন। সেখানে দুটি মাচা করছেন। কাদা বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে বেড পদ্ধতিতে কয়েক প্রজাতির হাইব্রিড জাতের লাউ গাছ রোপণ করা হয়েছে। মোট ১৩টি বেড রয়েছে, একটি চারা থেকে অন্যটির দূরত্ব প্রায় আড়াই ফুট। শতক প্রতি মাত্র ৫০০-৭০০ টাকা খরচ হয়েছে। ৪০-৪৫ দিন পর থেকে প্রায় প্রতিদিন লাউ সংগ্রহ করা যায়। লাউগাছ ৪ মাস পর্যন্ত ভালো ফলন দেয়। এর পরে ই ফলন কমতে থাকে। এই জন্য ৪ মাস পর নতুন করে লাউ গাছ রোপণ বা অন্য কোন ফসলের চাষ করত হয়। লাউ সারা বছর চাষ করা যায়। সব খরচ বাদ দিয়ে আল আমিন এ বছর প্রায় ৩-৪ লাখ টাকা লাউ চাষে লাভ করবেন বলে ধারণা করছেন।
আল-আমিন জানান,আমার এক বড় ভাই আমাকে এ চাষে পরিকল্পনা দেন। তারই পরিকল্পনায় আমি গতবছর পরীক্ষামূলক লাউ চাষ করি। সেখানে আমি কিছুটা সাফল্য পেয়ে এবছর প্রায় ১ একর জমিতে লাউ চাষ করি। রোগ বালাই ও অন্যান্য সমস্যা ইউটিউব দেখে নিজে নিজেই সে সমাধান করতে পেরেছি।এ ছাড়াও কলা,পেঁপে ,ভেন্ডি,জিঙ্গা,মরিচ চাষ করছি।সব খরচ বাদ দিয়ে এ বছর লাউ চাষে আমি প্রায় ৩-৪লাখ টাকা আয় করতে পারব বলে আশা করছি।
সালথা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুদর্শন শিকদার বলেন ,শিক্ষার পাশাপাশি কৃষি কাজে সাফল্য আলামিনের  তথ্য ও অন্যান্য সহযোগিতা দিয়ে পাশে থাকতে আশ্বাস দেন।

ট্যাগস :

মাচা পদ্ধতিতে লাউ চাষ করে স্বাবলম্বী ফরিদপুরের মো. আল আমিন শেখ

আপডেট সময় : ০৩:৪৯:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

প্রসেনজিৎ বিশ্বাস, ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুর জেলার মধ্যে সালথা উপজেলা টি কৃষিতে ব্যাপক সম্ভাবনাময় এলাকা। এখানে পাট ও পেঁয়াজের রাজধানী খ্যাত ব্যাপক সুনাম রয়েছে। মৌসুমে শুরুতে প্রায় ৯০ ভাগ জমিতে পাট ও পেঁয়াজের চাষ হয়। তবে সব কিছু ছাড়িয়ে লাউ ও সবজি চাষ করে চমক সৃষ্টি করেছে শিক্ষার্থী মো. আল-আমিন শেখ। গত কয়েক বছর যাবৎ লাউ, ধুন্দল, চন্দনি, পুইশাক ও অন্যান্য সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি। বিভিন্ন সবজি চাষ করলেও লাউ চাষে সাফল্য ধরা দেয় এ বছর তার। লাউ চাষ করে চমক সৃষ্টি করেছেন শিক্ষার্থী আল-আমিন।
তিনি উপজেলার যদুনন্দী ইউপির জগন্নাথদী গ্রামের দক্ষিণপাড়ার লিটু শেখের ছেলে মো. আল আমীন শেখ (২৩)।
আল-আমিন নবকাম পল্লী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষাবাদ করছেন। বাবা-মাসহ পরিবারের সবাই তাকে চাষাবাদে সাহায্য করেন। চাষাবাদের কারণে লেখাপড়ায় কোন সমস্যা হয় না। সবজি চাষে তিনি এ একজন সফল কৃষক বলা যায়।
চলতি মৌসুমে আল আমিন প্রায় এক একর জমিতে লাউ চাষ করেন। সেখানে দুটি মাচা করছেন। কাদা বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে বেড পদ্ধতিতে কয়েক প্রজাতির হাইব্রিড জাতের লাউ গাছ রোপণ করা হয়েছে। মোট ১৩টি বেড রয়েছে, একটি চারা থেকে অন্যটির দূরত্ব প্রায় আড়াই ফুট। শতক প্রতি মাত্র ৫০০-৭০০ টাকা খরচ হয়েছে। ৪০-৪৫ দিন পর থেকে প্রায় প্রতিদিন লাউ সংগ্রহ করা যায়। লাউগাছ ৪ মাস পর্যন্ত ভালো ফলন দেয়। এর পরে ই ফলন কমতে থাকে। এই জন্য ৪ মাস পর নতুন করে লাউ গাছ রোপণ বা অন্য কোন ফসলের চাষ করত হয়। লাউ সারা বছর চাষ করা যায়। সব খরচ বাদ দিয়ে আল আমিন এ বছর প্রায় ৩-৪ লাখ টাকা লাউ চাষে লাভ করবেন বলে ধারণা করছেন।
আল-আমিন জানান,আমার এক বড় ভাই আমাকে এ চাষে পরিকল্পনা দেন। তারই পরিকল্পনায় আমি গতবছর পরীক্ষামূলক লাউ চাষ করি। সেখানে আমি কিছুটা সাফল্য পেয়ে এবছর প্রায় ১ একর জমিতে লাউ চাষ করি। রোগ বালাই ও অন্যান্য সমস্যা ইউটিউব দেখে নিজে নিজেই সে সমাধান করতে পেরেছি।এ ছাড়াও কলা,পেঁপে ,ভেন্ডি,জিঙ্গা,মরিচ চাষ করছি।সব খরচ বাদ দিয়ে এ বছর লাউ চাষে আমি প্রায় ৩-৪লাখ টাকা আয় করতে পারব বলে আশা করছি।
সালথা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুদর্শন শিকদার বলেন ,শিক্ষার পাশাপাশি কৃষি কাজে সাফল্য আলামিনের  তথ্য ও অন্যান্য সহযোগিতা দিয়ে পাশে থাকতে আশ্বাস দেন।